Model Activity Task Class 10 Part 8 Bengali মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 10 Part 8 বাংলা


 

Model Activity Task Class 10 Part 8 Bengali

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 10 Part 8 বাংলা

১. ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো : ১ x ৫=৫

১.১ তপনের লেখা যে গল্পটি ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল—

ক) রাজা ও রানি

খ) অ্যাকসিডেন্ট

গ) প্রথম দিন

ঘ) স্কুলে ভরতি হওয়ার দিনের অভিজ্ঞতা

উত্তর- গ) প্রথম দিন

১.২ পাঠ্য ‘অসুখী একজন’ কবিতাটির অনুবাদক—

ক) শঙ্খ ঘোষ

খ) নবারুণ ভট্টাচার্য

গ) উৎপলকুমার বসু

ঘ) মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

উত্তর- খ) নবারুণ ভট্টাচার্য

১.৩ ‘আফ্রিকা’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যে কাব্যগ্রন্থে রয়েছে

ক) মানসী

খ) চিত্রা

গ) পত্রপুট

ঘ) নৈবেদ্য

উত্তর- গ) পত্রপুট

১.৪ ‘বাবু কুইল ড্রাইভারস’ কথাটি বলতেন

ক) ওয়াটারম্যান

খ) লর্ড কার্জন

গ) উইলিয়াম জোন্স

ঘ) উইলিয়াম হেস্টিংস

উত্তর- খ) লর্ড কার্জন


১.৫ যে কাব্যগ্রন্থটি শঙ্খ ঘোষের লেখা নয়

ক) দিন ও রাত্রি

খ) দিনগুলি রাতগুলি

গ) পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ

ঘ) ধূম লেগেছে হৃৎ কমলে

উত্তর- ক) দিন ও রাত্রি

২. কম-বেশি ২০টি শব্দের উত্তর লেখো : ১ x ৫=৫

২.১ ‘সমানি সম শীর্ষাণি ঘনানি বিরলানি চ’ – কথাটির অর্থ কী?

উত্তর- ‘সমানি সম শীর্ষাণি ঘনানি বিরলানি চ’ – কথাটির অর্থ হল- সব অক্ষর সমান, প্রতিটি ছত্র সুশৃঙ্খল পরিচ্ছন্ন।

২.২ ‘আফ্রিকা’ কবিতায় দিনের অন্তিমকাল কীভাবে ঘোষিত হয়েছিল?

উত্তর- ‘আফ্রিকা’ কবিতায় দিনের অন্তিমকাল ঘোষিত হয়েছিল- আফ্রিকায় আগত সাম্রাজ্যবাদীদের পৈশাচিক অত্যাচার, মানবতাকে ধ্বংস করা প্রভৃতি কার্যকলাপের দ্বারা তৈরি অমঙ্গলসূচক বা অশুভ ধ্বনির মাধ্যমে।

২.৩ ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি ‘পায়ে পায়ে হিমানীর বাধ’ বলতে কী নির্দেশ করেছেন?

উত্তর- হিমানী শব্দের অর্থ হলো বরফের বাধ। এখানে কবি প্রতি পদক্ষেপে বিপদের কথা বলেছেন। পাহাড়ি পথ কে বরফ যেমন দুর্গম করে তোলে তেমনি এই হিংসা সভ্যতার গতিপথকে দুর্গম করে তোলে।

২.৪ ‘মাভৈঃ মাভৈঃ এমন উচ্চারণের কারণ কী?

উত্তর- বিদ্রোহী সত্তার অধিকারী কবি নজরুল তাঁর ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় মাভৈঃ মাভৈঃ” শব্দযুগলের ব্যবহার করেছেন, যার অর্থ ভয় কোরো না; অর্থাৎ নির্ভয়ে এগিয়ে চলো। পরাধীনতার অন্ধকার থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য প্রহর গণনারত ভারতবাসীকে কবি পুরাতনকে ধ্বংস করে নূতনের বিজয় পতাকা ওড়ানোর জন্য হৃদয়ে সাহস সঞ্চার করার কথা বলেছেন।

২.৫ …দুজন বন্ধু নোক আসার কথা ছিল, – বন্ধুদের কোথা থেকে আসার কথা ছিল?

