Model Activity Task Class 9 Part 8Model Activity Task Class 9 Part 8Model Activity Task Class 9 Part 8Model Activity Task Class 9 Part 8 Model Activity Task Class 9 Part 8Model Activity TaskPart 8Model Activity Task Class 9 Part 8Model Activity Task Class 9 Part 8ABUMOTALEB SIR
Model Activity Task Class 9 Part 8 Physical Science
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 9 Part 8 ভৌত বিজ্ঞান
১. ঠিক উত্তর নির্বাচন করো : ১ X ৮=৮
১.১ নীচের যেটি পরিমাপযোগ্য ভৌতরাশি নয় সেটি হলো
(ক) একটি ন্যাপথালিন বলের ভর
(খ) একটি ন্যাপথালিন বলের ভরবেগ
(গ) একটি ন্যাপথালিন বলের গন্ধ
(ঘ) একটি ন্যাপথালিন বলের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল।
উত্তরঃ (গ) একটি ন্যাপথালিন বলের গন্ধ
১.২ আইসোবারদের ক্ষেত্রে নীচের যে কথাটি ঠিক তা হলো এদের
(ক) ভর সমান
(খ) প্রোটনসংখ্যা সমান
(গ) নিউট্রনসংখ্যা সমান
(ঘ) ভরসংখ্যা সমান
উত্তরঃ (ঘ) ভরসংখ্যা সমান
১.৩ ভরবেগের মাত্রীয় সংকেত হলো
(ক) MLT
(খ) MLT2
(গ) ML2T
(ঘ) MLT-1
উত্তরঃ (ঘ) MLT-1
১.৪ জলের যে ধর্মের জন্য একটি ছোট পোকা জলের উপরিতলে হেঁটে বেড়াতে পারে তা হলো
(ক) জলের ঘনত্ব
(খ) জলের সান্দ্রতা
(গ) জলের তাপ পরিবাহিতা
(ঘ) জলের পৃষ্ঠটান
উত্তরঃ (ঘ) জলের পৃষ্ঠটান
১.৫ শক্তির মাত্রীয় সংকেত হলো
(ক) ML2T2
(খ) ML-2T2
(গ) ML2T-2
(ঘ) ML-2T-2
উত্তরঃ (ঘ) ML-2T-2
১.৬ কোনো স্প্রিংয়ের বল ধ্রুবকের একক হলো –
(ক) Nm
(খ) Nm2
(গ) N/m2
(ঘ) N/m
উত্তরঃ (ঘ) N/m
১.৭ গাঢ় ও উত্তপ্ত নাইট্রিক অ্যাসিড ও তামার বিক্রিয়ার নাইট্রোজেনের যে অক্সাইড উৎপন্ন হয় তা হলো
(ক) N2O5
(খ) N2O
(গ) NO2
(ঘ) NO
উত্তরঃ (গ) NO2
Model Activity Task Class 9 Part 8
১.৮ একটি বলকে খাড়াভাবে উপরের দিকে ছোঁড়া হলো। যাত্রাপথের সর্বোচ্চ বিন্দুতে বলটির
(ক) গতিশক্তি সর্বাধিক
(খ) স্থিতিশক্তি সর্বাধিক
(গ) গতিশক্তি ও স্থিতিশক্তির মান সমান
(ঘ) গতিশক্তি অপেক্ষা স্থিতিশক্তির মান কম
উত্তরঃ (খ) স্থিতিশক্তি সর্বাধিক
২. শূন্যস্থান পূরণ করো : ১×৩=৩
২.১ বিস্তৃত দশা কঠিন ও বিস্তার মাধ্যম তরল এমন একটি কোলয়ডীয় মিশ্রণের উদাহরণ হলো ________
উত্তরঃ নদীর ঘোলা জল
২.২ জলে সাবান দিয়ে প্রাপ্ত দ্রবণের পৃষ্ঠটান বিশুদ্ধ জলের চেয়ে _____________ হয়।
উত্তরঃ কম
২.৩ SI পদ্ধতিতে ক্ষমতার একক হলো ________________
উত্তরঃ ওয়াট
৩. নীচের বাক্যগুলি সত্য অথবা মিথ্যা তা নিরূপণ করো : ১ X ৬ = ৬
৩.১ আপেক্ষিক ঘনত্ব একটি এককহীন রাশি।
উত্তরঃ সত্য
৩.২ একটি বস্তু R cm ব্যাসার্ধের বৃত্তাকার পথের অর্ধেক অতিক্রম করলে তার সরণ হবে R cm।
উত্তরঃ মিথ্যা
৩.৩ 12C স্কেলে ক্লোরিনের পারমাণবিক গুরুত্ব 35.453 হলে একটি ক্লোরিন পরমাণুর ভর 35.453 u
উত্তরঃ সত্য
৩.৪ ব্যারোমিটারের পাঠ দ্রুত কমতে থাকলে বোঝা যায় যে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে।
