বাংলা ( প্রথমভাষা )
নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :
১. “সেই স্তব্ধতার মধ্যে উবার ফিশফিশ গলা শুনতে পেলাম’— উবা কোন্ কথা ফিশফিশিয়ে বলে উঠেছে।
উত্তর- অমরেন্দ্র চক্রবর্তীর লেখা আমাজনের জঙ্গলে গল্পে উক্ত কথায় উবা ফিসফিস করে বলেছিল বোতো ! বোতো ! অর্থাৎ জলের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলতে চাইছিল যে বোতোকে দেখা যাচ্ছে ।
২. জলের নীচে বোতোকে দেখতে দেখতে আমি মনে মনে বললাম . . . —কথক ‘মনে মনে’ কী বলেছিল ?
উত্তর- অমরেন্দ্র চক্রবর্তীর লেখা আমাজনের জঙ্গলে গল্পকথক মনে মনে বলেছিলেন যে বোতো যদি সত্যিই আমাজনের রক্ষাকর্তা হয় তাহলে সে যেন কথককে তার মা বাবা আর স্কুলের বন্ধুদের কাছে ফিরে যাওয়ার উপায় বলে দেয় ।
৩. আমি সাগর পাড়ি দেবো – বক্তার সাগর পাড়ি দেওয়ার উদ্দেশ্য কী ?
উত্তর- কাজী নজরুল ইসলামের লেখা আমি সাগর পাড়ি দেবো কবিতায় বক্তার সাগর পাড়ি দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো বক্তা নিজেকে সওদাগর কল্পনা করে তার শক্ত মধুকর ডিঙা সাগরে ভাসিয়ে দিতে চান। বক্তা চান সমস্ত ঘাটে সারা বিশ্বজুড়ে চলবে তার কেনাবেচা। সমুদ্রের ঢেউয়ের দোলায় তার ময়ূরপঙ্খী বাণিজ্য করে বেড়াবে এবং তিনি দুর্মূল্য রত্ন মানিক আহরণ করবেন। এছাড়া তিনি চান দ্বীপে দ্বীপে সকলে তার আগমনের প্রত্যাশা করে থাকবে এবং ঝিনুক তাকে নজরানা হিসেবে মুক্তমালা উপহার দেবে।
8. “দক্ষিণ মেরু অভিযান’ গদ্যাংশে এঁদের নাম কোন কোন প্রসঙ্গে এসেছে ?
| নাম | প্রসঙ্গ |
| ১. সার ক্লেমেন্টস মার্কহাম | |
| ২. আর্নস্ট স্যাকলটন | |
| ৩. উইলসন | |
| ৪. ইভানস | |
| ৫. আমুন্ডসেন |
উত্তর- ১. সার ক্লেমেন্টস মার্কহাম – রয়্যাল জিও গ্রাফিক্যাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ক্লেমেন্টস মার্কহামের সঙ্গে লন্ডনের রাস্তায় স্কটের দেখা হয়েছিল এবং তিনি স্কটকে অভিযানের অধিনায়কত্ব গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
২. আর্নস্ট স্যাকলটন – ডিসকভারি নামক জাহাজের একজন খুব বড় নাবিক ছিলেন স্যার আর্নেস্ট স্যাকলটন ।
৩. উইলসন – উইলসন স্কট ও স্যাকলটনের সঙ্গে ১৯ টি কুকুর নিয়ে ১৯০২ সালের নভেম্বর মাসে স্লেজ যাত্রার আয়োজন করেছিলেন।
৪. ইভানস – অনাহারে সর্ব শরীর অবসন্ন হওয়াতে দক্ষিণ মেরু অভিযানের পর ইভানস পড়ে গিয়েছিলেন এবং তুষার এসে তার মৃতদেহের উপর কবর কবর রচনা করেছিল।
৫. আমুন্ডসেন – দক্ষিণ মেরুর প্রথম আবিস্কারক গৌরব অর্জন করেছিলেন নরওয়ের বিখ্যাত আবিষ্কারক আমুন্ডসেন।
৫. ‘আলো’নাটকের পাত্র-পাত্রী কারা ? তদের মধ্যে কাকে তোমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে এবং কেন ?
উত্তর- লীলা মজুমদারের লেখা আলো নাটকে পাত্র-পাত্রী হলো পিসি , শম্ভু , নিতাই , গুরুমশাই এছাড়া বিড়াল,গায়কগণ ইত্যাদি। এদের মধ্যে পিসিকে আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে কারণ পিসির কথা শুনে শম্ভু ভয় উপেক্ষা করতে পেরেছে। শম্ভুর পিসি তাকে জানান যে তার বাবা-মা বিদেশে গেলে তার দাদু তাকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেছিলেন। দাদু তাদের সুস্থভাবে বাঁচিয়ে রাখতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন । তিনি কিনা আজ ওষুধের অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা যাবেন। এই কথা শুনে শম্ভুর ভয় কেটে ছিল।
৬. …… আমাদের দলটা চলল সেজোপিসিমার বাড়ির দিকে।’— সেজোপিসিমার বাড়ি কোন্ গ্রামে ? তাঁর বাড়ি যাওয়ার পথে কী ঘটেছিল ?
উত্তর- মণীন্দ্র গুপ্তের লেখা অ্যাডভেঞ্চার শীর্ষক গল্পে সেজো পিসির বাড়ি চন্দ্রহার গ্রামে। সেজে পিসির বাড়ি যাবার পথে বিকেলবেলায় ঝড়- বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টি ঝেপে এলে তারা গাছ তলায় দাঁড়ান এবং দেখতে পান দূরের মাঠে জল দাঁড়িয়ে গেছে।বৃষ্টিতে মাঠের গোড়ালি ডোবা জলের পুকুর থেকে আসা কৈ মাছ গুলিকে কথকরা তাদের উল্টানো ছাতার মধ্যে ভরে নেন।

No comments:
Post a Comment