উত্তর- শরতচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ গল্পে গিরিশ মহাপাত্র জানিয়েছে, এনাঞ্জাং থেকে তার দুজন বন্ধু আসার কথা ছিল।

৩. প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কম-বেশি ৬০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো : ৩ x ২=৬

৩.১ ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর। কেন তার ‘জয়ধ্বনি’ করতে হবে? – কার জয়ধ্বনি করতে কবির এই আহ্বান? ১ + ২

উত্তর-  জয়ধ্বনি করার কারণ : ধ্বংসের মধ্যেই সৃষ্টির বীজ নিহিত । ভারতবর্ষের পরাধীনতা কবি নজরুলের কাছে ভীষণ পীড়াদায়ক ছিল। তিনি সর্বদাই এই অবস্থার অবসান চাইতেন। তিনি বুঝেছিলেন কালবৈশাখীর মতো ভয়ংকর শক্তি কিংবা প্রলয়-নেশায়মত্ত মহাদেবের মতোই কেউ এসে এই অবস্থার অবসান ঘটাবে। তাই কবি ভারতীয়দের এই ধ্বংস ও সৃষ্টির দেবতার আগমনের উদ্দেশ্যে জয়ধ্বনি করতে বলেছেন ।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় পরাধীন ভারতের মুক্তিকামী জনগণকে স্বপ্ন বা আশাপূর্ণকারী প্রলয়ের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন।

৩.২ ‘খুবই গরিব মানুষ হরিদা’। হরিদার পরিচয় দাও। তাঁর দারিদ্র্যের ছবি ‘বহুরূপী’ গল্পে কীভাবে প্রতিভাসিত হয়েছে? ১ + ২

উত্তর- বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সুবোধ ঘোষ রচিত বহুরূপী গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন হরিদা। পেশায় বহুরূপী হরিদা ছিলেন নিজের শিল্পের প্রতি নিষ্ঠাবান এবং নির্লোভ মনোভাবের। দারিদ্রতা তার নিত্যসঙ্গী ছিল।

হরিদা ছিলেন একজন অতি সামান্য নির্লোভ, নির্লিপ্ত, নির্মোহ দরিদ্র বহুরূপী। সমগ্র গল্প জুড়ে আমরা হরিদার দারিদ্রতার যে ছবি দেখতে পাই তা হল পেশায় বহুরূপী হরিদা বাস করতেন শহরের সবচেয়ে সরু গলির ছোট্ট একটা ঘরে। অভাবের তাড়নায় বেশিরভাগ দিন তার ভাত জুটত না। হাঁড়িতে খালি গরম জল ফুটত। বন্ধুরা তার ঘরে আড্ডা দিতে এলে তিনি সামান্য চা দিতে পারতেন না, চিনি দুধ ও চা পাতার অভাবে। বহুরূপী সেজে তিনি যে বকশিশ পান তা দিয়ে তার অন্নের সংস্থান করা সম্ভব হয় না।

৪. কমবেশি ১২৫ শব্দে নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও।  ৪

‘মনে হয়, ওর নিশ্বাসে বিষ, ওর দৃষ্টিতে আগুন, ওর অঙ্গ-সঞ্চালনে ভূমিকম্প। – উদ্ধৃতিটির আলোকে ঘসেটি বেগমের চরিত্রবৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।

উত্তর- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত ‘সিরাজদ্দৌলা’ নাট্যাংশে ঘষেটি বেগম ষড়যন্ত্রকারী, প্রতিহিংসাপরায়ণ, স্বার্থান্বেষী, কূট চরিত্ররূপে প্রতিভাত হয়েছে।

ষড়যন্ত্রকারী : ঘসেটি বেগম সিরাজের মাসি। তিনি চেয়েছিলেন পিতা আলিবর্দি খাঁ-র অবর্তমানে বাংলার মসনদে বসবে তাঁর স্বামী কিন্তু মনোবাসনা পূর্ণ না হওয়াই ঘষেটি বেগম ক্রুদ্ধ ও হিংস্র হয়ে ওঠেন এবং ইংরেজদের সঙ্গে মিলিত হয়ে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন।

প্রতিহিংসাপরায়ণ : রাজনৈতিক কারণে সিরাজ তাঁকে গৃহবন্দি করে রেখেছিলেন। ঘসেটির মুখেই সেই প্রতিহিংসার কথা প্রকাশ পায়- “আমার রাজ্য নাই, তাই আমার কাছে রাজনীতিও নাই আছে শুধু প্রতিহিংসা।”

অমানবী আচরণ : সিরাজের মনে হয়েছে ঘষেটি বেগম মানবী নয় দানবী। মনে হয়- “ওর নিশ্বাসে বিষ, অঙ্গ সঞ্চালনে ভূমিকম্প!”

