[New] Model Activity Task Class 10 Part 5 August Month | মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক বাংলা

 

বাংলা (প্রথম ভাষা)

১. কম-বেশি ২০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো :

১.১ ‘গল্প শুনে খুব গম্ভীর হয়ে গেলেন হরিদা।’ – হরিদা কোন্ গল্প শুনেছেন ?

উত্তর- ‘বহুরূপী’ গল্পের লেখক ও তাঁর বন্ধুরা হরিদাকে জগদীশবাবুর বাড়িতে আসা সন্ন্যাসীর কথা জানিয়েছিলেন। হিমালয় থেকে আসা সেই সন্ন্যাসী সারাবছরে শুধু একটা হরীতকী খান। সন্ন্যাসী হলেও তিনি জগদীশবাবুর কাছ থেকে সোনার বোল লাগানো কাঠের খড়ম ও একশো এক টাকা দক্ষিণা গ্রহণ করেছিলেন। হরিদা উপরিউক্ত গল্প শুনেই গম্ভীর হয়ে গিয়েছিলেন ।

১.২ ‘বিদায় এবে দেহ, বিধমুখী।’ – উদ্ধৃতাংশে ‘বিধমুখী’ কে?

উত্তর- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘অভিষেক’ কবিতায় ইন্দ্ৰজিৎ প্রমোদকানন থেকে বিদায় নেওয়ার আগে প্রাণাধিক প্রিয় প্রমীলাকে ‘বিধমুখী’ বলে সম্বোধন করেছিলেন।

১.৩ ‘মাভৈ: মাভৈ:’ এমন উচ্চারণের কারণ কী ?

উত্তর- বিদ্রোহী সত্তার অধিকারী কবি নজরুল তাঁর ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় মাভৈঃ মাভৈঃ” শব্দযুগলের ব্যবহার করেছেন, যার অর্থ ভয় কোরো না; অর্থাৎ নির্ভয়ে এগিয়ে চলো। পরাধীনতার অন্ধকার থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য প্রহর গণনারত ভারতবাসীকে কবি পুরাতনকে ধ্বংস করে নূতনের বিজয় পতাকা ওড়ানোর জন্য হৃদয়ে সাহস সঞ্চার করার কথা বলেছেন।

১.৪ …’দুজন বন্ধু নোক আসার কথা ছিল,’ বন্ধুদের কোথা থেকে আসার কথা ছিল ?

উত্তর- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ গল্পে উল্লেখিত গিরিশ মহাপাত্র জানিয়েছে, এনাঞ্জাং থেকে তার দুজন বন্ধু আসার কথা ছিল।

২. প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কম-বেশি ৬০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো : 

২.১ অ্যা,? ওটা কি একটা বহুরূপী ?- প্রশ্নটি কাদের মনে জেগেছে ? তাদের মনে এমন প্রশ্ন জেগেছে কেন ?

উত্তর- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্প থেকে উদ্ধৃত অংশটি নেওয়া হয়েছে ।

শহরের জমজমাট পরিবেশে সন্ধ্যাবেলায় এক অপরূপ বাইজিকে নাচের ভঙ্গিতে হাঁটতে দেখে শহরে আগত যে সমস্ত আগন্তুকরা মুগ্ধ হয়েছিল তাদের মনেই উক্ত প্রশ্নটি জেগেছিল ।

এক সন্ধ্যায় বাইজির ছদ্মবেশে হরি শহরের পথে ঘুঙ্গুরের মিষ্টি শব্দ করে হেঁটে চলে । শহরে নবাগত ব্যক্তিরা এই লস্যময়ী রূপসী বাইজির রূপে মুগ্ধ হয়ে পড়লেও পাশের দোকানদার বাইজির বেশধারী বহুরূপী হরিদাকে চিনতে পেরে হেসে ফেলেন । আগন্তুকরা বাইজির প্রকৃত পরিচয় যখন দোকানদারের কাছ থেকে জানতে পারে তখন তাদের সমস্ত রঙিন কল্পনার জগতের মোহ ভঙ্গ হয় এবং সেই সময় তাদের মুখ থেকে উচ্চারিত হয় উক্ত প্রশ্নটি ।

২.২ ‘নাদিলা কর্পূরদল হেরি বীরবরে মহাগবে।’ – ‘কর্বুরদল’ শব্দের অর্থ কী ? উদ্ধৃতাংশে ‘বীরবর’ কোথায় উপনীত হলে এমনটি ঘটেছে ?

