জন্মদিন সম্পর্কে কিছু ইসলামিক তথ্য


 আমরা প্রায় সবাই মনে করি জন্মদিন পালন করা খ্রিস্টান বা ইহুদিদের উৎসব।কিন্তু ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখতে পাই আগের দিনের খ্রিস্টানরা জন্মদিন পালন করত না এবং এখনো অনেক খ্রিস্টান জন্মদিন পালন করেনা।কারন তারা জন্মদিনকে প্যাগানদের উৎসব মনে করে।

সর্বপ্রথম জন্মদিন পালন করে ছিল মিশরের রাজা ফারাও।খ্রিস্টানরা ফারাওকে পাপি মনে করত।এজন্য তারা জন্মদিন পালনকারিদেরো পাপি মনে করত।

আবার অন্য দিকে যদি দেখা যায় জন্মদিন এর উৎপত্তি কি ভাবে হয়েছে  তাহলে Ralph and Adelin Linton এর লেখা 'THE LORE OF BIRTHDAY'  বই এ বলা আছে "Originally the idea (of birthday greetings and wishes for happiness) was rooted in magic." অর্থ্যাৎ জাদুবিদ্যা থেকেই জন্মদিনের উৎপত্তি হয়েছে।

এছাড়া জন্মদিন পালন করতে গিয়ে যেসব কাজ গুলো করা হয় যেমনঃজন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো,কেক কাটা,মোমবাতি জ্বালানো,গিফট দেয়া ইত্যাদি এই সব গুলোর পিছনে রয়েছে কিছু কারন ও ইতিহাস।

#জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোঃমনে করা হয় যার জন্মদিন পালন করা হচ্ছে সেই দিন তার নিকট তার আত্মার আগমন ঘটে এবং কে তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে তা শোনে এবং কে তাকে কুমন্ত্রনা দিচ্ছে তা শোনে এবং সে অনুযায়ী তার ভাগ্য নির্ধারন করে।

#কেক কাটা এবং মোমবাতি জ্বলানোঃজন্মদিনের অনুষ্ঠানে মোমবাতি জ্বালানোর প্রচলন শুরু করে গ্রিকরা।গ্রিকরা প্রতি মাসের ছয় '৬'তারিখে তাদের দেবী  Artemis(চন্দ্র ও শিকারের দেবী) এর জন্মদিন উপলক্ষে গোলাকার কেক বানাত যা দেখতে পূর্ণিমার চাঁদের মত মনে হত এবং মন্দিরের বেদীতে মোমবাতি জ্বালাত যা দেখেলে  মনে হতো চাঁদ তার দীপ্তি ছড়াচ্ছে।আর গ্রিকরা মোমবাতি কে সৌভাগ্যের প্রতিক মনে করত।

#জন্মদিনে উপহার দেয়াঃঅশুভ আত্মা(Evil Spirit) থেকে আত্মরক্ষার জন্য  মূলত এটা দেয়া হয়ে থাকে(এটাকে এক ধরনের ত্যাগ বা বলি মনে করা হয়ে থাকে অশুভ আত্মা থেকে আত্মরক্ষার জন্য)।


উপরের এতগুলা লেখা পড়ার পরও  আমাদের মনে হতে পারে জন্মদিন হতে পারে প্যাগানদের উৎসব বা অন্য ধর্মের উৎসব কিন্তু আমরা তো আর তাদের অনুসরন করে বা তাদের ধর্ম বিশ্বাস থেকে  পালন করে করছি না।তাহলে তো কোনো বাধাই আসার কথা না তাহলে ইসলাম কেন বাধা দিচ্ছে?

হয়তো আমাদের বিশ্বাস তাদের সাথে মিলছে না কিন্তু কাজ তো মিলছে।বিশ্বনবী হযরত মুহম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যারা বিধর্মীদের মত উৎসব করবে, কিয়ামত দিবসে তাদের হাশর ঐ লোকদের সাথেই হবে।(৩)

আর জন্মদিন হচ্ছে বিধর্মিদের উৎসব মুসলমানদের নয়।আর ইসলামে বিজাতীয় উৎসব ও সাংস্কৃতি পালনে সম্পুর্ন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেছেন, যে ব্যাক্তি অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে , সে তাদের দলভুক্ত বলে গন্য হবে।(১)

