Model Activity Task Class 7 Part 8 Bengali
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 8 বাংলা
১. ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো : ১ × ৫ = ৫
১.১ ‘পাগলা গণেশ’ গল্পে গণেশের বয়স
(ক) একশো বছর
(খ) দেড়শো বছর
(গ) একশো পঁচাত্তর বছর
(গ) দুশো বছর
উত্তরঃ দুশো বছর
১.২ ‘কোকনদ’ হলো
(ক) শ্বেতপদ্ম
(খ) রক্তপদ্ম
(গ) নীলপদ্ম
(ঘ) হলুদ পদ্ম
উত্তরঃ রক্তপদ্ম
১.৩ ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’ কবিতাটির রচয়িতা
(ক) আশরাফ সিদ্দিকী
(খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
(গ) মদনমোহন তর্কালঙ্কার
(ঘ) যোগীন্দ্রনাথ সরকার
উত্তরঃ মদনমোহন তর্কালঙ্কার
১.৪ শ্রদ্ধেয় রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে রামকিঙ্কর বেইজের পরিচয় হয়
(ক) মেদিনীপুরে
(খ) বীরভূমে
(গ) বাঁকুড়ায়
(ঘ) কলকাতায়
উত্তরঃ বাঁকুড়ায়
১.৫ খোকনের বাড়ির সামনেই ছিল একটি
(ক) বটগাছ
(খ) ইউক্যালিপটাস গাছ
(গ) নারকেল গাছ
(ঘ) বকুল গাছ
উত্তরঃ ইউক্যালিপটাস গাছ
২. খুব সংক্ষেপে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : ২ × ১০ = ২০
২.১ ‘তা আপনার কবিতা শুনছেই বা কে আর পড়ছেই বা কে? – একথার উত্তরে শ্রোত কী বলেছিলেন? –
উত্তরঃ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা পাগলা গণেশ গল্পে উক্ত কথাটির উত্তরে শ্রোতা বলেছিলেন- আকাশ শুনছে, বাতাস শুনছে, প্রকৃতি শুনছে। কবিতার পাতা বাতাসে ভাসিয়ে দিচ্ছে। যদি কেউ কুড়িয়ে পায় আর পড়তে ইচ্ছা হয় তো পড়বে।
২.২ “My Native Land. Good night!” — উদ্ধৃতিটি কার রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ উদ্ধৃতিটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত “বঙ্গভূমির প্রতি কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
২.৩ একুশের কবিতায় কোন কোন গানের সুরের প্রসঙ্গ রয়েছে?
উত্তরঃ আশরাফ সিদ্দিকীর লেখা একুশের কবিতায় যেসব যেসব গানের সুরের প্রসঙ্গ রয়েছে সেগুলি হলো- ভাটিয়ালি গান, মুর্শিদি গান, সারি গান, শৈশবে মায়ের গাওয়া নানা গানের কলি ইত্যাদি।
২.৪ ‘অত বড়ো একজন শিল্পীর কাছে শিক্ষালাভ করেছি, আমার সৌভাগ্য। – কার স্মৃতিচারণায় কথক একথা বলেছেন?
উত্তরঃ রামকিঙ্কর বেইজ এর লেখা আত্মকথা গল্পের উদ্ধৃতাংশে লেখক রামকিঙ্কর বেইজ কলাভবনের অধ্যক্ষ নন্দলাল বসুর স্মৃতিচারনায় একথা বলেছেন।
২.৫ ‘খোকন অবাক হয়ে গেল।’ কোন কথা শুনে খোকন অবাক হলো?
উত্তরঃ বনফুল রচিত খোকনের প্রথম ছবি গল্পে, খোকনের বাবার চিত্রকর বন্ধু খোকনের আঁকা ছবিগুলি দেখে খোকনকে জিজ্ঞাসা করেন তার নিজের আঁকা ছবি কই সেসব ই তো নকল করা। চিত্রকরের বলা সেই কথা শুনেই খোকন অবাক হয়েছিল।
২.৬ ‘আপনি আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছেন’। – কোন কথার অবতারণাকে বক্তার ‘ঠাট্টা’ মনে হয়েছে?
