1. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :1.1 অবরোহণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল -
উ:-গ) গিরিখাত
1.2 হিমবাহ ও পর্বতগাত্রের মধ্যে সৃষ্ট সঙ্কীর্ণ ফাঁক হল - উ:-খ) বার্গস্রূন্ড 1.3 ঠিক জোড়টি নির্বাচন কারো - উ:-খ) পুদুচেরী - কেদ্রশাসিত অঞ্চল। |
2. শূন্যস্থান পূরণ করো : 2.1 বায়ুর প্রক্রিয়া বালি ও পলিকণা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসারিত হয় । উ:-বহন 2.2 উপত্যকা পীরপাঞ্জাল ও উচ্চ হিমালয় পর্বতশ্রেণী দ্বারা বেষ্টিত । উ:-ভূস্বর্গ কাশ্মীর 2.3 মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারতে শীতকাল প্রায় শুষ্ক প্রকৃতির হয় । উ:-উত্তর-পূর্ব | 3. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও: 3.1 পলল ব্যজনী কেন পর্বতের পাদদেশ সৃষ্টি হয় ? উ:- পর্বতের পাদদেশ ভূমির ঢাল হঠাৎ কমে যায় বলে নদীর গতিবেগ এবং বহনক্ষমতা উভয়ই হ্রাস পায় | এর ফলে নদীবাহিত নুড়ি, পাথর, কাঁকর, বালি, পলি সব শঙ্কুর আকারে পাদদেশে সঞ্চিত হতে থাকে । একেই পলল শঙ্কু বলা হয়ে থাকে । পরবর্তী সময়ে পলল শঙ্কু উপর দিয়ে বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত হলে তা অর্ধগোলাকার আকৃতিতে ভাগ হয়ে পড়ে। হাতপাখার মতো দেখতে প্রায় গোলাকার পলল ব্যজনী তৈরি হয় ।
সুতরাং, বলা যেতে পারে পর্বতের পাদদেশে নদীর গতিবেগের হঠাৎ হ্রাসের ফলেই পলল ব্যজনী পর্বতের পাদদেশে সৃষ্টি হয় |
3.2 ধাপ চাষ, ফালি চাষ ও সমোন্নতি রেখা বরাবর চাষের মাধ্যমে গ্রাবরেখার কীভাবে মৃত্তিকা ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব ? উত্তরঃ যে সকল ঢালু অঞ্চলে মাটি ক্ষয় বেশি সেখানে ঢালের আড়াআড়ি দিকে চওড়া ফিতের মতো জমি তৈরি করে ক্ষয়ে রোধকারী শস্য যেমন- সিম, ডাল, সয়াবীন চাষ করা হয়। এতে মাটির ক্ষয়রোধ হয় এবং মাটির জলধারণ ক্ষমতাও বাড়ে। একই রকম ভাবে পাহাড় ও পর্বতের ঢালু অংশে ধাপ কেটে এক-একটি সমতল ভূমি তৈরি করে চাষের জমি তৈরি করা হয়। এতে মৃত্তিকা ক্ষয় ভীষণভাবে কমানো যায়। আবার, সমোন্নতিরেখা বরাবর বাঁধ দিয়ে জলের গতিকে বাধা দিয়ে আটকে দিলে একদিকে যেমন- মৃত্তিকা-ক্ষয়রোধ হয়, অন্যদিকে ওই জল মাটিতে শোষিত হয় এবং গাছ তাঁর প্রয়োজন মতো জল পায় । | 4. হিমবাহের সঞ্চয় কাজের ফলে গঠিত বিভিন্ন প্রকার গ্রাবরেখার সচিত্র বর্ণনা দাও। উত্তরঃ হিমবাহ ক্ষয় কাজের সকল পদার্থ সৃষ্টি করে সেগুলি পর্বত ও পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়। হিমবাহ নিজে এবং জলধারার সাথে মিলিতভাবে কাজ করে পদার্থের সঞ্চয় ঘটায় । হিমবাহের সঞ্চয় কাজে সৃষ্ট ভূমিরূপঃ গ্রাবরেখাঃ হিমবাহ ক্ষয়জাত পদার্থগুলিকে হিমবাহের সাথে বাহিত হয়ে উপত্যকার বিভিন্ন অংশে সঞ্চিত। এরূপ সঞ্চয়কে গ্রাবরেখা বলে। অবস্থানের ভিত্তিতে গ্রাবরেখা বিভিন্ন প্রকার- Ø পার্শ্ব গ্রাবরেখাঃ হিমবাহ পদার্থকে ঠেলে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় দুই পাশে পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট গ্রাবরেখা হল পার্শ্ব গ্রাবরেখা। Ø মধ্য গ্রাবরেখাঃ দুটি হিমবাহ পাশাপাশি প্রবাহিত হলে মিলন অঞ্চলে সঞ্চিত হয়ে তৈরি হয় মধ্য গ্রাবরেখা । Ø প্রান্ত গ্রাবরেখাঃ হিমবাহ যেখানে এসে শেষ হয় অর্থাৎ গলে যায় সেখানে পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট হয় প্রান্ত গ্রাবরেখা । Ø ভূমি গ্রাবরেখাঃ হিমবাহের তলদেশে পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট গ্রাবরেখা হল ভূমি গ্রাবরেখা । Ø অবিন্যস্ত গ্রাবরেখাঃ হিমবাহের অগ্রভাগে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত গ্রাবরেখা হল অবিন্যস্ত গ্রাবরেখা । Ø বলয়ধর্মী গ্রাবরেখাঃ বলয় আকারে সঞ্চিত গ্রাবরেখা হল বলয়ধর্মী গ্রাবরেখা । Ø স্তরায়িত গ্রাবরেখাঃ সমুদ্রের তলদেশে সঞ্চিত গ্রাবরেখাকে স্তরায়িত গ্রাবরেখা বলে ।
|
|
No comments:
Post a Comment