উত্তরঃ সত্য
৩.৫ যে দ্রবণে মিথাইল অরেঞ্জের রঙ হলুদ তার pH > 7
উত্তরঃ সত্য
৩.৬ কার্য একটি ভেক্টর রাশি।
উত্তরঃ মিথ্যা
৪. একটি শব্দে অথবা একটি বাক্যে উত্তর দাও : ১ X ৩ = ৩
৪.১ SI এককে এক মোল পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভর কত?
উত্তরঃ 44 gm
৪.২ রাবার ও ইস্পাতের মধ্যে কোনটির ইয়ং গুণাঙ্কের মান বেশি হবে?
উত্তরঃ ইস্পাত
৪.৩ একটি অ্যাসিড লবণের সংকেত লেখো।
উত্তরঃ NaHCO3
Model Activity Task Class 9 Part 8
৫. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২×৯=১৮
৫.১ STP-তে হাইড্রোজেন গ্যাসের ঘনত্ব 0.0898 g/L হলে SI এককে এই ঘনত্বের মান নির্ণয় করো।
উত্তরঃ 1g /L = 1 kg/m3
অর্থাৎ, SI এককে হাইড্রোজেন গ্যাসের
এই ঘনত্বের মান 0.0898 kg/m3
৫.২ একটি মৌলের পরমাণুতে প্রোটন ও ইলেকট্রনের মোট সংখ্যা 184। পরমাণুটির ভরসংখ্যা 235 হলে এতে কটি নিউট্রন আছে নির্ণয় করো।
উত্তরঃ মৌলের পরমাণুতে প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা সমান হয়। তাই, মৌলটির পরমাণুতে প্রোটন আছে = (184÷2) টি = 92 টি, পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা = (পরমাণুর ভর সংখ্যা – পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা)
অর্থাৎ, এতে নিউট্রন আছে (235 – 92) টি = 143 টি
৫.৩ এক লিটার দ্রবণে 18g গ্লুকোজ (আণবিক ওজন 180) আছে। দ্রবণের মোলার মাত্রা নির্ণয় করো।
উত্তরঃ গ্লুকোজের আণবিক ওজন 180
অর্থাৎ, 1 মোল গ্লুকোজ = 180 গ্রাম গ্লুকোজ
180 গ্রাম গ্লুকোজ = 1 মোল গ্লুকোজ ।
1 গ্রাম গ্লুকোজ = 1/180 মোল গ্লুকোজ
18 গ্রাম গ্লুকোজ = 1×18 / 180 মোল গ্লুকোজ
= 1/10 মোল গ্লুকোজ = 0.1 মোল গ্লুকোজ ।
উত্তর: ওই দ্রবণের মোলার মাত্রা 0.1 মোল/লিটার
৫.৪ লঘু হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ও লঘু সালফিউরিক অ্যাসিড আছে । একটি রাসায়নিক পরীক্ষায় এই দুটি দ্রবণের পার্থক্য নির্ণয় করতে কী বিকারক ব্যবহার করবে? সংশ্লিষ্ট ভৌত পরিবর্তনটির উল্লেখ করো।
উত্তরঃ বিকারক: বেরিয়াম ক্লোরাইড দ্রবণ (BaCl2) বিকারক হিসাবে ব্যবহার করতে হবে।
লঘু সালফিউরিক অ্যাসিডের (H2SO4) জলীয় দ্রবণে বেরিয়াম ক্লোরাইড (BaCl2) দ্রবণ যোগ করলে অদ্রাব্য সাদা অধঃক্ষেপ (BaSO4) উৎপন্ন হয়।
সমীকরণ: H2SO4 + BaCl2 = BaSO4↓ + 2HCI
লঘু হাইড্রোক্লোরিক (HCI) এর জলীয় দ্রবণে BaCl2 দ্রবণ যোগ করা কোন অধঃক্ষেপ পড়ে না।
৫.৫ জলে সোডিয়াম ক্লোরাইডের আয়ন দ্রবীভূত হওয়া আর প্রোটিন অণুর দ্রবীভূত হওয়ার মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ জলে সোডিয়াম ক্লোরাইডের আয়ন দ্রবীভূত হলে দ্রবণটি হয় সোডিয়াম ক্লোরাইডের জলীয় দ্রবণ।
অপরদিকে জলে প্রোটিন অণু দ্রবীভূত হলে দ্রবণটি হয় কোলয়ডীয় দ্রবণ। যেমন-স্টার্চকে জলে মিশিয়ে গরম করলে স্টার্চের কোলয়ডীয় দ্রবণ উৎপন্ন হয়
৫.৬ কোনো বস্তুর ভর m ও গতিশক্তি E হলে প্রমাণ করো যে বস্তুটির ভরবেগ হলো (2mE)1/2
উত্তরঃ
৫.৭ সাধারণ স্কেলের সাহায্যে একটি পাতলা পাতার গড় বেধের মান কীভাবে নির্ণয় করা যায়?