উত্তরঃ এই বিশাল হ্রদের জল যদি মেঘ হয়ে যায়, সেই মেঘ থেকে অন্য জায়গায় বৃষ্টি হবে। একসঙ্গে হঠাৎ বৃষ্টি বেড়ে গেলে পৃথিবীর দারুণ কোনো ক্ষতি হয়ে যাবে না!’ কী আর হবে! সাইবেরিয়ায় বড়জোর এক ইঞ্চি বেশি বরফ জমবে! তখন অসীমা হেসে ফেলে বলল, ‘আপনি আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছেন।’
২.৭ জেমস এইচ. কাজিন্স কে ছিলেন?
উত্তরঃ ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের পরবর্তী সময় অর্থাৎ ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি দক্ষিণ ভারত পরিক্রমা বেরিয়েছিলেন। সেখানে “থিয়সফিক্যাল কলেজ” এর অধ্যক্ষ এবং রবীন্দ্রনাথের বন্ধু ছিলেন জেমস এইচ. কাজিনস।
২.৮ ‘এ ছবি আমি পরেও দেখেছি। কোন্ দৃশ্যবর্ণনা প্রসঙ্গে একথা এসেছে?
উত্তরঃ মুখ ভর্তি পান নিয়ে গলায় বাঁধা হারমোনিয়াম বাজাতে বাজাতে কাজী নজরুল গাইলে- এখানে এই দৃশ্যপটের কথা বলা হয়েছে।
উত্তরঃ মুখ ভর্তি পান নিয়ে গলায় বাঁধা হারমোনিয়াম বাজাতে বাজাতে কাজী নজরুল গাইলে- এখানে এই দৃশ্যপটের কথা বলা হয়েছে।
২.৯ ‘তাদের রাজত্ব হের অক্ষুণ্ণ কেমন? কাদের রাজত্ব কেন অক্ষুণ্ণ রয়েছে বলে কবি মনে করেন?
উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কামিনী রায় প্রণীত স্মৃতিচিহ্ন নামাঙ্কিত কবিতায় যারা মনে করে বিশাল অট্টালিকা তৈরীর মধ্যে দিয়ে নিজেদের নাম এই ধরণীর বুকে রেখে যাবেন, তারা ভুল করেছেন। কেননা আর্থিক সমৃদ্ধির কারণে কোন মানুষ পৃথিবীতে নিজের নাম স্থায়ী করে রাখবেন এটা আদৌ সম্ভব নয়। তাই তাদের রাজত্ব অক্ষুন্ন থাকবে না ।
২.১০ নীরব এখানে অমর কিষাণপাড়া। – কিষাণপাড়াকে ‘অমর’ বলা হয়েছে কেন?
উত্তরঃ উদ্ধৃত কবিতাংশটি গৃহীত হয়েছে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য প্রণীত চিরদিনের কিষাণপাড়ার প্রকৃতি এবং মানুষের জীবন শান্ত। কোনোরকম ব্যস্ততা সেখানে নেই,নেই কোন কোলাহল। দুর্ভিক্ষের পরেও কিষাণপাড়ায় মানুষ আবার কাজের মধ্য দিয়ে জেগে ওঠে। নিজ নিজ পেশায় কাজ করে চলে। কোনোরকম ব্যস্ততা সেখানে নেই,নেই কোন কোলাহল। দুর্ভিক্ষের পরেও কিষাণপাড়ায় মানুষ আবার কাজের মধ্য দিয়ে জেগে ওঠে। নিজ নিজ পেশায় কাজ করে চলে। দুর্ভিক্ষের হতাশা বা বিপন্নতা এখানে জীবনকে থামিয়ে দিতে পারে না। তাই কিষাণপাড়াকে কবি অমর বলেছেন।
৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো : ৫ x ২ = ১০
৩.১ ‘জীবন হবে পদ্যময়’- জীবন কীভাবে পদ্যময় হয়ে উঠবে বলে কবি মনে করেন?
