Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 5 বাংলা
১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : (প্রতিটি প্রশ্নের মান – ২)
১.১ ‘কেউ করে না মানা।‘ – কার কোন কাজে কেউ নিষেধ করে না ?
উত্তর- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর কবিতায় সারা আকাশ জুড়ে মেঘ খেলে বেড়ায় । তার এই কাজে কেউ নিষেধ করে না।
১.২ এবার আমাকে গোড়ার দিক দিতে হবে।’ — কী চাষের সময় কুমির একথা বলেছিল ?
উত্তর- উত্তর- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ‘বোকা কুমিরের কথা’ গল্পে ধান চাষের সময় কুমীর বলেছিল- ‘এবার আমাকে গোড়ার দিক দিতে হবে’ ।
১.৩ ‘মাঠ মানে কী অর্থই খুশির অগাধ লুটোপুটি!’ – ‘অর্থই’ এবং ‘অগাধ’ শব্দ দুটির অর্থ লেখো।
উত্তর- ক. অথই শব্দের অর্থ – যেন তল নেই এমন গভীর – খ. অগাধ শব্দের অর্থ – প্রচুর / অসাঁম/ অনন্ত
১.৪ ‘ঝড়’ কবিতায় উল্লিখিত দুটি গাছের নাম লেখো।
উত্তর- মৈত্রেয়ী দেবীর ‘ঝর’ কবিতায় উল্লিখিত দুটি গাছের নাম হলো – বকুল গাছ ও চাঁপা গাছ।
১.৫ ‘ট্যাক্’ শব্দের অর্থ কী ?
উত্তর- শিবশঙ্কর মিত্রের ‘মধু আনতে বাঘের মুখে’ নামক গল্পে ‘ট্যাক’ কথাতি রয়েছে। ত্রিভুজ আঁকারের জমির মাথাকে ট্যাক্ বলে।সাধারণত দুটো নদীর মিলন স্থলে এই রকম ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।
১.৬ ‘রূপালি এক ঝালর’ – কবি কোথায় ‘রূপালি ঝালর’ দেখেছেন ?
উত্তর- কবি অশোকবিজয় রাহার ‘মায়াতরু’ কবিতায় সেই অদ্ভুত গাছটিতে কবি সকাল বেলায় ‘রূপালি এক ঝালর’ দেখেছেন।
১.৭ ‘করুণা করি বাঁচাও মোরে এসে’- কখন ফণীমনসা একথা বলেছে ?
২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো : (প্রতিটি প্রশ্নের মান- ৩ )
২.১ মাঠ মানে তো সবুজ প্রাণের শাশ্বত এক দীপ’ – পক্তিটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও। –
উত্তর- কবিতার লাইনটিতে ‘সবুজ প্রান’ বলতে কবি ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের বুঝিয়েছেন। ‘শাশ্বত’ শব্দটির মধ্যে দিয়ে বুঝিয়েছেন চিরকালীন কিছুকে ৷ ‘দীপ’ শব্দটির অর্থ প্রদীপ হলেও কবি এখানে শব্দটিকে ব্যবহার করেছেন আশা বা ভরসা রূপক অর্থে। পদ্ধতিটির তাৎপর্য হলো তারুণ্যে ভরপুর শিশুদের কাছে মাঠ গতানুগতিক চাপের জীবন থেকে চার দেওয়ালের অন্ধকার থেকে ক্ষনিকের মুক্তি পাওয়ার চিরকালীন আশার পথ, প্রদীপের আলোর রেখা।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
২.২ ব্যান্ড স্বেচ্ছায় বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত বলো”। বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত হয়ে ব্যাঙ কী করেছিল?
উত্তর- ব্যাঙ স্বেচ্ছায় বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত হয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ভগবানের উদ্দেশ্যে। সেখানে গিয়ে তাদের সমস্যাগুলি জানিয়ে সমাধান পাওয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য।সেখানে গিয়ে তাদের সমস্যাগুলি জানিয়ে সমাধান পাওয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য। সেখানে গিয়ে তারা দেখে সবাই আনন্দ উৎসবে খুব ব্যস্ত। তখন রাগে উত্তেজিত হয়ে ভগবানের কাছে গেলে ভগবান রক্ষীদের ডাকে। এরপর মৌমাছি-মোরগ-বাঘ রক্ষীদের আক্রমণের ভয় দেখায়। শেষ পর্যন্ত ব্যাঙ,মোরগ ও বাঘেদের জয় হয়েছিল। ভগবান তাদের সমস্যার সমাধান করে দিয়েছিলেন।
২.৩ – ঝাড় কারে মা কয়?’ – কবিতায় শিশুটি নিজের এই প্রশ্নের উত্তর কীভাবে দিয়েছে?