উত্তরঃ 100 বা তার বেশি পাতলা কাগজ গুলিকে দু আঙ্গুলে চেপে ধরে সাধারণ স্কেল দিয়ে পাতাগুলির বেধ বিভিন্ন জায়গায় মেপে নিয়ে তা থেকে গড় বেধ নির্ণয় করতে হবে।
গড় বেধকে পাতার সংখ্যা (n) দিয়ে ভাগ করলে একটি পাতার বেধ পাওয়া যাবে।
Model Activity Task Class 9 Part 8
৫.৮ আলফা কণার বিচ্ছুরণের পরীক্ষার ফলাফল থেকে রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্বন্ধে কী কী সিদ্ধান্তে উপনীত হন
উত্তরঃ আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা থেকে রাদারফোর্ড কতগুলি উপনীত হন ।
1) যেহেতু বেশিরভাগ আলফা কণা সোনার পাত ভেদ করে সোজা চলে যায়। সেহেতু বলা যায় পরমাণুর বেশিরভাগ স্থান শূন্য অর্থাৎ পরমাণু নিরেট নয়।
2) 20000 এরমধ্যে 1টি কণা যে পথে যায় আবার সেই পথে ফিরে আসে অর্থাৎ ধনাত্মক আধানযুক্ত আলফা কণা আর 1টি ঋণাত্মক আধানের বিকর্ষণ এর জন্য ফিরে আসে। এই ঋনাত্মক আধান পরমাণুর খুব কম আয়তন দখল করে থাকে এবং পরমাণু সমস্ত ভর ওই স্থানে কেন্দ্রীভূত। রাদারফোর্ড পরমাণুর ভেতরে এই ক্ষুদ্র অংশের নাম দেন নিউক্লিয়াস।
৫.৯. এক কিলোগ্রাম ভরের একটি বস্তুI m/s বেগে ধাবমান হলে তার গতিশক্তি কত হবে তা নির্ণয় করো।
৬.১ একটি ট্রেন 60 km/h দ্ৰুতিতে চলছিল। ব্রেক ক্যার ফলে 1 m/s2 মন্দন সৃষ্টি হলো। ট্রেনটির থামতে কত সময় লাগবে নির্ণয় করো।
উত্তরঃ
৬.২ একটি জৈব যৌগে ভর অনুপাতে 0.031% ফসফরাস আছে। যদি ঐ যৌগটির একটি অণুতে একটিই ফসফরাস পরমাণু থাকে তাহলে যৌগের মোলার ভর নির্ণয় করো (তোমাকে দেওয়া আছে P=31)। যৌগটির অণুর আয়তন সম্বন্ধে তুমি কী বলতে পারো?
