১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :
১.১ সৌরজগতের বহিঃস্থ গ্রহগুলির যে বৈশিষ্ট্যটি থাকেনা সেটি হলো -
ক) এরা আকারে বড়ো
খ) এদের নির্দিষ্ট কক্ষপথ আছে
গ) এরা কঠিন শিলায় গঠিত
ঘ) এরা সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত
উত্তরঃ গ) এরা কঠিন শিলায় গঠিত
১.২ সূর্যের উত্তরায়নের শেষ সীমা হলো -
ক) মকরক্রান্তি রেখা
খ) কর্কটক্রান্তি রেখা
গ) কুমেরুবৃত্ত রেখা
ঘ) সুমেরুবৃত্ত রেখা
উত্তরঃ খ) কর্কটক্রান্তি রেখা
১.৩ মানবিক সম্পদের একটি উদাহরণ হলো -
ক) সূর্যালোক
খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
গ) দক্ষতা
ঘ) ভূতাপ শক্তি
উত্তরঃ গ) দক্ষতা
২. বাক্যটি সত্য হলে 'ঠিক' এবং অসত্য হলে 'ভুল' লেখো :
২.১ নিরক্ষরেখার অভিকর্ষের মান সর্বাধিক।
উত্তরঃ ভুল
২.২ কোরিওলিস বলের প্রভাবে উত্তর গোলার্ধে আয়ন বায়ু বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
উত্তরঃ ভুল
২.৩ অচিরাচরিত শক্তির একটি উৎস জোয়ারভাটা শক্তি।
উত্তরঃ ঠিক
৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও ঃ
৩.১ কোনো একটি নিরপেক্ষ সামগ্রীর সম্পদ হয়ে ওঠার শর্তগুলি উল্লেখ করো।
উত্তরঃ কোন বস্তু ও পদার্থ তখনই সম্পূর্ণ হবে যখন তার কতগুলি গুণ বা বৈশিষ্ট্য অবশ্যই থাকবে যে গুলি আলোচনা করা হলো -
(১) কোন বস্তুকে পদার্থের উপযোগিতা না থাকলে সম্পদ সৃষ্টি হতে পারে না। কয়লা খনিজ তেল জল প্রভৃতি উপাদানগুলি মানুষের অভাব পূরণ করতে সক্ষম হয়। উপযোগিতা আছে বলেই এগুলি সম্পদ।
(২) কার্য করিতে বলতে বোঝায় কোন বস্তু বা পদার্থের অভাব মোচন করার ক্ষমতা বা কার্যসম্পাদনের ক্ষমতা। যেমন কার্যকরী শক্তির জন্য কয়লা একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ রূপে পরিচিত হয়েছে।
(৩) কোন বস্তুতে তখনই সম্পদ বলা হবে যখন তা বিভিন্নভাবে এবং বেশি করে মানুষের কাজে ব্যবহৃত হয়।
(৪) ধর্মীয় ও সামাজিক বিধি-নিষেধ ছাড়া সম্পদ সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য। যেমন কয়লা খনিজ তেল লৌহ আকরিক জলবায়ু পৃথিবীর সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য। কিন্তু গোমাংস ও শূকরের মাংস সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য নয়।
(৫) জলবায়ু সূর্যকিরণ প্রভৃতি অফুরন্ত সম্পদ ছাড়া অন্যান্য সব প্রাকৃতিক সম্পদের যোগান সীমিত। অধিক ব্যবহারের ফলে এই সকল সম্পদ নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে।
(৬) কোন বস্তুতে তখনই সম্পদ বলা যাবে তখন তার বিশ্বব্যাপী চাহিদা থাকবে।
(৭) শুধুমাত্র কার্যকরিতা থাকলেই চলবে না বর্তমানে এই সব বস্তুর সম্পদ বলা যায় যার ব্যবহারে পরিবেশের ক্ষতি হয় না।
৩.২ আমরা পৃথিবীর আবর্তন বেগ অনুভব করিনা কেন?
উত্তরঃ আমরা যদি নিরক্ষরেখায় দাঁড়ায় তবে আমরাও পৃথিবীর সাথে সাথে ঘণ্টায় প্রায় 1700 কিলোমিটার বেগে ঘুরছে থাকবো। আবার সুমেরু অথবা কুমির ও বিন্দুতে দাঁড়ালে কোনরকম না ঘুরেও 24 ঘন্টা পার করে দেবো। তবে ভূপৃষ্ঠে বসবাস করা সত্ত্বেও আমরা আবর্তন বেগ অনুভব করতে পারে না। এর কারণ হলো - আমরা পৃথিবী বৃষ্টির যেখানে আছি তার পারিপার্শ্বিক গাছপালা জীবজন্তু ঘরবাড়ি যাবতীয় জিনিসপত্র প্রভৃতি পৃথিবীর সঙ্গে একই গতিতে এবং একই সঙ্গে আবর্তন করছে, অর্থাৎ প্রতিটি সকল বস্তুর আপেক্ষিক অবস্থান এবং থাকছে বলে আমাদের চোখে তার স্থান কত পরিবর্তন ঘটে না। ফলে আমরা পৃথিবীর আবর্তন বেগ অনুভব করতে পারে না।
৪. চিত্রসহ নিম্নলিখিত বিষয়গুলির ভিত্তিতে পৃথিবী গোলীয় আকৃতির প্রমাণ দাও -
(ক) দিগন্তরেখা
উত্তরঃ দুরে কোনো স্থানের দিকে লক্ষ্য করলে মনে হয় যেন আকাশটা মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। যে রেখা বরাবর আকাশটা মিশে গেছে বলে মনে হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে।
(খ) ধ্রুবতারা
উত্তরঃ পৃথিবীর উত্তর মেরু অক্ষ বরাবর দৃশ্যমান তারা ধ্রুবতারা নামে পরিচিত। এই তালাটি পৃথিবীর অক্ষের উপর ঘূর্ণনের সাথে প্রায় সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে আবর্তিত হয়। প্রাচীনকালে দিক নির্ণয় যন্ত্র আবিষ্কারের আগে সমুদ্রে জাহাজ চলাচলের সময় নাবিকরা দিক নির্ণয়ের জন্য ধ্রুবতারা কে দেখে দিক নির্ণয় করতো।

No comments:
Post a Comment