মুসলমানদের জন্য অন্য ধর্মের লোকদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার ব্যপারে হযরত উমার রাঃ এক বর্ণনায় বলেন, তোমরা আল্লাহর দুশমনদের উৎসবগুলোতে অংশগ্রহন থেকে বেঁচে থাকো।(২)

তিনি আরো বর্ননা করেন,

এছাড়া উপরোক্ত কথা গুলো যদি আমরা মন দিয়ে পড়ি তাহলে দেখা যায় আমরা কত গুলো কবিরা গুনাহ করে ফেলেছি এমনকি শিরক পর্যন্ত চলে গেছে।

আমরা জন্মদিনের মাধ্যমে শুভ আর অশুভ নির্নয় করছি  যেখানে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ছাড়া অদৃশ্যের জ্ঞান কেউ রাখে না।

‘‘অতঃপর যখন তাদের শুভদিন ফিরে আসতো, তখন তারা বলতো এটা তো আমাদের প্রাপ্য। আর যদি তাদের নিকট অকল্যাণ এসে উপস্থিত হতো, তখন তা মূসা এবং তার সঙ্গীদের অশুভ কারণরূপে মনে করতো। শুনে রাখো! তাদের অকল্যাণ তো আল্লাহ্‌র কাছেই। কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোকই অজ্ঞ’’।(৪)

আল্লাহ  আরো বলেন‘হে নবী আপনি বলুন! আল্লাহ ব্যতীত নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের কেউ গায়েবের খবর জানে না।’(৫)

এছাড়াও হাদিসে এসেছে 

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো গণক বা জ্যোতিষীর কাছে এলো, অতঃপর তাকে সত্যায়ন করল, সে মুহাম্মাদের ওপর অবতীর্ণ বস্তুর ওপর কুফরি করল।(৬)

'হজরত সাফিয়া বিনতে আবু উবাইদ (রা.) নবীজীর জনৈক স্ত্রী থেকে বর্ণনা করে বলেন, নবীজী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো গণক ও জ্যোতিষীর কাছে যায় এবং তাকে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করে তার চল্লিশ দিনের নামাজ কবুল হয় না।’(৭)

এছাড়া এই সব অনুষ্ঠান গুলোর মাধ্যমে আল্লাহ কে ভুলে থাকা,অশ্লীলতা ছড়ানো,অপচয় করা ইত্যাদি হয়ে থাকে যা মুসলমানদের সাথে একেবারেই যায় না।

আমরা এইসব বিজাতীয় আত্মকেন্দ্রিক উৎসব পালন না করে আল্লাহর ইবাদতে দিনটি কাটাতে পারি।আমরা ভাবতেই ভুলে যাই আবারো একটি বছর আমার  মাঝ থেকে চলে গেছে,মৃত্যু আমার সন্যিকটে।

#রেফারেন্স


(১)সূনানে আবূ দাঊদঃ৪০৩১

(২)আসসুনানুল কুবরাঃ১৮৮৬২

(৩)আসসুনানুল কুবরাঃ১৫৫৬৩

(৪)সূরা আরাফঃ৩১

(৫)সূরা নামলঃ৬৫

(৬)মুসনাদে আহমদঃ৯৫৩৬

(৭)মুসলিমঃ২২৩০


আমি কোনো লেখক নই,কিছু তথ্য কালেক্ট করে একটু অগোছালো লেখার চেষ্টা।

মোঃ আতিকুল ইসলাম হামিম

জন্মদিন উপলক্ষে কাউকে উপদেশ মূলক মেসেজ দেয়ার বিধান কি?

-------------------

প্রশ্ন: জন্মদিন পালন জায়েজ নয় তা জানি। এক্ষেত্রে কাউকে মেসেজে উইশ নয় (happy birth day),কিন্তু remind মূলক মেসেজ দেয়া কি অনুচিত হবে? (no birth day wish or celebration but remember that u have some responsibility as a muslim.......like this)?