উত্তরঃ
৬.৩. একটি হাল্কা ও একটি ভারী বস্তুর ভর যথাক্রমে m ও M। বস্তুদুটির ভরবেগ সমান হলে কোনটির গতিশক্তি বেশি হবে তা নির্ণয় করো।
উত্তরঃ প্রদত্ত হালকা বস্তুর ভর = m
প্রদত্ত ভারী বস্তুর ভর = M
ধরি দুটি বস্তুর ভরবেগ = P
হালকা বস্তুর গতিশক্তি E1 = P/2 m
ভারী বস্তুর গতিশক্তি E2 = P/2 M
হালকা বস্তুর গতিশক্তি : ভারী বস্তুর গতিশক্তি
= P/2m : P/2M
= 1/m : 1/M
= M : m [ উভয়কে Mm দ্বারা গুন করে]
যেহেতু M>m তাই, E1 > E2
উত্তর: হালকা বস্তুর গতিশক্তি বেশি।
৬.৪ নীচের প্রতিটির একটি করে উদাহরণ দাও:
ক) অভিকর্ষ বল কাজ করছে,
খ) অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে কাজ করা হচ্ছে,
গ) বস্তুর সরণ ঘটলেও অভিকর্ষ বল কোনো কাজ করছে না।
উত্তর:
(ক) একটি বস্তু উপর থেকে নিচে পড়ছে, এক্ষেত্রে অভিকর্ষ বল কাজ করছে।
(খ) একটি বস্তুকে উপরের দিকে তোলা হচ্ছে, এক্ষেত্রে অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে কার্য করা হচ্ছে।
(গ) এক ব্যক্তি একটি সুটকেস হাতে নিয়ে অনুভূমিক তলে হেটে গেল এক্ষেত্রে বস্তুর সরণ ঘটলেও অভিকর্ষ বল কাজ করছে না কারণ অভিকর্ষ বল ও সুটকেসের সরন পরস্পর লম্ব ।
১.৯ নীচের যে বিশেষ সংযোগী কলাকে ‘রিজার্ভ পেসমেকার’ বলা হয় সেটিকে শনাক্ত করো—
(ক) SA নোড
(খ) পারকিনজি তন্তু
(গ) হিজের বান্ডিল
(ঘ) AV নোড
উত্তরঃ SA নোড
২. নীচের বাক্যগুলোর শূন্যস্থানগুলোতে উপযুক্ত শব্দ বসাও : ১×৩ = ৩
২.১ সূর্যালোকের ____________ কণা শোষণ করে ক্লোরোফিল সক্রিয় হয়।
উত্তরঃ অদৃশ্য ফোটন কণা বা কোয়ান্টাম
২.২ A গ্রুপের ব্যক্তির রক্তে _____________ অ্যাগ্লুটিনিন থাকে।
উত্তরঃ বিটা (β)
২.৩ পেঁপে গাছের তরুক্ষীরে নামক উৎসেচক থাকে যা প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে।
উত্তরঃ প্যাপাইন
৩. নীচের বাক্যগুলো সত্য অথবা মিথ্যা নিরূপণ করো : ১×৩ = ৩
৩.১ নানা জৈব অণু মিশ্রিত সমুদ্রের গরম জলকে বিজ্ঞানী সিডনি ফল্ম ‘হট ডাইলিউট সুপ’ নামে অভিহিত করেন।
উত্তরঃ মিথ্যা
৩.২ প্রোটিস্টা জাতীয় জীবদের কোশ প্রোক্যারিওটিক প্রকৃতির।
উত্তরঃ সত্য
৩.৩ নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষার, পেন্টোজ শর্করা ও ফসফেট মূলক নিয়ে নিউক্লিওটাইড গঠিত।
উত্তরঃ সত্য
৪. A- স্তম্ভে দেওয়া শব্দের সঙ্গে B-স্তম্ভে দেওয়া সর্বাপেক্ষা উপযুক্ত শব্দটির সমতা বিধান করে উভয় স্তম্ভের ক্রমিক নং উল্লেখসহ সঠিক জোড়টি পুনরায় লেখো : ১×৩ = ৩
A স্তম্ভ
B স্তম্ভ
৪.১ অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস
(a) ট্র্যাকিয়া
৪.২ পতঙ্গ
(b) রক্ষীকোশ
৪.৩ পত্ররন্দ্র
(c) বিপাকীয় সমস্যাজনিত রোগ
(d) ফুলকাা
উত্তরঃ
A স্তম্ভ
B স্তম্ভ
৪.১ অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস
(c) বিপাকীয় সমস্যাজনিত রোগ
৪.২ পতঙ্গ
(a) ট্র্যাকিয়া
৪.৩ পত্ররন্দ্র
(b) রক্ষীকোশ
(d) ফুলকাা
৫. একটি শব্দে বা একটি বাক্যে উত্তর দাও : ১ × ৩ = ৩
