প্রথম অধ্যায় : শারীরশিক্ষার মৌলিক ধারণা
১। সঠিক উত্তরটিকে বেছে নিয়ে ✅চিহ্ন দাও ঃ
(ক) ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? -
(১) ১৯২১
(২) ১৯১১
(৩) ১৯২০
উত্তরঃ (৩) ১৯২০
(খ) অ্যাথলেটিকস শব্দটি কোথা থেকে এসেছে?
(১) ইথানল
(২) এথেন্স
(৩) অ্যাথলন
উত্তরঃ (৩) অ্যাথলন
(গ) মোহনবাগান ক্লাব কত সালে সাহেবদের হারিয়ে শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল?
(১) ১৮১১
(২) ১৯১১
(৩) ১৯১৬
উত্তরঃ (২) ১৯১১
২। শূন্যস্থান পূরণ করোঃ
(ক) খেলা মানুষের __________ প্রবৃত্তি।
উত্তরঃ সহজাত
(খ) গ্রিক শব্দ __________ থেকে জিমনাস্টিক কথাটি এসেছে।
উত্তরঃজিমনস
(গ) জৈনধর্ম __________ মূর্ত প্রতীক হিসাবে বিদ্যামান।
উত্তরঃ অহিংসার
(ঘ) এন সি সি - র _____ ______ রং নৌসেনা বাহিনীর প্রতীক।
উত্তরঃ হালকা নীল
৩। দু-এক কোথায় উত্তর দাও :
(ক) খেলা কী?
উত্তরঃ শিশুর ঐচ্ছিকভাবে যেসকল স্বতঃস্ফূর্ত ও আবেগময় কার্যক্রমের মাধ্যমে নির্মল আনন্দ উপভোগ করে, তাকে খেলা বলে। একথায় খেলা হল শিশুর জন্মগত, সহজাত, স্বতঃস্ফূর্ত, স্বাধীন আনন্দদায়ক প্রবণতা।
(খ) প্রত্যক্ষ বিনোদন কাকে বলে?
উত্তরঃ যখন সমাজ স্বীকৃত কোণো কাজ বা বিষয়ে কোণো ব্যাক্তি স্বর্তঃস্ফূর্ত ও প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহনের মাধ্যমে তাৎক্ষনিক ও সহজাত তৃপ্তিলাভ করে, তখন তাকে প্রত্যক্ষ বিনোদন বলে। যেমন - কয়েকজন পিলিয়ার নিয়ে একটি ক্রিকেট খেলার আয়োজন করা।
(গ) সৃজনশীল বিনোদনের একটি উদাহরণ দাও?
উত্তরঃ সৃজনশীল বিনোদনের একটি উদাহরণ হল - ছবি আঁকার মাধ্যমে আনন্দলাভ।
৪। কয়েকটি বাক্যে প্রশ্নের উত্তর দাও :
(ক) শারীরশিক্ষার উদ্দেশ্যগুলি উল্লেখ করো।
উত্তরঃ শারীরশিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্যগুলি নীচে আলোচনা হলো -
প্রথমত, সুস্বাস্থ্য লাভ করা।
দ্বিতীয়ত, শারীর শক্ষার বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহনের মাধ্যমে শারীরিক পটুতা অর্জন।
তৃতীয়ত, সুঅভ্যাস গঠন করা।
চতুর্থত, শারীরিক ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা অর্জন করা।
পঞ্চমত, দৈনন্দিন শরীরচর্চার মাধ্যমে শিশুর চরিত্রের ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটানো।
ষষ্ঠত, শিশুর বিভিন্ন সৃজনশীল গুণের বিকাশ ঘটানো।
সপ্তমত, বিভিন্ন দলগত শরীর চর্চা ও খেলাধূলার মাধ্যমে শিশুর মধ্যে সহযোগিতা, সহনশীলতা প্রভৃতি সামাজিক গুণাবলীর বিকাশসাধন করা।
অষ্টমত, শিশুর দেহের স্নায়ু এবং মাংসপেশীর সমন্বয় সাধন করা।
৫। প্রকল্পঃ
(ক) তুমি সারা বছর কোন্দিন, কখন, কত সময় এবং কী ধরনের শারীরশিক্ষাসূচিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে এবং তোমার কী লাভ হয়েছে এবিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।