উত্তর- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘অভিষেক’ কবিতা থেকে আলোচ্য উদ্ধৃতিটি গৃহীত হয়েছে ।

কর্বুরদল শব্দের সাধারণ অর্থ সৈন্যদল । প্রশ্নোদ্ধৃত অংশে ‘কর্বুরদল’ বলতে লঙ্কার রাক্ষস সৈন্যদলকে বোঝানো হয়েছে। স্বর্ণলঙ্কা যখন শত্রু পক্ষের ঘেরাটোপে, প্রিয় ভাই বীরবাহু যখন নিহত এবং পিতা রাবণ যখন বীরমদে মত্ত হয়ে রণসাজে সাজছেন, সেসময় তাঁর প্রিয় পুত্র ইন্দ্ৰজিৎ স্বর্ণলঙ্কায় পিতার সামনে এসে উপস্থিত হলেন । রক্ষকুলমনি বীরবর অর্থাৎ ইন্দ্রজিৎ-কে দেখে কর্বুরদল অর্থাৎ রাক্ষসসেনা তেজ, সাহস ও অহংকারে মত্ত হয়ে গর্জন করে উঠেছিল ।

২.৩ ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর।’ – কার জয়ধ্বনি করতে কবির এই আহ্বান ? কেন তার ‘জয়ধ্বনি’ করতে হবে ?

উত্তর- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় পরাধীন ভারতের মুক্তিকামী জনগণকে স্বপ্ন বা আশাপূর্ণকারী প্রলয়ের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন।

জয়ধ্বনি করার কারণ : ধ্বংসের মধ্যেই সৃষ্টির বীজ নিহিত । ভারতবর্ষের পরাধীনতা কবি নজরুলের কাছে ভীষণ পীড়াদায়ক ছিল। তিনি সর্বদাই এই অবস্থার অবসান চাইতেন। তিনি বুঝেছিলেন কালবৈশাখীর মতো ভয়ংকর শক্তি কিংবা প্রলয়-নেশায়মত্ত মহাদেবের মতোই কেউ এসে এই অবস্থার অবসান ঘটাবে। তাই কবি ভারতীয়দের এই ধ্বংস ও সৃষ্টির দেবতার আগমনের উদ্দেশ্যে জয়ধ্বনি করতে বলেছেন ।

২.৪ ‘কিন্তু ইহা যে কতোবড়ো ভ্রম.. কোন ভ্রমের কথা এক্ষেত্রে বলা হয়েছে?

উত্তর- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের অংশবিশেষ থেকে প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি গৃহীত হয়েছে |

ভ্রমের পরিচয় : ভামো যাত্রাকালে অপূর্ব ট্রেনের প্রথম শ্রেণীর টিকিট কিনেছিল । সে ভেবেছিল সবাই তাকে সম্মান করবে এবং রাতের ঘুমটা ভালই নির্বিঘ্নে কাটবে । কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তার এই ভাবনা ভ্রমে পরিণত হয় । অপূর্ব সন্ধ্যাহ্নিক সম্পন্ন করে স্পর্শদোষহীন খাবার খেয়ে শোবার উদ্যোগ নেয়। সে ব্যাঘাতহীন ঘুমের কথা ভাবলেও কয়েকটা স্টেশনের পরই তার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। সারারাত্রিতে অন্তত তিনবার পুলিশের লোক এসে তার নামঠিকানা লিখে নিয়ে যায়। অর্থাৎ প্রথম শ্রেণীর যাত্রী হিসেবে অপূর্ব যে মহাশান্তির ঘুম ও ব্যাঘাতহীন ট্রেনযাত্রার কল্পনা করেছিল সেটিকেই এখানে ‘ভ্ৰম’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে ।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

৩.১ ‘বড়ো চমৎকার আজকে এই সন্ধ্যার চেহারা।’ – ‘বহুরূপী’ গল্প অনুসরণে উক্ত সন্ধ্যার দৃশ্য বর্ণনা করো। 

উত্তর- ছোটো গল্পকার সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে এক সন্ধ্যায় হরিদা কথক ও তাঁর বন্ধুদের এক অত্যাশ্চর্য খেলা দেখার আমন্ত্রণ জানান পাড়ার ধনী ব্যক্তি জগদীশবাবুর বাড়িতে। প্রদত্ত উদ্ধৃতাংশে এই সন্ধ্যার চেহারার বর্ণনার কথাই বলা হয়েছে |

