ষষ্ঠ শ্রেণির মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক বাংলা part 4('ভবঘুরে 'কবিতায় শুকনো খড়ের আঁটি রয়েছে ?)


 আজকে আমরা ষষ্ঠ শ্রেণীর বাংলা মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট ৪ এর প্রশ্ন উত্তর নিয়ে আলোচনা করব ।


১. ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো:

১.১ ভবঘুরে কবিতায় শুকনো খড়ের আঁটি রয়েছে -

উত্তর : (ঘ) নৌকোর খোলে 


১.২ 'তাকে আসতে বলবে কাল।' - আসতে বলা হয়েছে

 

উত্তর : (খ) অভিমুন্য সেনাপতি কে 


১.৩ 'আকাশে নয়ন তুলি' দাঁড়িয়ে রয়েছে 


উত্তর : (ঘ)পাইন গাছ 


১.৪ 'যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা 


উত্তর :(গ) শক্তি চট্টোপাধ্যায় 


১.৫ পূর্ববঙ্গের মুহূর্তের ভাষায় 'মাইল' শব্দের অর্থ 


উত্তর : (খ) সাবধান

২. খুব সংক্ষেপে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

২.১ 'ওতো পথিক জনের ছাতা ' - পথিক জনের ছাতা কোনটি ?


উত্তর : উদ্ধৃত অংশটি কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী রচিত 'ভর দুপুরে 'কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে ।

∆পথিক জনের ছাতা বলতে অশথ গাছটিকে বোঝানো হয়েছে ।

2.2 'এখানে বাতাস এর ভেতর সবসময় ভিজে জলের ঝাপটা থাকে ।' -কেন এমনটি হয় ?


উত্তর : উদ্ধৃত অংশটি লেখক শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত 'শংকর সেনাপতি' গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। 

∆এখানে বাতাসের ভেতর সব সময় ভিজে জলের ঝাপটা থাকে কারণ পাঁচ-সাত মাইলের মধ্যে রয়েছে বঙ্গোপসাগর এবং বাতাসে তার ঢেউয়ের গুড়ো সব সময় করে আসছে তাই এমনটি হয় ।

২.৩ 'মন ভালো করা' কবিতায় কবি রোদ্দুরকে কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন ?


উত্তর : 'মন ভালো করা 'কবিতায় কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় রোদ্দুরকে মাছরাঙার গায়ের রঙের এর সঙ্গে তুলনা করেছেন ।

২.৪ 'আমি কথা দিয়ে এসেছি ' - কথক কোন কথা দিয়ে এসেছেন ?


উত্তর : উদ্ধৃত অংশটি কবি অরুণ মিত্র রচিত 'ঘাস ফড়িং 'কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে ।

∆কবি সবুজ ঘাস গুলোকে কোথা দিয়ে এসেছেন যে তিনি আবার ভেজা ঘাসের উপর দিয়েই ফিরবেন ।

৩. নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখ :

৩.১ 'দাঁড়িয়ে রয়েছে পাম গাছ মরুতটে ।' - কে এমন স্বপ্ন দেখে ? কেন সে এমন স্বপ্ন দেখে ?


উত্তর : উদ্ধৃত অংশটি কবি হাইনরিখ হাইনে রচিত 'পাইন দাঁড়িয়ে আকাশে নয়ন তুলি' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে ।

∆উত্তরে নগ্ন পাহাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পাইন গাছটি মরুতটে দাঁড়িয়ে থাকা পামগাছটির স্বপ্ন দেখে ।

∆পাইন গাছ যেখানে থাকে তার সেখানে ভালো লাগেনা, তার ভালো লাগে দূরের কিছু কে । পাহাড়ের ওপরে বরফের অতিরিক্ত ঠান্ডা পাইন গাছের দুঃখ যন্ত্রণার কারণ । তার কাছে গরমের জায়গা স্বপ্ন দেখার বিষয় । অর্থাৎ ঠান্ডা থেকে তার কাছে গরমের জায়গা প্রত্যাশিত । সেই জন্যেই বরফের দেশের পাইন গাছ মরভূমি দেশের পাম গাছের স্বপ্ন দেখে ।

৩.২ 'তাই তারা স্বভাবতি নীরব ।' - কাদের কথা বলা হয়েছে ? তারা নীরব কেন ?