উত্তর:

জন্ম দিবস পালন করা অমুসলিমদের কালচার। মুসলিমগণ অমুসলিমদের ধর্মীয় বা কালচারের বিষয় থেকে বিরত থাকবে-এটাই ইসলামের নির্দেশ। 

সুতরাং জন্মের দিনকে উপলক্ষে করে বিশেষ কিছু করা ঠিক নয়। আপনি যদি তাকে উপদেশ মূলক কোন বার্তা দিতে চান তাহলে তা বছরের যে কোন সময় করা যাবে। এক জন মুসলিম আরেকজনকে উপদেশ দিবে, তার কল্যাণ কামনা করবে, তাকে ভালবাসবে, তার জন্য দুয়া করবে, তাকে উপহার দিবে...এগুলো তো ইসলামের শিক্ষা। এ জন্য কারও জন্ম দিবসকে নির্দিষ্ট করা ঠিক নয়। বরং যে কোন দিন যে কোন সময় তা করা যায়। 

মোটকথা, এমন কিছু করা ঠিক নয়, যা মানুষকে পাশ্চাত্যের কালচারের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে। আল্লাহ তাওফিক দানকারী।


উত্তর প্রদানে:

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

Abdullahil Hadi

জুবাইল, সৌদি আরব


       আলহামদুলিল্লাহ এতো সুন্দর উত্তর দেওয়ার জন্য শুকরিয়া আদায় করছি .......... আমিন

কিভাবে ইস্তেগফার করবেন?❓ ইস্তেগফার করার বা ক্ষমা চাওয়ার দোয়া সমূহ। সব চেয়ে ছোট ইস্তেগফার হলো :


 কিভাবে ইস্তেগফার করবেন?❓

ইস্তেগফার করার বা ক্ষমা চাওয়ার দোয়া সমূহ।

সব চেয়ে ছোট ইস্তেগফার হলো :


▪️*দোয়া-১:

উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হ।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়া ৩ বার পড়তেন। [মিশকাত-৯৬১]

এছাড়াও সারাক্ষণ টয়লেট বাথরুম ছাড়া এই ইস্তেগফার টি পড়ে জিহবা ভিজিয়ে রাখুন এর ফজিলত অনেক বেশি।


▪️*দোয়া-২:

উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তাওবা ও ইসতিগফার করতেন। [বুখারী-৬৩০৭]


*দোয়া-৩: 

উচ্চারণঃ আস্‌তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যূম ওয়া আতূবু ইলায়হি।


অনুবাদঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি।

এই দোয়া পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন-যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী হয়। [আবু দাউদ-১৫১৭, তিরমিযী-৩৫৭৭, মিশকাত-২৩৫৩]


▪️*দোয়া-৪:

উচ্চারণঃ রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’।

অনুবাদঃ হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এই দোয়া ১০০ বার পড়েছেন।

[আবূ দাঊদ-১৫১৬, ইবনু মাজাহ-৩৮১৪, তিরমিযী-৩৪৩৪, মিশকাত-২৩৫৩]


▪️*দোয়া-৫: (সাইয়েদুল ইস্তিগফার-বা আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দুআ:

সায়্যিদুল ইস্তেগফার সব চেয়ে শ্রেষ্ট ইস্তেগফার। এবং এটি সকাল সন্ধ্যার জিকির।

উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ'বদুকা ওয়া আনা আ'লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ'উযুবিকা মিন শার্রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি'মাতিকা আ'লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা

অনুবাদঃ হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।

এই দোয়া সকালে পড়ে রাতের আগে মারা গেলে অথবা রাতে পড়ে সকালের আগে মারা গেলে সে জান্নাতে যাবে। [বুখারী-৬৩০৬]


◾এই দোয়াগুলো পড়ার মাধ্যমে আমরা ইস্তেগফার করার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ! তবে সব চেয়ে উত্তম হলো সায়্যিদুল ইস্তেগফার।


◾মহান আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি তওবা ও ইস্তেগফার করার তৌফিক দান করুন। 

জাজাকাল্লাহ খাইরান।

একটি_শিক্ষামূলক_পোস্ট


 _______ #একটি_শিক্ষামূলক_পোস্ট,_______


#শালী মারা যাওয়ার পর লাশের

চারপাশে মহিলারা

কুরআন তেলোয়াত করতেছে । এমন সময়

তার দুলাভাই এসে দাবি করল, "আমি

আমার

শালীকে শেষ গোসলটা করাইতে

চাই!!"

এই কথা শুনে আশেপাশের মানুষ

হামলে

পড়ল,

তারা দুলাভাইকে বুঝিয়ে দিল,

ফতোয়া

কত প্রকার কি

কি... একজন তো হেব্বি গরম হয়ে

বলেই

ফেলল, "মরার পরে শালীকার মুখ

দেখাও

নাজায়েয, আর তুই গোসল করাইতে

চাস

মানে?"