সন্ধ্যার চেহারার বর্ণনা : সেদিনের সন্ধ্যায় প্রকৃতিও যেন হরিদাকে সঙ্গ দিয়েছিল। স্নিগ্ধ ও উজ্জ্বল চাঁদের আলো দীর্ঘকাল পরে শহরের পরিবেশকে সুন্দর করে তুলেছিল। ফুরফুরে বাতাসে জগদীশবাবুর বাড়ির বাগানের গাছের পাতা ঝিরিঝিরি করে যেন কিছু বলতে চাইছিল। এমন মায়াময় পরিবেশেই আবির্ভাব হয়েছিল বিরাগী-রূপী হরিদার।

৩.২ ‘ছিড়িলা কুসুমদাম রোষে মহাবলী’ – মহাবলী’ কে ? তিনি রুষ্ট কেন ?

উত্তর- মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘অভিষেক’ কাব্যাংশ থেকে গৃহীত উদ্ধৃতিটিতে ‘মহাবলি’ বলতে রাক্ষস বংশের শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা ইন্দ্ৰজিতের কথা বলা হয়েছে।

মহাবলীর রুষ্ট হওয়ার কারণ :- স্বর্ণলঙ্কার ঘোর দুর্দিনের সংবাদ নিয়ে প্রভাষা-রূপী লক্ষ্মী, প্রমোদকাননে এসে উপস্থিত হন। সেখানে উপস্থিত ইন্দ্ৰজিৎকে তিনি জানান,

(i) ভয়াবহ যুদ্ধে তাঁর প্রিয় ভাই বীরবাহু নিহত হয়েছেন ।

(ii) পুত্রশোকে স্তব্ধ রক্ষোপতি রাবণ সসৈন্যে যুদ্ধযাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

(iii) লঙ্কাপুরী এখন বীরশূন্য।

ভাইয়ের মৃত্যু ও পিতার যুদ্ধযাত্রার কথা শুনে আত্ম অনুশোচনায় ক্ষুব্দ ইন্দ্রজিৎ ভাতৃঘাতক রামচন্দ্রের উপর প্রবল রুষ্ট হয়েছিলেন।

৩.৩ ‘প্রলয় বয়েও আসছে হেসে মধুর হেসে। কে আসছেন ? তার হাসির কারণ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর- আলোচ্য উদ্ধৃতিতে সরূপী শিবের আগমনের কথা বলা হয়েছে।

শিব রক্ষক ও সংহারক। সংহারকরূপী শিব ভয়ংকর। তিনি তখন প্রলয়দেবতা। তার জটাভার দুলে উঠলে সারা পৃথিবী তসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। যা-কিছু জরাজীর্ণ, অসুন্দর, তা সবই তিনি পাগলা জালার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে ধ্বংস করেন। কিন্তু এই ধ্বংসের পিছনে কিয়ে থাকে নতুন সৃষ্টির আশ্বাস। এই কারণেই প্রলয় ধ্বংস বয়ে নিলেও আপন সৃষ্টির আনন্দে মহাকালের মধুর হাসি ধ্বনিত হয়।

৩.৪ ‘বাবুজি, এসব কথা বলার দুঃখ আছে।’ বক্তা কে? কোন কথার পরিপ্রেক্ষিতে সে একথা বলেছে? –

উত্তর- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পথের দাবী’ গদ্যাংশ থেকে গৃহীত উদ্ধৃতিতে বক্তা বাবুজি’ বলতে অপূর্বকে বুঝিয়েছে। উক্তিটি করেছে রামদাস তলওয়ারকর। রামদাসের সঙ্গে কথোপকথনকালে অপূর্ব জানায় যে, পুলিশকর্তা নিমাইবাবু তার কাকা এবং তার শুভাকাঙ্ক্ষী হলেও, ভারতবর্ষের মুক্তিকামী বিপ্লবীরা তার থেকে অনেক বেশি আপনার। পরাধীন ভারতবর্ষের ব্রিটিশের দাসত্ব করেন নিমাইবাবু।

৪. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো : 

৪.১ ‘এজন্য চরিত্র চাই, গোঁয়ার রোখ চাই। ক্ষিতীশ সিংহ কীভাবে কোনির ‘চরিত্র’ এবং ‘গোয়ার রোখ’ তৈরিতে সচেষ্ট হয়েছিলেন?