উত্তর : উদ্ধৃত অংশটি সুবিনয় রায়চৌধুরী রচিত 'পশু পাখির ভাষা 'প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে ।

∆এখানে বন্যপ্রাণীদের নীরব থাকার কথা বলা হয়েছে ।

∆ ক্যাস্টাং সাহেব প্রায় চল্লিশ বছর বন্য জন্তুদের সঙ্গে থেকেছেন । খাঁচার এবং জঙ্গলের, - অর্থাৎ অস্মা এবং বুনো এই দুই অবস্থায় জন্তুদের সঙ্গে তার আলাপ-পরিচয় এর নানা সুযোগ ঘটেছে । পোষা জন্তুরা নাকি জঙ্গলের জন্তুদের থেকে অনেক বেশি চেঁচামেচি করে । জঙ্গলের পশু কে সর্বদাই প্রাণ বাঁচিয়ে চলতে হয় , তাই তারা স্বভাবতই নীরব ।

৩.৩' এরা বাসা তৈরি করবার জন্য উপযুক্ত স্থান খুঁজতে বের হয় ।' - উপযুক্ত স্থান খুঁজে নেওয়ার কৌশল টি 'কুমোরে-পোকার বাসাবাড়ি ' রচনাংশ অনুসারে লেখো ।


উত্তর :  উদ্ধৃত অংশটি লেখক গোপাল চন্দ্র ভট্টাচার্য রচিত 'কুমোরে-পোকার বাসাবাড়ি' গল্প থেকে সংগৃহীত হয়েছে ।

∆কুমোরে পোকা ডিম পাড়ার সময় হলেই বাসার তৈরি করবার জন্য উপযুক্ত স্থান খুঁজতে বের হয় । দুই- চার দিন ঘুরে ফিরে মন মত কোন স্থান দেখতে পেলে তার আশেপাশে বারবার ঘুরে বিশেষভাবে পরীক্ষা করে দেখে । তারপর খানিক দূর উড়ে গিয়ে আবার ফিরে আসে , এবং স্থানটাকে বারবার দেখে নেয়। দু'তিনবার এইরকম ভাবে এদিক ওদিক করে অবশেষে কাদামাটির সন্ধানে বের হয় ।

৪. নির্দেশ অনুসারে উত্তর দাও :

৪.১ বিসর্গ সন্ধি তে বিসর্গ রূপান্তরিত হয়ে 'র'হচ্ছে -এমন দুটি উদাহরণ দাও ?


উত্তর : পুনঃ + অপি = পুনরপি

অহঃ + অহঃ = অহরহঃ

স্বঃ + গত = স্বর্গত ।

৪.২ বিসর্গ সন্ধি কে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে আগের স্বরধ্বনিকে দীর্ঘ করেছে - এমন দুটি উদাহরণ দাও ।


উত্তর : নিঃ+ রব = নীরব

চক্ষঃ + রত্ন = চক্ষুরত্ন ।

৪.৩ উদাহরণ দাও - জোড় বাঁধা সাধিত শব্দ , শব্দ খন্ড বা শব্দাংশ জুড়ে সাধিত শব্দ ।


উত্তর : জোঁড় বাঁধা সাধিত শব্দ - সিংহাসন

শব্দ খন্ড বা শব্দাংশ জুড়ে সাধিত শব্দ - ক্ষুদ্রতম ।

৪.৪ সংখ্যাবাচক ও পূরণবাচক শব্দের পার্থক্য কোথায় ?


উত্তর : সংখ্যাবাচক -(।) যে বিশেষণ পদ গুলি মূলত বিশেষ্য পদের সংখ্যা বোঝায় তাদের সংখ্যাবাচক শব্দ বলে। 

যেমন -  পাঁচটি কলম

(।।) সংখ্যাবাচক শব্দ বিশেষ্যের সংখ্যা প্রকাশ করে ।

(।।।) সংখ্যাবাচক শব্দের সাংখ্যমান সংখ্যাটি সমান হয় ।


পূরণবাচক -(।) যে বিশেষন গুলি কোন বিশেষ্যের সংখ্যাগত ক্রমিক অবস্থান প্রকাশ করে তাদেরকেই পূরণবাচক শব্দ বলে । 

যেমন - পয়লা বৈশাখ

(।।) পূরণবাচক শব্দ শুধুমাত্র সংখ্যাগত ক্রমিক অবস্থান প্রকাশ করে । 

(।।।) পূরণবাচক শব্দের সাংখ্যমান সব সময় এক হয় অর্থাৎ 'দশম ছাত্র 'বললে দশটি নয় একটিই ছাত্রকে বোঝায় ।


                           🌹ধন্যবাদ 🌹

No comments:

Post a Comment