৫.১ ভাজক কলার একটি কাজ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ ভাজক কলার একটি কাজ : ভাজক কলা উদ্ভিদদেহে নতুন অঙ্গ সৃষ্টিতে সূত্রপাত ঘটায়।
৫.২ বিসদৃশ শব্দটি বেছে লেখো : পেপসিন, লাইপেজ, ট্রিপসিন, ইরেপসিন
উত্তরঃ বিসদৃশ শব্দটি হল – লাইপেজ
৫.৩ নীচে সম্পর্কযুক্ত একটি শব্দ জোড় দেওয়া আছে। প্রথম জোড়টির সম্পর্ক বুঝে দ্বিতীয় জোড়টির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাও :
নাইট্রোজেনযুক্ত রেচন পদার্থ : কুইনাইন : নাইট্রোজেনবিহীন রেচন পদার্থ :
উত্তরঃ রজন
৬. দুই-তিন বাক্যে উত্তর দাও : 2 × ৭ = ১৪
৬.১ “এই পর্বের প্রাণীদের দেহ আংটির মতো ছোটো ছোটো খণ্ডক নিয়ে গঠিত” –পর্বটির নাম ও একটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তরঃ পর্বটির নাম অ্যানিলিডা। অ্যানিলিডা পর্বের দুটি বৈশিষ্ট্য সীটা বা প্যারাপডিয়ার সাহায্যে চলাফের করে। নেফ্রিডিয়ার সাহায্যে রেচন কার্য চালায় যেমন- নেরিস, কেঁচো।
৬.২ এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকার দুটি কাজ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ এন্ডোপ্লাজমীয়় জালিকার দুটি কাজ হল-
১) সাইটোপ্লাজম এর কাঠামো গঠন করে কোষের আয়তন বৃদ্ধি
২) রাসায়নিক অনুর পরিবহন।
৬.৩ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে পরজীবীয় ও মিথোজীবীয় পুষ্টির দুটি পার্থক্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
পরজীবিয়পুষ্টি
মিথোজীবীয়পুষ্টি
পুষ্টির জন্য সজীব পোষকের ওপর নির্ভরশীল
পুষ্টির জন্য দুটি সহাবস্থানকারি বিভিন্ন জীব পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল
এরা পোষকের ক্ষতি করে নিজেরা উপকৃত হয় উদাহরণঃ স্বর্ণলতা কৃমি
এক্ষেত্রে উভয় জীব ই পরস্পরের দ্বারা উপকৃত হয়। কেউ কারো ক্ষতি করে না উদাহরণঃ লাইকেন
৬.৪ সৌরশক্তির আবদ্ধকরণ ও রুপান্তরে সালোকসংশ্লেষের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ সৌর শক্তির আবদ্ধকরণ ও রুপান্তরে সালোকসংশ্লেষের ভূমিকা হল
সূর্য হলো সকল শক্তির উৎস। একমাত্র সবুজ উদ্ভিদই পারে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে বিভিন্ন জৈবনিক কার্যে ব্যবহার করতে সালোকসংশ্লেষের সময় সবুজ উদ্ভিদ সৌরশক্তি কে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে ATP অনুর মধ্যে আবদ্ধ করে। পরে সেই শক্তি উৎপন্ন খাদ্যের মধ্যে স্থৈতিক শক্তিরূপে সঞ্চিত হয়। প্রাণীকুল সবুজ উদ্ভিদ থেকে খাদ্যের মাধ্যমে শক্তি সংগ্রহ করে অর্থাৎ গৃহীত খাদ্য মধ্যস্থ স্থৈতিক শক্তি প্রাণীদের দেহ কোষে খাদ্যের জারণ প্রক্রিয়ায় গতিশক্তি উৎপন্ন করে। এইভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সবুজ উদ্ভিদ পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকে শক্তির যোগান দেয়।
৬.৫ মুখবিবরে কীভাবে শর্করাজাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় তা বিশ্লেষণ করো।