এইবার দুলাভাই বলা শুরু করল, আমার

শালীকা যখন

জীবিত ছিলো, তখন কতবার হাত

চেপে

ধরছে

৫০০ টাকার জন্য, গলা জড়িয়ে ধরছে

মেলায় যাওয়ার

জন্য, আমার মটর সাইকেলের পিছনে

উঠার

জন্য

কত কি যে করেছে! তখন সবই জায়েজ

ছিলো, আর মরার সাথে সাথে মুখ

দেখাও

নাজায়েজ হয়ে গেল? এতদিন

কোথায় ছিল

আপনাদের ফতোয়া??

তখন একজন বুঝিয়ে দিল, মৃত অবস্থার

তুলনায়

জীবিত থাকা অবস্থাতেই

দুলাভাইয়ের

সামনে

পর্দা মেইনটেইন করা অনেক বেশি

জরুরী

ছিল । দুনিয়াতে জীবিত থাকা

অবস্থায়

তার জন্য

পর্দা করা ফরজ ছিল। কিন্তু আজ যদি

আপনি তার

কাফনের ৫ টুকরা কাপড়ের উপরে

আরও ৬

টুকরা

এক্সট্রা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেন,

তাতে

কোনো লাভ হবেনা ।

আর মরা মানুষকে কুরআন তেলোয়াত

শুনিয়ে

লাভ কি? জীবিত থাকতে কেউ যদি

কুরআন

মেনে চলতে না পারে, তাহলে

মরার পরে

কুরআনকে তাবিজ বানিয়ে তার

কবরে

পাঠিয়ে

দিলেও বিন্দু পরিমাণ লাভ হবে

না।

কোরআন মরা

মানুষের জন্য নাযিল হয় নাই।

কোরআন

নাযিল

হয়েছে আমরা যারা জীবিত আছি

তাদের

হেদায়াতের জন্য।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে

সঠিকভাবে

দ্বীন

বুঝার তৌফিক দান করুন।


      ................. আমিন

মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনি একটু পড়েই দেখুন না🙏 জাযাকাল্লাহ।❤️


 মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনি

একটু পড়েই দেখুন না🙏 জাযাকাল্লাহ।❤️


পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -


"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"


يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي


তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,


يَغْسِلُونَني


আমাকে গোসল করাবে,


يَكْفِنُونَنِي


(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,


يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي


আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,


يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)


আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,


وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي


আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,


بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي


অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,


وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ


কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,


أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا


আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,


مَفَاتِيحِي


আমার চাবির গোছাগূলো,


كِتَابِي


আমার বইপত্র,


حَقِيبَتِي


আমার ব্যাগ,


أَحْذِيَتِي


আমার ‍জুতোগুলো,


وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي


হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,


تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ


এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,


وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ


এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,


وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ


অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,


وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها


আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,


وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ


আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,


بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها


অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,


القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......


ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)


وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!


আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!


لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟


কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?


وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....


কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,


وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!


যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,


وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!


তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!


وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!


আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!


لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....


এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,


فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....


এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…


فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:


অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,


1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ


১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,


2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....


২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,


3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!


৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!


اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....


মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,


لَقدْ زَالَ عِندَكَ:


তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):


1ــ الجَمَالُ


১. সৌন্দর্য্য


2ــ والمَالُ


২. ধনসম্পদ


3ــ والصَحَّةُ


৩. সুস্বাস্থ্য


4ــ والوَلَدُ


৪. সন্তান-সন্তদি


5ــ فَارقَت الدَّور


৫. বসতবাড়ি


6ــ القُصُورُ


৬. প্রাসাদসমূহ


7ــ الزَوجُ


৭. জীবনসঙ্গী


وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ


তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,


وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ


শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,


وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟


আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?


هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ


*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*


لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :


এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,


1ــ الفَرَائِضِ


১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি


2ــ النَّوَافِلِ


২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি


3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ


৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি


4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ


৪. ভালো কাজের প্রতি


5ــ صَلاةُ اللَّيلِ


৫. রাতের নামাজের প্রতি


لَعَلَّكَ تَنْجُو....


যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….


إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....


এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,


قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))


আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))


لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....


তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?


كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))


আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))


ولَمْ يَقُلْ :


তারা বলবে না,


لِأعتَمَرَ


উমরাহ পালন করতাম,


أو لِأُصَلَّي


অথবা, সালাত আদায় করতাম,


أو لِأصُومُ


অথবা, রোজা রাখতাম,


قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ


আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,


فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.


আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।! 


আমি হিন্দু থেকে মুসলমান হলাম কেন ?


 আমি হিন্দু থেকে মুসলমান হলাম কেন ?


হিন্দু ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন

না। আমি just জানতে চাই

যদি পারেন উত্তর দিবেন...


★ শিব ৬০,০০০ বিবাহ করেছিল সে

মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয় কেন ?


একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায়

তার স্ত্রীর দুধ দিয়ে শিবের গোপন অঙ্গ

ধৌত করে। এটা কি কোন সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য ? 

এমন কুরুচি পূর্ন আদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে

পারেন ?


★শিব তার নিজের ছেলে গনেশকে

চিনতে পারেনি কেন ?


চিনতে না পারার জন্য ছেলের

গর্দান কেটে ফেলেছিলেন।

তাহলে তিনি তার সৃষ্টিকে কি করে

চিনবেন ? ভুলে যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার

বৈশিষ্ট্য ?


★দেবদাসীর ও যোগিনীর মত

পতিতা চরিত্রের সাথে ভগবান ও ব্রাহ্মনগন কি অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন, যদি তারা প্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে থাকেন ? 


★অশ্লীল ভঙ্গিমায় উলঙ্গ নারী ,,,

মুখে দাতেঁ রক্ত ও হাতে রক্তাক্ত তলোয়ার.!

কি করে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে ? 

উদাহরন- দূর্গা.


★কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা হয়। তবে

সে কেন তার মামীর সাথে

অবৈধ সম্পর্ক রাখলো...? তবে কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তাদের নিজেদের আইনের

বর্হিভূত ? 


★কিভাবে রাম সৃষ্টিকর্তা হতে

পারে.... সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুমিয়েছে,

অনেক বিয়ে করেছে দৈহিক তারনায়।

রাম নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে.!

এসব কি সৃষ্টিকতার কর্ম হতে পারে ? 


★যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন তবে কেন

তিনি হনুমানের সাহায্য চাইবেন  ? 

তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি

আছে ? 


★ রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন

অকারনে খুন করলেন ? 

যেখানে রামের সাথে তাদের কোন

শত্রুতা ছিল না। সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব ? 


★রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে

লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে...

তবে রাম সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো ? 

তাও আবার হনুমানের সাহায্যে।

শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কি

করে বেশি হওয়া সম্ভব ? 


★কৃষ্ণা একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কি

ভাবে নারীদের স্নানরত দৃশ্য উপভোগ করেন ? 

ও তাদের পোষাক লুকিয়ে রেখে

দেন ? 


★ গরু হিন্দুদের মা, গরুর পেট থেকে

তো গরুর_বাচ্চা হয়.! কিন্তু

মানুষের বাচ্চা তো হয় না ? 

তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয় ? 


★আপনি যাকে বানিয়েছেন সে

বড় নাকি আপনাকে

যে বানিয়েছে সে বড় ? 

উদাহরনঃ

মুর্তি

 


একটু বিবেক দিয়ে চিন্তা করুন কে বড়!

যদি জানা থাকে

জানাবেন কিন্ত... 

আমি কিন্তু ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করিনি! 

আগেও বলেছি just জানতে চাইছি


ভাইরে এক বার শান্তির ধর্মের মধ্যে

ডুকে দেখ আর পিছনে ফিরতে ইচ্ছা হবে না।


আল্লাহ সবাই কে হেদায়ত দান করেন 

( আমিন)

একটা মানবিক আবেদন...


 একটা মানবিক আবেদন...


আপনারা যারা আম, লিচু, কাঠাল, জাম খাবেন,

খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে একটি কাগজে মুড়ে রেখে দিন।

যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছিটিয়ে দিন। আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নিবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছও বেচেঁ থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার।

ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজ রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে। 

যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়।।


তাছাড়া ও এই গাছ হতে যাঁরা ফল খাবে বা ব্যাবহার করবে আপনার জন্য থাকবে নেকি ও সওয়াব ইন শা আল্লাহ🌹🌹