উত্তর- গঙ্গার ঘাটে বারুণী তিথিতে দেবতার উদ্দেশে উৎসর্গ করা আম দখলের ঘটনা থেকেই ক্ষিতীশ কোনিকে আবিষ্কার তরি করেছিলেন। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তারপর একদিন সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের তড়ি ঘণ্টা হাঁটা প্রতিযোগিতার শেষে কোনিকে কাছে পেয়ে সাঁতার শেখানোর প্রস্তাব নিয়ে হাজির হলেন তিনি। কোনি সেই প্রস্তাব এককথায় বাতিল করে দিলেও ক্ষিতীশ হাল ছাড়েননি। তিনি মনে মনে ঠিক করে নেন যে, কোনিকে তিনি নামকরা সাঁতারু তৈরি করবেনই।দায়িত্বগ্রহণ; কোনির বাড়ি গিয়ে ওদের পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে ক্ষিতীশ জানতে পারেন ওরা খুব গরিব। তাই নিজেই তিনি কোনির সব দায়িত্ব নিলেন। জুপিটার ছেড়ে অ্যাপোলো ক্লাবে এলেন শুধু কোনির জন্যই। নিজের সংসার, পরিবারের কথা ভুলে কোনিকে নিয়েই চলল তার প্রতিজ্ঞাপূরণের কাজ। কঠোর অনুশীলন কোনিকে কঠোর অনুশীলনের মধ্যে রেখে চ্যাম্পিয়ন বানানোই ছিল ক্ষিতীশের একমাত্র লক্ষ্য। ক্ষিতীশ নিজেই কোনির জন্য উপযুক্ত খাদ্যসামগ্রীর ব্যবসা লেন। ধীরে ধীরে কোনিও সাঁতারকে ধ্যানজ্ঞান মনে করতে মিহল ত্রিনফলতা তানি একসময় যাবতীয় প্রতিকূলতা অতিক্রম করে কোনি মাদ্রাজে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপে ১ x ১০০ মিটার রেলিতে প্রথম হয় তার নিজের এবং খেপি সে স্বপ্ন পূরণ করে।

৪.২. ‘ক্ষিদ্দা, এবার আমরা কী খাব?’ – উদ্ধৃতিটির আলোকে কোনির যন্ত্রণাবিদ্ধ জীবনযাত্রার পরিচয় দাও?

উত্তর- গঙ্গার ঘাট থেকে মাদ্রাসায় জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় ভিকট্রি স্ট্যান্ড পর্যন্ত কোনির যে যাত্রা ক্ষিদ্দাই কোনির প্রথম ও প্রধান নির্দেশক ও অনুপ্রেরণা। অনুশীলনেরস্ট ব্যবস্থা:ক্ষিতীশ সিংহ কোনিকে সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন করানোর জন্য।র কঠোর অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই অনুশীলনে সাঁতারের বিভিন্ন কৌশল ক্ষিতীশ কোনিকে শিখিয়েছিলেন। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ছটা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনির প্র্যাকটিস চলত। ছকে বাঁধা জীবন; ক্ষিতীশ কোনির জীবনযাত্রাকে একটা ছকে বেঁধে দিয়েছিলেনন। কোনি কখন কী কী খাবে সেইব্যাপারেও ক্ষিতীশ নিয়ম জারি করেছিলেন। কোনিকে প্রতিদিন দুটো ডিম, দুটো কলা এবং দুটো টোস্ট খাওয়ার কথা ক্ষিতীশ বলেন।এগুলি কোনিকে খেতে দেওয়ার বদলে আরও এক ঘণ্টা কোনির জলে থাকতে হবে বলে ক্ষিতীশ জানান। অমানুষিক পরিশ্রম: লোভ দেখিয়ে অমানুষিক পরিশ্রম করিয়ে নেওয়া অন্যায় জেনেও যন্ত্রণা আর সময় দুটোকেই হারানোর জন্য ক্ষিতীশ এমনটা করেছিলেন।কোনি টিফিনের বদলে টাকা চাইলে ক্ষিতীশ আর কোনির মধ্যে বোঝাপড়া হয়। ক্ষিতীশ কোনিকে নানা উদাহরণ দিয়ে তাকে উজ্জীবিত করেন। সফলতা অর্জন ক্ষিতীশই দেয়ালে ‘৭০’ লিখে টাঙিয়ে দিয়ে কোনির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দেন। তার তত্ত্বাবধানে দিনের পর দিন কোনির এই কঠোর অনুশীলনই তাকে সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে যায়।


       Next subject click now



Google Search - www.motaleb783.blogspot.com


No comments:

Post a Comment