উত্তরঃ
শারীর শিক্ষার সুফল
নিজস্ব প্রতিনিধি,
স্থান - বিদ্যালয় প্রাঙ্গন
তারিখ - ০৫-০৫-২০২১
অঙ্গ সঞ্চালন ও খেলাধূলা শিশুর সহজাত প্রবৃতি। স্বাধীনভাবে দৌড়াদৌড়ি ও খেলা ধূলা করে সে প্রচুর পরিমানে আনন্দ পায়। খেলাধূলোর প্রতি শিশুর এই স্বাভাবিক ও অফুরন্ত আগ্রহকে সুষ্টভাবে ও সঠিক পথে পরিচালনা করে তাকে ব্যক্তি ও সমাজের কর্ম সক্ষম নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা অত্যন্ত প্রয়োজন। শারীর শীক্ষা ব্যতি রেখে শিশুর দেহ ও মনের সার্বিক সাধারণ শিক্ষার একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসাবে গণ্য করা হয়েছে।
সুস্থ দেহে সুন্দর মন সুখী জীবনযাপনের জন্যে অত্যাবশ্যক। সুস্থ মনের অধিকারী স্বাস্থ্যবান মানুষই নাগরিক দায়িত্ব ও ধর্মীয় বিধিবিধান ভালোভাবে পালন করতে পারে। তাই সুন্দর ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য শারীর শিক্ষা অপরিহার্য। বিভিন্ন খেলাধুলা, দৌড়, লাফ, বল নিক্ষেপ প্রভৃত কর্মকাণ্ড অঙ্গ সঞালন ক্রিয়ার সহায়ত করে। এতে মনে যে রূপ আনন্দ আসে সেরূপ শরীরের যথেষ্ট ব্যায়াম হয়। তাই শিশু ও কিশোরদের জন্য শারীর শিক্ষা খুব প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
প্রতিবছর শীতকালে আমাদের বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্টিত হয়। যেখানে নানান ধরনের খেলাধূলা ও অনুষ্টান হয়ে থাকে। আমি সেখানে দৌড়, ব্যায়ম, লংজাম্প খেলাতে অংশ গ্রহনের সুয়োগ পেয়েছিলাম। এই সব শারীর শিক্ষামূলক কর্মসূচিতে অংশ গ্রহনের ফলে আমি অনেক কিছু শিক্ষা লাভ করতে পেয়েছি। সেগুলি নীচে আলোচনা করা হল -
প্রথমত, ব্যায়মে অংশ গ্রহনের ফলে ব্যায়ামের লাভ সম্পর্কে জানতে পেরেছি যে ব্যায়ম করলে শরীরে খুব উপকার হয়।
দ্বিতীয়ত, দৌড় প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহনের ফলে জানতে পেরেছি দৌড় করলে শরীরের মধ্যে জমে থাকা অত্যাধিক চর্বি কমে যায়।
তৃতীয়ত, লংজাম্পের মাধ্যমে জানতে পেরেছি পায়ের পেশিগুলির কতটা উপরের হয়।
চতুর্থত, এছাড়াও শারীর শিক্ষামূলক কর্মসূচিতে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে সবার সাথে পরিচয় ও বন্ধুত্ব সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
শারীর শিক্ষার অন্তর্গত বিভিন্ন খেলাধুলার মাধ্যমে মানুষ কীভাবে সমাজে প্রতিষ্টিত হয়েছে সে সম্পর্কেও অধিক ধারণা পেয়েছি। তাই সবাইকে কম বেশী শারীর শিক্ষামূলক কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করা উচিত।
(খ) করোনা ভাইরাস বিষয়ক একটি স্বাস্থ্য সচেতনতা পোস্টার তৈরি করো।
উত্তরঃ


No comments:
Post a Comment