উত্তরঃ বিখ্যাত কবি অজিত দত্তের ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার কবি সমগ্র কবিতাতেই ছন্দের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন। কবির মতে পরিবেশ অহরহই ঘটে চলেছে কোনো না কোনো ঘটনা। কোন টি প্রাকৃতিক আবার কোনোটি যান্ত্রিক। কিন্তু প্রতিটি ঘটনারই রয়েছে নির্দিষ্ট ছন্দ। সঠিকভাবে আমরা মনোনিবেশ করতে পারি না তাই আমাদের জীবনে প্রকৃত আনন্দ থাকে না। একাগ্রচিত্তে কান পেতে পরিবেশের ছন্দ বুঝতে পারলে কবির মতে আমাদের জীবনটা আনন্দে পরিপূর্ণ অর্থাৎ পদ্যময় হয়ে উঠবে।
৩.২ ‘কুতুব মিনারের কথা’ রচনাংশ অনুসরণে কুতুব মিনারের নির্মাণ শৈলীর বিশিষ্টতা আলোচনা করো।
উত্তরঃ কুতুবমিনার এর পূর্ববর্তী কালীন অন্য কোন মিনারে নিদর্শন শুধুই এদেশে না ইরান তুরানেও নেই। এটি সম্রাট কুতুবউদ্দিন আইবেক নির্মিত এক বিজয় স্তম্ভ। কুতুব মিনার পাঁচতলার নির্মাণ। প্রথম তলায় আছে বাঁশি ও কোণ এর নকশা। দ্বিতীয় তলায় আছে শুধু বাঁশি আর তৃতীয় তলায় শুধু কোনের নকশা। চতুর্থ ও পঞ্চম তলা তে কি ছিল তা জানা সম্ভব নয় কারণ তা বজ্রাঘাতে ভেঙে গিয়েছিল। মিনারটির গায়ে কারুকার্য অতি অদ্ভুত। সমস্ত মিনার থেকে কোমর বন্ধন এর মতো ঘিরে রয়েছে সারি সাবি লতাপাতা ফলের মালা এবং চক্রের নকশা আর দেয়ালে আরবি লেখার সারি। গোটা মিনারটির পরিকল্পনা মুসলমানদের আর যাবতীয় কারুকাজ রয়েছে হিন্দুদের।
৪. নির্দেশ অনুসারে উত্তর দাও : ১×৫ = ৫
৪.১ ‘খাটি দেশি শব্দ’ বলতে কী বোঝ?
উত্তরঃ বাংলা ভাষাভাষীদের ভূখন্ডে অনেক আদিকাল থেকে যারা বাস করতো, সেইসব আদিবাসীদের ভাষায় যে সব শব্দ বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সে সব শব্দকে বলা হয় খাঁটি দেশি শব্দ।
৪.২ ‘তদ্ভব শব্দ’ কীভাবে গড়ে উঠেছে?
