আজকে আমরা নবম শ্রেণীর ভৌত বিজ্ঞান মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট ১ এর প্রশ্ন উত্তর নিয়রে আলোচনা করব ।
1. ডাইন ও নিউটন এর মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করো।
উত্তর:
নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্র থেকে আমরা বল পরিমাপের সমীকরণ পেয়েছিলাম।
এখন সেই সমীকরণ ব্যবহার করেই নিউটন (কিলোগ্রাম.মিটার/সেকেন্ড2 ) ও ডাইন (গ্রাম.সেন্টিমিটার/সেকেন্ড2 ) এর মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয়় করব।
P=ma অর্থাৎ বল= ভর × ত্বরণ
তার আগে জেনে নিই নিউটন এর সংজ্ঞা:
1 কিলোগ্রাম ভরের কোন বস্তুর উপর যে পরিমাণ বল প্রয়োগ করলে বস্তুটিতে বলের অভিমুখে এক মিটার/সেকেন্ড2 ত্বরণ সৃষ্টি হবে সেই পরিমাণ বলকেই এক নিউটন বল বলা হয়।
আবার ডাইন এর সংজ্ঞা:
1 গ্রাম ভরের কোন বস্তুর উপর যে পরিমাণ বল প্রয়োগ করলে বস্তুটিতে বলের অভিমুখে 1 সেন্টিমিটার/সেকেন্ড2 ত্বরণ সৃষ্টি হবে সেই পরিমাণ বলকেই এক ডাইন বল বলা হয়।
1 গ্রাম ভরের কোন বস্তুর উপর যে পরিমাণ বল প্রয়োগ করলে বস্তুটিতে বলের অভিমুখে 1 সেন্টিমিটার/সেকেন্ড2 ত্বরণ সৃষ্টি হবে সেই পরিমাণ বলকেই এক ডাইন বল বলা হয়।
এখন বলের সংজ্ঞা অনুযায়ী,
1 নিউটন
= 1 কিলোগ্রাম × 1 মিটার / সেকেন্ড2
= 1000 গ্রাম × 100 সেন্টিমিটার / সেকেন্ড2
= 100000 × 1 গ্রাম. সেন্টিমিটার / সেকেন্ড2
= 100000 ডাইন = 10^5 বা 1 লক্ষ ডাইন।
2. একটি নিস্তড়িৎ পরমাণুর K কক্ষে এটি, L কক্ষে ৪টি ও M কক্ষে 2টি ইলেকট্রন আছে। মৌলটির পরমাণু ক্রমাঙ্ক কত ? মৌলের পরমাণুর M কক্ষের ইলেকট্রন দুটি সরিয়ে নিলে যে আয়ন তৈরি হবে তার সংকেত লেখাে।
উত্তর:
কোন মৌলের পরমাণু ক্রমাঙ্ক বলতে সেই মৌলের পরমাণুতে মোট কতগুলি প্রোটন আছে সেই সংখ্যাকে বোঝায়। পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা ও ইলেকট্রন সংখ্যা সমান হয়। তাই এই ক্ষেত্রে মোট ইলেকট্রন সংখ্যাই হবে মৌলটির পরমাণু ক্রমাঙ্ক।
মৌলটির পরমাণু ক্রমাঙ্ক = ( 2+8+2) = 12
12 পরমাণু ক্রমাঙ্ক বিশিষ্ট মৌলটি হল আসলে ম্যাগনেসিয়াম (Mg)

🔶 মৌলটির শেষ কক্ষ অর্থাৎ M কক্ষ থেকে দুটি ইলেকট্রন সরিয়ে নিলে মৌলটি একটি ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়ন এ পরিণত হবে। ক্যাটায়ন টির সংকেত হবে Mg2+
3. একটি মাপনী চোঙ এর সাহায্যে কিভাবে এক ফোঁটা জলের আপাত আয়তন নির্ণয় করবে।
ক্ষুদ্র আয়তন মাপা যাবে এমন একটি মাপনী চোঙ নিতে হবে। সুবিধার জন্য 10 থেকে 20 ml তরল মাপা যাবে এমন একটি ক্ষুদ্র মাপনি চোঙ নাও।এবার একটি ড্রপার কিংবা বিন্দু আকারে ফেলা যাবে এমন একটি জলভর্তি পাত্র থেকে ফোটা ফোটা আকারে ওই মাপনী চোঙ এর ভিতর জল ফেলতে থাকো। প্রত্যেক ফোটা- ই গুণে রাখতে হবে। যখন মাপনী চোঙ এর মোট v ml জল হয়ে যাবে তখন ফোটা আকারে জল ফেলা বন্ধ করে দাও এবং মোট কত ফোটা জল ওই চোঙের মধ্যে আছে তা খাতায় নোট করো।
2. একটি নিস্তড়িৎ পরমাণুর K কক্ষে এটি, L কক্ষে ৪টি ও M কক্ষে 2টি ইলেকট্রন আছে। মৌলটির পরমাণু ক্রমাঙ্ক কত ? মৌলের পরমাণুর M কক্ষের ইলেকট্রন দুটি সরিয়ে নিলে যে আয়ন তৈরি হবে তার সংকেত লেখাে।
উত্তর:
কোন মৌলের পরমাণু ক্রমাঙ্ক বলতে সেই মৌলের পরমাণুতে মোট কতগুলি প্রোটন আছে সেই সংখ্যাকে বোঝায়। পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা ও ইলেকট্রন সংখ্যা সমান হয়। তাই এই ক্ষেত্রে মোট ইলেকট্রন সংখ্যাই হবে মৌলটির পরমাণু ক্রমাঙ্ক।
মৌলটির পরমাণু ক্রমাঙ্ক = ( 2+8+2) = 12
12 পরমাণু ক্রমাঙ্ক বিশিষ্ট মৌলটি হল আসলে ম্যাগনেসিয়াম (Mg)

