Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক সপ্তম শ্রেণী পার্ট ৬ পরিবেশ ও ভূগোল
১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো : ১ x ৩ = ৩
১.১ ‘পৃথিবীর ছাদ’ যে মালভূমিকে বলা হয় সেটি হলো-
ক) ছোটোনাগপুর মালভূমি
খ) মালব মালভূমি
গ) পামীর মালভূমি
ঘ) লাদাখ মালভূমি
উত্তর- পামীর মালভূমি
১.২ নদীর উচ্চ প্রবাহে।’ আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ হলো —
ক) ভূমির ঢাল কম থাকা
খ) উপনদীর সংখ্যা বেশি থাকা
গ) নদীর নিম্নক্ষয়ের ক্ষমতা বেশি হওয়া
ঘ) নদীর পার্শ্বক্ষয়ের ক্ষমতা বেশি হওয়া
উত্তর- নদীর নিম্নক্ষয়ের ক্ষমতা বেশি হওয়া
১.৩ যে রূপান্তরিত শিলা বিভিন্ন সৌধ নির্মাণে কাজে লাগে তা হলো—
ক) চুনাপাথর
খ) কাদাপাথর
গ) ব্যাসল্ট
ঘ) মার্বেল
উত্তর- মার্বেল
২. স্তম্ভ মেলাও – (১ x ৩ = ৩)
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ২.১ কিলিমাঞ্জারো ২.২ গ্রানাইট ২.৩ মিয়েন্ডার | i) আগ্নেয় শিলা ii) নদীর মধ্যপ্রবাহ iii) আগ্নেয় পর্বত |
উত্তর-
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ২.১ কিলিমাঞ্জারো ২.২ গ্রানাইট ২.৩ মিয়েন্ডার | iii) আগ্নেয় পর্বত i) আগ্নেয় শিলা ii) নদীর মধ্যপ্রবাহ |
৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
৩.১ ভূমির ঢাল ও উচ্চতার ভিত্তিতে মালভূমি ও সমভূমির পার্থক্য নিরূপণ করো। ২
উত্তর-
| বিষয় | সমভূমি | মালভূমি |
| উচ্চতা | সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে 300 মিটারের কম উচ্চতা বিশিষ্ট হয়। | সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে 300 মিটারের অধিক উচ্চতা বিশিষ্ট হয়। |
| ঢাল | মৃদু ঢাল বিশিষ্ট হয়। | উপরি ভাগ সমতল কিন্তু পার্শ্ব দেশ খাড়া ঢাল যুক্ত হয়। |
৩.২ নীলনদের উপর কী উদ্দেশ্যে আসোয়ান বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল ? (৩)
উত্তর- আসওয়ান বাঁধ মিশর এবং সুদানের উত্তর সীমান্তে অবস্থিত একটি বাঁধ। এটি প্রায় 33.600 কিলোমিটার সেচ ভূমির জন্য জল সরবরাহ করে। এটি মিশর ও সুদান উভয়ের সেচের চাহিদা পূরণ করে। বাঁধটি নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্মিত হয়েছিল।নীল নদের বন্যা প্রতিবছর ঘটে, প্রায় অর্ধেক জল অপচয় করে সমুদ্রে চলে যায়। এই অপচয় রোধ করতে বাঁধটি নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ 1960 সালে শুরু হয়েছিল এবং 1968 সালে সম্পন্ন হয়েছিল। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে 1971 সালে উদ্বোধন করা হয়েছিল।
এই বাঁধ নির্মাণের কয়েকটি উদ্দেশ্য ছিল নিম্নরুপ –
১. নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা এবং সারা বছর সেচের জন্য জল সরবরাহ করা।
২. নীল নদ জুড়ে চলাচলের উন্নতি করা।
৩. পর্যটন এবং মাছ ধরার শিল্পকে উপকৃত করা।
৪. জলবিদ্যুতের পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
৫. খরার সময় জল সরবরাহ করতে সাহায্য করা।
৪. “মানুষের নানাবিধ ক্রিয়াকলাপ নদীর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে’– বক্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো। ৫
উত্তর- মানুষের জীবনের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক এত নিবিড় হলেও মানুষের কিছু কিছু কাজ নদীর স্বাভাবিক ছন্দকে নষ্ট করছে।
কৃষি ব্যবস্থার প্রসার, শিল্পায়ন, নগরায়ন, ইত্যাদি নানাভাবে নদীকে প্রভাবিত করছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য নদীর পাড়ে কৃত্রিম বাঁধ তৈরি করলে সাময়িক সুফল পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত তা আরও ভয়াবহ বন্যারই কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। একদিকে কৃষিজমি থেকে ধুয়ে আসা পলিতে নদী ক্রমশ ভরাট হচ্ছে। অন্যদিকে সেচের জলের জলের জোগান দিতে নদী ক্রমশ শুকিয়ে যাচ্ছে। শহর শিল্পাঞ্চলের বর্জ্য রাসায়ানিক পদার্থ নদীতে অবাধে মিশে গিয়ে নদীর জল ক্রমশ বিষাক্ত হয়ে উঠছে।
আরও নানা মনুষ্য সৃষ্ট কারনে নদী তার স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে ফেলছে এমনকি অনেক নদী বিলুপ্তও হয়ে যাচ্ছে। তাই উপরের বক্তব্যটি যথার্থ।

No comments:
Post a Comment