উত্তরঃ বাংলা ভাষা গঠনের সময় প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে যে সব শব্দ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছিল, সেগুলোকেই বলা হয় তদ্ভব শব্দ। তদ্ভব শব্দের মূল অবশ্যই সংস্কৃত ভাষায় থাকতে হবে। অর্থাৎ যে সব শব্দ সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃত বা অপভ্রংশে ব্যবহৃত হয়েছিলো, পরে আবার প্রাকৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকেই বলা হয় তদ্ভব শব্দ। এভাবেই তদ্ভব শব্দ গড়ে উঠেছে।
৪.৩ অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন-তৎসম শব্দের দু’টি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ কুৎসিত > কুচ্ছিত, গৃহিণী > গিন্নী, জ্যোৎস্না > জ্যোছনা
৪.৪ ‘বাঙালি পদবির ইংরেজি ধরনের উচ্চারণে হ্রস্বস্বরচিহ্ন হবে।” – উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ চ্যাটার্জি ( চ্যাটার্জী দীর্ঘকার হবে না)
৪.৫ তদ্ভব ও অর্ধ-তৎসম শব্দের পার্থক্য একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
উত্তরঃ বেশ কিছু সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বা রূপান্তরিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে তাদেরকে বলা হয় তদ্ভব শব্দ। যেমন হস্ত > হত্থ > হাত
অপরদিকে, অর্ধতৎসম মানে আধা সংস্কৃত। তৎসম শব্দ থেকে বিকৃত উচ্চারণের ফলে অর্ধতৎসম শব্দ উৎপন্ন হয়ে থাকে। অর্ধতৎসম শব্দের উদাহরণ : জ্যোৎস্না > জোছনা, শ্রাদ্ধ > ছেরাদ্দদ
৫. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : ১×৫ = ৫
৫.১ ‘ঋ, র, য এই তিন বর্ণের পরের শব্দের মধ্যে ন > ণ হয়। — প্রতিক্ষেত্রে একটি করে উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ ঋণ, বর্ণ, স্মরণ, বরণ, তৃণ, 1 রণ, বরণ, তৃণ, শীর্ণ , ঘৃণা ইত্যাদি |
৫.২ ‘পিতৃ ও মাতৃ শব্দের সঙ্গে স্বস্ শব্দের যোগ হলে স্বস্ শব্দের প্রথম স্ হয় য’। • উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ মাতুঃষ্বাসা বা মাতৃষ্বাসা [ মাতুঃ + স্বস্, মাতৃ + স্বস্ ] – এর বাংলা অর্থ হলো– মায়ের ভগিনি , মাসি |
পিতৃম্বাসা( পিতৃ + স্বস্)- এর বাংলা অর্থ হলো- বাবার ভাই- কাকু, জেঠু।
৫.৩ ভাবপ্রকাশক ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রয়োগে একটি বাক্য রচনা করো।
উত্তরঃ কনকনে শীত আমি একদম পছন্দ করি না। (এখানে কনকনে হলো ভাবপ্রকাশ ধন্যাত্মক শব্দ)।
৫.৪ শূন্যস্থান পূরণ করো : ________ > তিত >তেতো।
উত্তরঃ তিক্ত
৫.৫ বানান সংশোধন করো : পূরষ্কার
উত্তরঃ পূরষ্কার >পুরস্কার
৬. পত্র রচনা করো : ৫
তোমাদের অঞ্চলে একটি পাঠাগার স্থাপনের অনুরোধ জানিয়ে ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে একটি আবেদনপত্র লেখো।
উত্তরঃ
মাননীয়,
ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক
গ্রাম- মহেশাইল
পোস্ট- মহেশাইল
পিন নং-৭৪২২০১
বিষয়: – আমাদের অঞ্চলে পাঠাগার স্থাপনের আবেদন
মহাশয়/ মহাশয়া,
আমরা মুর্শিদাবাদ জেলা মহেশাইল গ্রামের অধিবাসীবৃন্দ। আমাদের গ্রামে বর্তমানে বেশ কিছু ক্ষেত্রে উন্নতি লাভ করেছে। এই গ্রামে সম্প্রতি একটি বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে গ্রামের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে। তাই প্রয়োজন বাড়ছে পাঠাগারের। আমাদের গ্রামে বর্তমানে কোন পাঠাগার নেই। তাই বইয়ের সন্ধানে ছেলেমেয়েদের শহরে যেতে হচ্ছে। এতে সময় যেমন নষ্ট হচ্ছে সেই রকম পড়াশোনার মান উন্নয়নেও বাধার সৃষ্টি হচ্ছে। তাছাড়া পড়াশোনার বাইরে অন্যান্য বই পড়ার সুযোগ হচ্ছে না।
তাই আপনার কাছে আমাদের একান্ত অনুরোধ এই যে, আপনি যদি অবিলম্বে আমাদের গ্রামে একটি পাঠাগার স্থাপন করেন। তাহলে আমরা বাধিত থাকব।
স্থান - মহেশাইল & মুর্শিদাবাদ
তারিখ – ২০.০৫.২১ মোতালেব
No comments:
Post a Comment