স্বার্থপরতা : সিরাজ তাকে মায়ের সম্মান দিতেই চেয়েছিলেন কিন্তু ঘসেটির মধ্যে মায়ের স্নেহ ছিলনা। ছিল প্রতিহিংসার দহন জ্বালা ও স্বার্থপরতা। তাই সে সিরাজের ভয়াবহ পরিণতি দেখতে চেয়েছে।

নাট্যাংশের স্বল্প পরিসরেই ঘসেটি তাঁর সক্রিয়তায় ও বাক্ চাতুর্যে নেতিবাচক চরিত্র হিসেবে বিশিষ্ট হয়ে উঠেছে।

৫. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো (কম-বেশি ১৫০ শব্দ) : ৫ x ২=১০

৫.১ ‘দস্যুরা কীভাবে আফ্রিকার ইতিহাসে চিরচিহ্ন এঁকে দিয়ে গিয়েছিল, তা ‘আফ্রিকা’ কবিতা অনুসরণে আলোচনা করো।

উত্তর-

৫.২ ‘বাবুজি, এসব কথা বলার দুঃখ আছে।’ – বক্তা কে? কোন্ কথার পরিপ্রেক্ষিতে সে একথা বলেছে? –

উত্তর- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পথের দাবী’ গদ্যাংশ থেকে গৃহীত উদ্ধৃতিতে বক্তা ‘বাবুজি’ বলতে অপূর্বকে বুঝিয়েছে।

উক্তিটি করেছে রামদাস তলওয়ারকর। রামদাসের সঙ্গে কথোপকথনকালে অপূর্ব জানায় যে, পুলিশকর্তা নিমাইবাবু তার কাকা এবং তার শুভাকাঙ্ক্ষী হলেও, ভারতবর্ষের মুক্তিকামী বিপ্লবীরা তার থেকে অনেক বেশি আপনার। পরাধীন ভারতবর্ষের ব্রিটিশের দাসত্ব করেন নিমাইবাবু।

৬. নীচের প্রশ্নটির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো (কম-বেশি ১৫০ শব্দ) : ৫

‘ক্ষিদ্দা, এবার আমরা কী খাব?’ – উদ্ধৃতিটির আলোকে কোনির যন্ত্রণাবিদ্ধ জীবনযাত্রার পরিচয় দাও।

উত্তর- গঙ্গার ঘাট থেকে মাদ্রাসায় জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় ভিকট্রি স্ট্যান্ড পর্যন্ত কোনির যে যাত্রা ক্ষিদ্দাই কোনির প্রথম ও প্রধান নির্দেশক ও অনুপ্রেরণা। অনুশীলনেরস্ট ব্যবস্থা: ক্ষিতীশ সিংহ কোনিকে সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন করানোর জন্য।র কঠোর অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই অনুশীলনে সাঁতারের বিভিন্ন কৌশল ক্ষিতীশ কোনিকে শিখিয়েছিলেন। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ছটা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত কোনির প্র্যাকটিস চলত। ছকে বাঁধা জীবন;

