Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 7 বাংলা
১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : ৩×৫=১৫
১.১ ‘তার চলবার ভঙ্গিটি বড়ো মজার।’ -কার চলবার ভঙ্গিটি বড়ো মজার ? তার চলার ভঙ্গি প্রসঙ্গে প্রাবন্ধিক কী জানিয়েছেন ?
উত্তর- প্রশ্নে উদ্ধৃত অংশটি শিবতোষ মুখোপাধ্যায় রচিত ‘কার দৌড় কদ্দূর’ প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে। এই প্রবন্ধে অ্যামিবার চলার ভঙ্গির কথা বলা হয়েছে।
এককোশী অ্যামিবা তার দেহের খানিক প্রোটোপ্লাজম সামনে গড়িয়ে দেয়, এর ফলে সৃষ্টি হয় ক্ষণপদ। আর এই ক্ষণসদের সাহায্যেই প্রোটোপ্লাজমের দিকে সে এগিয়ে যায়, কয়েক মিনিটে তার কয়েক মিলিমিটার পথ মন্থর গতিতে চলাফেরার ভঙ্গিটিকে লেখক মজার বলে উল্লেখ করেছেন।
১.২ ‘কার নাম দুন্দুভি ? কাকে বলে অরণি ?? – প্রশ্ন দুটি তোমাকে করা হলে তুমি কী উত্তর দেবে ? –
উত্তর- উদ্বৃত অংশটি সুকুমার রায়ের লেখা ‘নোটবই’ কবিতার অংশ।
দুন্দুভি শব্দের অর্থ হলো ‘ঢাক’ এবং অরণি শব্দের অর্থ হলো ‘চিত্রক গাছ’ বা চকমকি পাথর।
১.৩ ওই পাহাড়টার নাম জানো ? – প্রশ্নকর্তার পরিচয় দাও। তিনি কাকে এই প্রশ্ন করেছেন। শ্রোতা তার উত্তরে কী জানিয়েছেন ?
উত্তর- প্রশ্নকর্তা হলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা ‘মেঘ-চোর’ গল্পের বৃষ্টিবিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরি।
পুরন্দর চৌধুরি অসীমাকে এই প্রশ্ন করেছিলেন।
এখানে শ্রোতা হলেন অসীমা। আলাস্কার আকাশ থেকে নীচের দিকে সোনালি রঙের পাহাড়টি দৃষ্টি আকর্ষন করলে বিজ্ঞানী সেটিরনাম জানতে চান।অসীমা ইতিহাসের ছাত্রী হলেও ভূগোল সে ভালোই জানতো। তাই সে অকপটে উত্তর দিয়েছিল পাহাড়টির নাম মাউন্টচেম্বারলিন এবং পাশের হ্রদটি হলো শ্রেভার লেক।
১.৪ পুলিনবিহারী সেন ‘জনগণমন অধিনায়ক জয় হে’ গানটি রচনার উপলক্ষ জানতে চেয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে চিঠি লিখলে তিনি কী উত্তর দিয়েছিলেন ?
উত্তর- ‘বিশ্বভারতী’ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট ছাত্র পুলিনবিহারী সেন বহু প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা। রবীন্দ্রনাথের রচনা ব্যাখ্যায় তাঁর প্রবন্ধগুলি আজও আদর্শস্থানীয়। পুলিনবিহারী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের অত্যন্ত প্রিয় পাত্র ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তাঁর নানা বিষয়ে পত্রালাপ চলত। সেই প্রসঙ্গেই তিনি কবির কাছে ‘জনগণমন অধিনায়ক জয় হে’ গানটি রচনার উপলক্ষ্য জানতে চাইলে রবীন্দ্রনাথ তাঁকে চিঠিতে লিখে জানান যে, কবির কোনো এক রাজসরকারে প্রতিষ্ঠাবান বন্ধু ভারতসম্রাটের আগমন উপলক্ষ্যে তাঁকে গান রচনা করতে অনুরোধ করলে তিনি গানটি রচনা করেন।
১.৫ ‘ভেসে যায় নামগুলি’ – কোন্ নামগুলি, কোথায়, কেন ভেসে যায় ?
উত্তর- কামিনী রায় রচিত ‘স্মৃতিচিহ্ন’ কবিতায় যে সব ক্ষমতালোভী, সাম্রাজ্যবাদীরা বিশাল স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে নিজেদের নাম অক্ষয় রাখতে চাই তাদের নামের কথা এখানে বলা হয়েছে।
আলোচ্য উদ্ধৃতিটির মধ্য দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, সাম্রাজ্যের ক্ষমতালোভী শাসকের দল কেবলই নিজেদের ক্ষমতার দম্ভে বিশাল বিশাল প্রাসাদ বা অট্টালিকা নির্মাণ করেছে, তাতে মানুষের কোনোই উপকার হয়নি। তাই মানুষের মনে তাদের কোনোই জায়গা হয়নি। একসময় কালের নিয়মে সেই প্রাসাদ বা অট্টালিকাগুলি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং তাদের নাম কালের স্রোতে ভেসে গিয়েছে।
২. নির্দেশ অনুসারে নীচের ব্যাকরণগত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : ১×৩=৩
২.১ বাক্যে প্রয়োগ করো :
২.১.১ ঝিরঝির
উত্তর- ঝিরঝির :- সকাল থেকে ঝিরঝির করে বৃষ্টি পড়ে চলেছে।
২.১.২ টাপুর-টুপুর
উত্তর- টাপুর-টুপুর :- বৃষ্টি পড়ে টাপুরটুপুর।
২.১.৩ খিলখিল
উত্তর- খিলখিল :- শিশুটি খিল খিল করে উঠলো।
২.২ নীচের বাক্যগুলিতে শব্দদ্বৈতগুলির প্রয়োগ বৈশিষ্ট্য দেখাও : ১×২=২
২.২.১. ঠেলাঠেলির মধ্যে না যাওয়াই ভালো।
উত্তর- আলোচ্য বাক্যে ‘ঠেলাঠেলি’ একটি শব্দদ্বৈত এবং এর মধ্য দিয়ে ‘অস্বাচ্ছন্দ্য অর্থ’ (ভিড়ের মধ্যে) প্রকাশিত।
২.২.২. দেখতে দেখতে সন্ধ্যা নেমে এল।
উত্তর- প্রদত্ত বাক্যে ‘দেখতে দেখতে’ একটি শব্দদ্বৈত এবং এর মধ্য দিয়ে ‘সমকালীনতা’ ভাবটি প্রকাশিত।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
No comments:
Post a Comment