Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 9 Part 7 ভূগোল
১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো : ১ × ৪ = ৪
১.১ নিরক্ষীয়তলে অবস্থিত বিষুবরেখার অক্ষাংশ হলো –
ক) ৯০০ খ) ৬০০ গ) ০০ ঘ) ৩০০
উত্তর- গ) ০০
১.২ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো –
ক) ভঙ্গিল পর্বত – ব্যারেন
খ) স্তূপ পর্বত – হিমালয়
গ) আগ্নেয় পর্বত – সাতপুরা
ঘ) ক্ষয়জাত পর্বত – আরাবল্লী
উত্তর- ঘ) ক্ষয়জাত পর্বত – আরাবল্লী
১.৩ শিলামধ্যস্থ খনিজের সঙ্গে অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে আবহবিকার সংঘটিত হয় তা হলো
ক) অঙ্গারযোজন
খ) আর্দ্র-বিশ্লেষণ
গ) জলযোজন
ঘ) জারণ
উত্তর- ঘ) জারণ
১.৪ উত্তরবঙ্গের নদীগুলির একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো –
ক) নদীগুলি খরস্রোতা নয়
খ) বরফগলা জলে পুষ্ট
গ) নদীগুলির অসংখ্য শাখানদী আছে
ঘ) অধিকাংশ নদী পশ্চিমবাহিনী
উত্তর- খ) বরফগলা জলে পুষ্ট
২. স্তম্ভ মেলানো : ১ × ৪ = ৪
| ক স্তম্ভ | খ স্তম্ভ |
| ২.১ ক্ষুদ্রকণা বিশ্বরণ | i) ভারতীয় প্রমাণ সময় |
| ২.২ কানাডা | ii) উয় মরু অঞ্চল |
| ২.৩ এলাহাবাদ | iii) রাঢ় অঞ্চল |
| ২.৪ বীরভূম | iv) মহাদেশীয় শীল্ড মালভূমি |
| ক স্তম্ভ | খ স্তম্ভ |
| ২.১ ক্ষুদ্রকণা বিশ্বরণ | ii) উয় মরু অঞ্চল |
| ২.২ কানাডা | iv) মহাদেশীয় শীল্ড মালভূমি |
| ২.৩ এলাহাবাদ | i) ভারতীয় প্রমাণ সময় |
| ২.৪ বীরভূম | iii) রাঢ় অঞ্চল |
৩.১ কী কারণে কালবৈশাখী হয় ?
উত্তর- মার্চ-এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের গ্রীষ্মকাল থাকে। এই সময় স্থলভাগ ধীরেধীরে উত্তপ্ত হতে থাকলে বায়ুর আর্দ্রতা কমে গিয়ে বায়ু হালকা হতে থাকে এবং নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। নিকটবর্তী সমূদ্রের শীতল ও আর্দ্র বায়ু শূন্যস্থান পূরণের জন্য প্রবল বেগে ওই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে ছুটে আসতে থাকে এবং কালবৈশাখী ঝড়ের সূচনা হয়।
৩.২ আবহবিকারের দুটি ফলাফল উল্লেখ করো।
উত্তর- আবহবিকারের দুটি ফলাফল হল-
১.ভূ-আস্তরণ এর উৎপত্তিঃ আবহবিকারের ফলে শিলাসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে একপ্রকার ভূ-আস্তরণের সৃষ্টি করে, যা রেগোলিথ নামে পরিচিত। এটি শিলা ও মৃত্তিকার মধ্যবর্তী অবস্থা।
২. মৃত্তিকার উৎপত্তিতঃ রেগোলিথ থেকে পরবর্তীকালে মৃত্তিকার সৃষ্টি হয়। ক্রান্তীয় মৌসুমী অঞ্চলে শুষ্ক ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে রাসায়নিক আবহবিকারের হার অত্যন্ত বেশি। এই কারণে উক্ত অঞ্চলটিতে ল্যাটেরাইট মৃত্তিকার উদ্ভব ঘটে।
৪. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও : ৩ × ১ = ৩
৪.১ স্তূপ পর্বতের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর- মহীভাবক আলোড়নের ফলে শিলাস্তরে ফাটল ধরলে এই ফাটল বরাবর শিলাস্তরে চ্যুতি সৃষ্টি হয়। এই চ্যুতি বরাবর কোন ভূখণ্ড যদি উত্থিত হয়ে পর্বত রূপে অবস্থান করে তখন তাকে স্তুপ পর্বত বা ব্লক মাউন্টেন বলা হয়।
স্তুপ পর্বতের বৈশিষ্ট্য :
ক) স্তূপ পূর্বতের উভয় পার্শ্ব খাড়া ঢাল বিশিষ্ট হয়।
খ) স্তূপ পর্বতের শীর্ষদেশের আকৃতি চ্যাপ্টা হয়।
গ) দুটি স্তূপ পর্বতের মাঝে একটি বা একটি স্তূপ পর্বতের উভয় পার্শ্বে দুটি গ্রস্ত উপত্যকা অবস্থান করে।
উদাহরন- ভারতের সাতপুরা
৫. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও : ৫ × ১ = ৫
৫.১ ভূজালকের সাহায্যে কীভাবে পৃথিবীপৃষ্ঠের কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় করা হয় ?
উত্তর: ভূজালকের সাহায্যে অবস্থান নির্ণয়ঃ গোলীয় পৃথিবীপৃষ্ঠের কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় করতে পূর্ব-পশ্চিমে কল্পিত বৃত্তাকার অক্ষরেখা ও উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত অর্ধবৃত্তাকার দ্রাঘিমারেখার সাহায্য নেওয়া হয়।অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখাগুলি পরস্পর সমকোণে মিলিত হয়ে ভূ-জালকের সৃষ্টি করেছে। এই জালকের অক্ষরেখার মানের সাহায্যে জানা যায় কোনো স্থান নিরক্ষরেখা থেকে কতটা উত্তরে বা দক্ষিণে অবস্থিত এবং দ্রাঘিমারেখার মানের সাহায্যে জানা যায় কোনো স্থান মূলমধ্যরেখা থেকে কতটা পূর্বে বা পশ্চিমে অবস্থিত।
এই পদ্ধতিতে দুটি উপায়ে অবস্থান নির্ণয় করা হয়। যথা-
A. স্বল্প পরিসরে বিস্তৃত স্থানের অবস্থান নির্ণয়।যেমন- কলকাতা 22 ডিগ্রি 34 মিনিট উত্তর অক্ষরেখা ও 88 ডিগ্রী 24 মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদবিন্দুতে অবস্থিত। অর্থাৎ, কলকাতা নিরক্ষরেখা থেকে 22 ডিগ্রি 34 মিনিট উত্তরে এবং মূল মধ্যরেখা থেকে ৪৪ ডিগ্রী 24 মিনিট পূর্বে অবস্থিত।
B. বিস্তৃত অঞ্চলের অবস্থান নির্ণয়। যেমন- ভারতের অবস্থান হল ৪ ডিগ্রি 4 মিনিট উত্তর অক্ষরেখা থেকে 37 ডিগ্রি 6 মিনিট উত্তর অক্ষরেখা এবং 68 ডিগ্রি 7 মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে 97 ডিগ্রী 25 মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
No comments:
Post a Comment