ক্ষিতীশ কোনির জীবনযাত্রাকে একটা ছকে বেঁধে দিয়েছিলেনন। কোনি কখন কী কী খাবে সেইব্যাপারেও ক্ষিতীশ নিয়ম জারি করেছিলেন। কোনিকে প্রতিদিন দুটো ডিম, দুটো কলা এবং দুটো টোস্ট খাওয়ার কথা ক্ষিতীশ বলেন। এগুলি কোনিকে খেতে দেওয়ার বদলে আরও এক ঘণ্টা কোনির জলে থাকতে হবে বলে ক্ষিতীশ জানান। অমানুষিক পরিশ্রম: লোভ দেখিয়ে অমানুষিক পরিশ্রম করিয়ে নেওয়া অন্যায় জেনেও যন্ত্রণা আর সময় দুটোকেই হারানোর জন্য ক্ষিতীশ এমনটা করেছিলেন। কোনি টিফিনের বদলে টাকা চাইলে ক্ষিতীশ আর কোনির মধ্যে বোঝাপড়া হয়। ক্ষিতীশ কোনিকে নানা উদাহরণ দিয়ে তাকে উজ্জীবিত করেন। সফলতা অর্জন ক্ষিতীশই দেয়ালে ‘৭০’ লিখে টাঙিয়ে দিয়ে কোনির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দেন। তার তত্ত্বাবধানে দিনের পর দিন কোনির এই কঠোর অনুশীলনই তাকে সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে যায়।

৭. নির্দেশ অনুযায়ী উত্তর দাও :  ১ x ৩=৩

৭.১ অনুসর্গ হলো একপ্রকার

(ক) বিশেষ্য পদ             

(খ) বিশেষণ পদ

(গ) সর্বনাম পদ           

(ঘ) অব্যয় পদ

উত্তর- (ঘ) অব্যয় পদ

৭.২ ‘বিভক্তি কখনোই লুপ্ত হয় না-

(ক) কর্মকারকে

(খ) করণ কারকে

(গ) সম্বন্ধ পদে

(ঘ) কর্তৃকারকে

উত্তর- (ক) কর্মকারকে

৭.৩ নির্দেশকের একটি উদাহরণ হলো

(ক) হইতে

(খ) কর্তৃক

(গ) জন্য

(ঘ) গুলি

উত্তর- (ঘ) গুলি

৮. ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো : ১ x ৩=৩

ভোজ্যবস্তু, পোশাক-পরিচ্ছদ, সন্ধ্যাহ্নিক

উত্তর- ভোজ্যবস্তু = ভোজনের উপযুক্ত বস্তু (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)

পোশাক-পরিচ্ছদ = পোশাক ও পরিচ্ছদ (দ্বন্দ্ব সমাস)

সন্ধ্যাহ্নিক = সন্ধ্যায় পালনীয় আহ্নিক (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)

৯. কমবেশি ১৫০ শব্দে প্রতিবেদন রচনা করো : লর্ডসে রুদ্ধশ্বাস জয় ভারতীয় ক্রিকেট দলের। ৫

উত্তর-                               .

লর্ডসে রুদ্ধশ্বাস জয় পেল ভারতীয় ক্রিকেট দল

নিজস্ব সংবাদদাতা, ৩০ শে অক্টোবর, লর্ডস : লর্ডস টেস্টে ঐতিহাসিক জয় পেল ভারতীয় ক্রিকেট দল। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের পঞ্চম দিনে ২২ গজে দাপট দেখালো ভারতীয় ক্রিকেটাররা। প্রথমে চাপের মুহূর্তে ৮৯ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে ২৯৮ রানে পৌঁছে দেয় মোহাম্মদ সামি ও জসপ্রীত বুমরা। অর্ধশত রান করেন মোহাম্মদ সামি। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭২ রানের টার্গেট দেয় টিম ইন্ডিয়া। রান তাড়া করতে নেমে প্রথম থেকেই লাগাতার উইকেট হারিয়ে চাপ বাড়তে থাকে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং এ। জো রুট ও জয় বাটলার কিছুটা লড়াই করলেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি। ১২০ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ১৫১ রানে জয় পায় টিম ইন্ডিয়া।

১০. বঙ্গানুবাদ করো : ৪

Home is the first School where the Child learns his first lesson. He sees, hears and begins to learn at home. It is home that builds his Character. In a good home honest and healthy men are made.

উত্তর- গৃহ-ই হল একটি শিশুর কাছে প্রথম বিদ্যালয় যেখানে সে জীবনের প্রথম শিক্ষাটি লাভ করে। সে গৃহের মধ্যে যা কিছু দেখে, যা কিছু শোনে তার সাহায্যই প্রথম শেখা শুরু করে। গৃহ থেকেই তার চরিত্র নির্মাণ শুরু হয়। একটি আদর্শ গৃহের পরিবেশে সৎ এবং সুস্থ মানুষ তৈরি হয়।




No comments:

Post a Comment