উত্তরঃ মুখবিবরে শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাক হয় চর্বণ বা ম্যাস্টিকেশন পদ্ধতিতে।
পদ্ধতিটি হলো–মুখবিবরে খাদ্যবস্তু গৃহীত হলে খাদ্যকে ভালো করে চর্বণ করতে হয়, ফলে খাদ্য বস্তু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে পরিণত হয়। চর্বণকালে খাদ্যের সঙ্গে লালা মিশ্রিত হয়, লালারসে উপস্থিত উৎসেচকে টায়ালিন সেদ্ধ শ্বেতসারকে মলটোজে পরিণত করে। খাদ্যের কণা যত সূক্ষ্ম হবে ততই তার পরিপাক সহজ হবে অর্থাৎ উৎসেচকের সঙ্গে খাদ্যের বিক্রিয়া ঘটবে। এরপর চর্বিত ও লালা মিশ্রিত খাদ্য বস্তু গলাধঃকরণ হলে খাদ্য পৌষ্টিক নালির বিভিন্ন অংশে স্থানান্তরিত হয়।
৬.৬ কোশ থেকে কোশে পরিবহণে ব্যাপনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ কোশ থেকে কোশে পরিবহণে ব্যাপনের ভুমিকা-
(i) পরিবেশ থেকে বিভিন্ন গ্যাসের (O2 , CO2 ইত্যাদি) গ্রহণ এবং কলাকোশে এদের বিনিময় ব্যাপনের মাধ্যমে ঘটে
(ii) জল এবং জলে দ্রবীভূত সকল বস্তুই সজীব কোশে ব্যাপনের মাধ্যমে প্রবেশ করে
(iii) খাদ্যের সরল অংশ ব্যাপনের মাধ্যমে কোশে প্রবেশ করে এবং বিপাকে অংশ নেয়
(iv) বিপাকের ফলে উৎপন্ন রেচন পদার্থ ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কোশ থেকে নির্গত হয়়
৬.৭ একাইনোডার্মাটা পর্বের দুটি শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ একাইনোডার্মাটা পর্বের দুটি শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য হল-
সামুদ্রিক প্রাণীগুলির দেহের বহির্দেশ চুননির্মিত কাঁটা দ্বারা আবৃত থাকে।
(ii) দেহে জলসংবহনতন্ত্র থাকে।
৭. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো : ৫× ৩ = ১৫
৭.১ মানবদেহে যকৃতের অবস্থান ও দুটি ভূমিকা উল্লেখ করো। নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে জাইলেম ও ফ্লোয়েমের পার্থক্য নিরূপণ করো : ৩+২=৫
উত্তরঃ মানবদেহে যকৃতের অবস্থান- মানবদেহের সর্ববৃহৎ এই গ্রন্থিটি মধ্যচ্ছদার ঠিক নিচে উদরগহ্বর এর উপরের দিকে এবং ডান দিকে অবস্থিত।
মানবদেহে যকৃতের দুটি ভূমিকা :
1) পিত্ত নিঃসরণ করে ফ্যাট পরিপাকে সাহায্য করে।
2) বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবডি গঠন করে।
বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে জাইলেম ও ফ্লোয়েমেরপার্থক্য-
বৈশিষ্ট্য
জাইলেম
ফ্লোয়েম
উপাদান
মৃত ও সজীব কোষ উপাদান গুলি হল ট্রাকিড, ট্রাকিয়া, জাইলেম তন্তু (মৃত), প্যারেনকাইমা (সজীব)
মৃত ও সজীব কোষ উপাদান গুলি হল সিভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম উপাদান প্যারেনকাইমা (সজীব) এবং ফ্লোয়েম তন্তু (মৃত)
কাজ
মূল থেকে পাতায় জল ও খাদ্য সঞ্চয় করা, খাদ্য সঞ্চয় করা অঙ্গের দৃঢ়তা প্রদান করা।
তৈরি করা খাদ্য বস্তু কে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করা খাদ্য সঞ্চয় করা অঙ্গের দৃঢ়তা প্রদান করা।