উত্তর-“ঝড় কারে মা কয় এই প্রশ্নের উত্তর শিশুটি নিজেই দিয়েছে কবিতায় এভাবে শিশুটির মনে হয়েছে কাদের বাড়ির ছেলে আকাশে যেন-কালির দোয়াত হঠাৎ করে ফেলে দিয়েছে। যেমন করে শিশুটি মেঝের উপর কালি ঢেলে দিলে মেঝেটি কালো হয়ে ওঠে, ঠিক তেমনি ঝড়ের সময় মেঘটিও কালো হয়ে উঠেছে। মেঘ যেন আগুন জ্বেলে তার নরম ঠোঁট মেলে হাসছে। শিশুটি এভাবেই ঝড়ের কালো মেঘ ও বিদ্যুতের বর্ণনা দিয়েছে কবিতায়।
২.৪ তাদের কথা বলার শক্তি নেই।’ – কখন এমন পরিস্থিতি হলো?
উত্তর- ধনাই, আর্জান, কফিল মধুর চাক সংগ্রহ করে যখন বন থেকে বাড়ি ফিরছিল তখনই এই পরিস্থিতি ঘটেছিল। ‘শিষে’ বা সরু খাদ পেরোনোর সময় ধনাইয়ের উপর এক বাঘ গর্জন করে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর্জান ও কফিল সেসময় পিছনের ঝোপের কাছে ছিল। তারা এতটাই হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল কোন কথা বলার বা নড়বার শক্তি তাদের ছিল না। এভাবেই লেখক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিটির বর্ণনা দিয়েছেন।
২.৫ ‘ভেবে পাই নে নিজে – কবি কী ভেবে পান না?
উত্তর- উদ্ধৃত অংশটি অশোকবিজয় রাহার লেখা ‘মায়াতরু’ কবিতার অংশ। কবি তার এই কবিতায় এক মায়াবী গাছের কথা বলেছেন– যে গাছ সন্ধ্যে হলে ভূতের মতো নাচতো, রাত হলে ভালুক হয়ে গর গর শব্দ করতো। বৃষ্টির শেষে চাঁদ উঠলে সেই ভালুক বা গাছের বদলে লক্ষ হিরার মাছ দেখা যেত। ভোরের আবছায়াতে সেই গাছটিকে ঘিরে কি যে কান্ড হতো-কবি সেগুলিই ভেবে পান না।
২.৬ ফণীমনসা ও বনের পরি’ নাটকে সূত্রধারের ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তর- ‘ফনিমনসা ও বনের পরী’ নাটকে সূত্রধার এর ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। সূত্রধার শব্দটির অর্থ হলো নাটকের প্রস্তাবক প্রধান নট। নাটকটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সূত্রধার এর ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়। কাহিনীটি ফনিমনসা ও বনের পরী কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠলেও সমস্ত নাটকটিতে সূত্রধরের জন্যই দৃশ্যের বিবরণ, ঘটনার পরিবর্তন গুলি আমরা দেখতে পাই। তাই বলা যায় নাটকটিতে সূত্রধার এর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :
৩.১ বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় এবং ক্রিয়া যোগে একটি বাক্য রচনা করো। ২
উত্তর- রাহ্বল তার ছোট ভাইকে লিখতে ও পড়তে শেখাচ্ছে ।
বিশেষ- রাহুল, বিশেষণ- ছোট, সর্বনাম- তার, অব্যয়- ও, ক্রিয়া- শেখাচ্ছে
৩.২ ‘নাম বিশেষণ’ এবং ‘ক্রিয়া বিশেষণ’ বলতে কী বোঝ ? ২
উত্তর- ‘নাম বিশেষণ’- যে বিশেষণ নাম পদ বা বিশেষ পদের আগে বসে তাকে নাম বিশেষণ বলে। যেমন- রাহুল ভালো ছেলে।
‘ক্রিয়া বিশেষণ’- যে বিশেষণ ক্রিয়া পদের আগে বসে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। যেমন- রাহুল ভালো নাচে।
৩.৩ ‘অ’ এবং ‘ই/ঈ’ যোগে পাঁচটি করে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ তৈরি করো। ৫ + ৫
উত্তর- ‘আ’ যোগে পাঁচটি স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ .
১. সদস্য + আ = সদস্যা
২. প্রথম + আ = প্রথমা
৩. নবাঁন + আ = নবীনা
৪. চন্দন + আ = চন্দনা
৫. সুমন + আ = সুমনা
‘ই/ঈ’ যোগে পাঁচটি স্ত্রীলিঞ্জাবাচক শব্দ
১. ছাত্র + ঈ = ছাত্রী
২. মামা + ই = মামি
৩. সুন্দর + ঈ = সুন্দরী
8. চাচা + ই = চাচি
৫. তাপস + ঈ = = তাপসী

No comments:
Post a Comment