🔶 মৌলটির শেষ কক্ষ অর্থাৎ M কক্ষ থেকে দুটি ইলেকট্রন সরিয়ে নিলে মৌলটি একটি ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়ন এ পরিণত হবে। ক্যাটায়ন টির সংকেত হবে Mg2+
3. একটি মাপনী চোঙ এর সাহায্যে কিভাবে এক ফোঁটা জলের আপাত আয়তন নির্ণয় করবে।
ক্ষুদ্র আয়তন মাপা যাবে এমন একটি মাপনী চোঙ নিতে হবে। সুবিধার জন্য 10 থেকে 20 ml তরল মাপা যাবে এমন একটি ক্ষুদ্র মাপনি চোঙ নাও।এবার একটি ড্রপার কিংবা বিন্দু আকারে ফেলা যাবে এমন একটি জলভর্তি পাত্র থেকে ফোটা ফোটা আকারে ওই মাপনী চোঙ এর ভিতর জল ফেলতে থাকো। প্রত্যেক ফোটা- ই গুণে রাখতে হবে। যখন মাপনী চোঙ এর মোট v ml জল হয়ে যাবে তখন ফোটা আকারে জল ফেলা বন্ধ করে দাও এবং মোট কত ফোটা জল ওই চোঙের মধ্যে আছে তা খাতায় নোট করো।
এবার চোঙের ভিতরে উপস্থিত জলের আয়তন কে ফোঁটা সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে প্রত্যেক ফোঁটা জলের আয়তন পাওয়া যাবে। ধরি n ফোটা জল ফেলা হয়েছে।
এক্ষেত্রে প্রত্যেক ফোঁটা জলের আয়তন = v/n ml
সুবিধার জন্য 10ml বা তার বেশি জল ও তুমি নিতে পারো। যত বেশি পরিমাণ জল নেবে তাতে ত্রুটির পরিমাণ ততই কম হবে।
4. রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের ত্রুটিগুলি লেখাে।।
রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা
5. একটি খেলনা গাড়ি 20 cm/s বেগে চলছিল।1 মিটার দূরত্ব যাবার পরে ওই গাড়ির বেগ দাঁড়ালাে 50 cm/s2 । গাড়ির ত্বরণ নির্ণয় করাে।
v2=u2+2as
বা 2as= v2-u2
বা a = (v2-u2)÷2s
বা a =( 50×50 - 20×20) ÷ (2×100) cm/s2
বা a= ( 2500 - 400 ) ÷ 200 cm/s2
বা 2100 ÷ 200 cm/s2
= 10.5 cm/s2
সুবিধার জন্য 10ml বা তার বেশি জল ও তুমি নিতে পারো। যত বেশি পরিমাণ জল নেবে তাতে ত্রুটির পরিমাণ ততই কম হবে।
4. রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের ত্রুটিগুলি লেখাে।।
রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা
- এই মডেল ইলেকট্রনের কক্ষপথের আকার(ব্যাসার্ধ) ও আকৃতি সম্বন্ধে কোনো ধারণা দিতে পারেনি।
- সৌরজগতের সূর্য ও গ্রহগুলোর সামগ্রিকভাবে কোনো আধান বা চার্জ নেই কিন্তু পরমাণুতে ইলেকট্রন এবং নিউক্লিয়াসের আধান বা চার্জ আছে।কাজেই চার্জহীন সূর্য এবং গ্রহগুলোর সাথে চার্জযুক্ত নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের তুলনা করা হয়েছে।কাজেই চার্জহীন বস্তুর সাথে চার্জযুক্ত বস্তুর তুলনা করা সঠিক নয়।
- একের অধিক ইলেকট্রন বিশিষ্ট পরমাণুতে ইলেকট্রনগুলো কীভাবে নিউক্লিয়াসের চারদিকে পরিভ্রমন করবে তার কোনো ধারনা এ মডেলে দেওয়া হয়নি।
- ম্যাক্সওয়েল তত্ত্বানুসারে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণনের সময় ক্রমাগত শক্তি হারাতে থাকবে ফলে ইলেকট্রনের ঘূর্ণন পথও ছোট হতে থাকবে এবং এক সময় সেটি নিউক্লিয়াসের উপর পতিত হবে।অর্থাৎ পরমাণুর অসিত্ব বিলুপ্ত হবে বা পরমানু স্থায়ী হবেনা।কিন্তু প্রকৃতিতে সেটা ঘটেনা অর্থাৎ ম্যাকচুয়েলের তত্ত্বানুসারে রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল সঠিক নয়।
5. একটি খেলনা গাড়ি 20 cm/s বেগে চলছিল।1 মিটার দূরত্ব যাবার পরে ওই গাড়ির বেগ দাঁড়ালাে 50 cm/s2 । গাড়ির ত্বরণ নির্ণয় করাে।
v2=u2+2as
বা 2as= v2-u2
বা a = (v2-u2)÷2s
বা a =( 50×50 - 20×20) ÷ (2×100) cm/s2
বা a= ( 2500 - 400 ) ÷ 200 cm/s2
বা 2100 ÷ 200 cm/s2
= 10.5 cm/s2

No comments:
Post a Comment