৭.২ “উদ্ভিদের দেহে কোনো নির্দিষ্ট রেচন অঙ্গ থাকে না”- তাহলে উদ্ভিদ কীভাবে রেচন পদার্থ ত্যাগ করে বলে তোমার মনে হয়? রক্ততঞ্জন কীভাবে ঘটে ব্যাখ্যা করো। ৩+২ = ৫
উত্তরঃ উদ্ভিদের দেহে নির্দিষ্ট কোনো রেচন অঙ্গ থাকে না । উদ্ভিদেরা নিম্নলিখিত উপায় রেচন পদার্থ ত্যাগ করে পত্রমোচন : বিভিন্ন পর্ণমোচী উদ্ভিদ যেমন শিরীষ, আমরা, শিমুল, সজনে ইত্যাদির পাতা বছরের নির্দিষ্ট সময়ে তাদের ত্বকে সঞ্চিত রেচন পদার্থ ত্যাগ করে বাকল বা ছাল ত্যাগের মাধ্যমে।
ফল মোচন : তেতুল, আপেল, লেবু ইত্যাদি ফলে সঞ্চিত টারটারিক অ্যাসেটিক এর মত কিছু জৈব অ্যাসিড রেচন পদার্থ হিসেবে ত্যাগ করে মোচা এর তাদের ফল ঝরে পড়ার মাধ্যমে।
রক্ত তঞ্চন এর তিনটি পর্যায় :
প্রথম ধাপ : আঘাতপ্রাপ্ত স্থান থেকে এবং ফেঁটে যাওয়া অনুচক্রিকা থেকে থ্রম্বোপ্লাস্টিন নিঃসৃত হয়।
এই থ্রম্বোপ্লাস্টিন ক্যালসিয়াম আয়নের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রথ্রোমবিন নামক উৎসেচক গঠন করে।
দ্বিতীয় ধাপঃ প্রথ্রোম্বিনেজ উৎসচক হেপারিনের ক্রিয়া বিনষ্ট করে এবং প্রথ্রোমবিনকে থ্রম্বিনে পরিণত
করে। প্রথ্রোম্বিনকে ফ্যাক্টর এক্স বলা হয়।
তৃতীয় ধাপঃ থ্রোম্বিন ফাইব্রিনোজেন এর সঙ্গে মিলিত হয়ে ফাইব্রিন গঠন করে। ফাইব্রিন জালক রক্তকণিকা গুলো আটকে যায় এবং জেলির মত তঞ্চিত রক্ত বা ক্লট গঠন করে।
৭.৩ মানবদেহে মূত্র সৃষ্টিতে নেফ্রনের ভূমিকা আলোচনা করো। মানবদেহে লসিকার দুটি ভুমিকা উল্লেখ করো। ৩+২=৫
উত্তরঃ মানবদেহে মূত্র সৃষ্টিতে নেফ্রনের ভূমিকা; বিজ্ঞানী কুসনীর মত অনুযায়ী সাধারণত তিনটি পদ্ধতির মাধ্যমে মানবদেহে মূত্র সৃষ্টি হয়। পদ্ধতিগুলি হলো (i) পরাপরিস্রাবন (ii) পুনর্বিশোষণ ও (iii) ক্ষরণ পদ্ধতি
(i) পরাপরিভ্রাবন:- গ্লোমেরুলার রক্তচাপ ও রক্তের অভিস্রাবণ চাপের পার্থক্য বৃদ্ধিয় ধমনী থেকে জল,লবণ,শর্করা, ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড প্রভৃতিকে পরিস্রাবিত করে বাওম্যানস ক্যাপসুল বিবরে গ্লোমেরুলাসের পরিস্রাবক তরল হিসাবে জমা করে।
(ii) পুনর্বিশোষণ:- পরিস্রাবিত তরল বৃদ্ধিয় নালিপথে যাওয়ার সময় নালিগাত্রস্থ কোশ ওই তরল থেকে সম্ভাব্য পরিমাণ জলের সঙ্গে শর্করা, লবণ, অ্যামিনো অ্যাসিড ও কিছুটা ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড প্রভৃতি শোষণ করে দেহে ফিরিয়ে দেয়।
(iii) ক্ষরণপদ্ধতি:- বিজাতীয় বস্তু ও বিভিন্ন মৌলের আয়ন ক্ষরিত হয়ে নালিকাশিত তরলে মিশ্রিত হয়। এই তরলই প্রকৃতপক্ষে মুত্র। মূত্র সংগ্রাহক নালিকার মাধ্যমে গবিনীতে প্রবেশ করে ও পরিশেষে মূত্রথলিতে সবিত হয়।
লসিকার দুটি ভুমিকাঃ
i) কলারসের গঠন বজায় রাখে। কলারসে রক্ত থেকে আগত প্রোটিনের প্রধান অংশ লসিকা দ্বারা রক্তে ফিরে যায়, ফলে কলারসে প্রোটিনের ঘনত্ব বজায় থাকে
ii) লসিকায় অবস্থিত লিম্ফোসাইট কোশ কলাকোশে প্রবিষ্ট ব্যাকটেরিয়া বা অন্য অ্যান্টিজেন ধ্বংস করে।