Model Activity Task Class 8 Part 8 Bengali মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 8 Part 8 বাংলা


 

Model Activity Task Class 8 Part 8 Bengali

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 8 Part 8 বাংলা

১. ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো : ১ × ৫ = ৫

১.১  ‘__________________ বিষয়ে পৃথিবীতে কোনো জাতিই আরবদিগের তুল্য নহে।‘

(ক) যুদ্ধবিগ্রহ  (খ) দয়াপ্রদর্শন  (গ) বৈরসাধন   (ঘ) আতিথেয়তা

উত্তরঃ আতিথেয়তা

১.২ ‘আমার কাছে কীরুপ আচরণ প্রত্যাশা করো?? বক্তা হলেন

(ক) সেলুকস    (খ) সেকেন্দার    (গ) পুরু    (ঘ) চন্দ্রগুপ্ত

উত্তরঃ সেকেন্দার

১.৩ ‘পশ্চিমে কুঁদরুর তরকারি দিয়ে ঠেকুয়া খায়।’ – টেনিদাকে একথা বলেছে

(ক) হাবুল সেন   (খ) ক্যাবলা   (গ) প্যালা    (ঘ) ভণ্টা

উত্তরঃ ক্যাবলা

১.৪ মাইকেল মধুসূদন দত্ত যেই জাহাজ থেকে তাঁর বন্ধু গৌরদাস বসাককে চিঠি লিখেছিলেন, সেটির নাম

(ক) ভার্সাই     (খ) সীলোন     (গ) মলটা     (ঘ) টাইটানিক

উত্তরঃ সীলোন

১.৫ কবি মৃদুল দাশগুপ্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ

(ক) এভাবে কাঁদে না  (খ) সূর্যাস্তে নির্মিত গৃহ  (গ) জলপাই কাঠের এসরাজ  (ঘ) ঝিকিমিকি ঝিরিঝিরি

উত্তরঃ জলপাই কাঠের এসরাজ

২. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২ x ১০ = ২০

২.১ ‘মান্ধাতারই আমল থেকে চলে আসছে এমনি রকম? কোন প্রসঙ্গে কবি একথা বলেছেন?

উত্তরঃ মান্ধাতার আমল অর্থাৎ অনেক প্রাচীন কাল। এই পৃথিবীতে সব মানুষ সমান নয়, ভিন্ন ভিন্ন মানুষের মনোভাব ভিন্ন ভিন্ন প্রকৃতির। তাই স্বাভাবিক পারেনা তেমনি প্রতিটি মানুষ ও সকলের কাছে সমান ভাবে প্রিয় বা পছন্দের ভাবেই প্রতিটি মানুষ যেমন যেমন অন্য সকলকে সমান ভাবে মেনে নিতে হতে পারে না এবং এই জিনিসটি প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে। সেই প্রসঙ্গেই ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় কবিৰ উদ্বৃত উক্তিটি করেছেন।

২.২ ‘আমা অপেক্ষা আপনকার ঘোরতর বিপক্ষ আর নাই।’ – বক্তার একথা বলার কারণ কী?

উত্তরঃ ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ রচনাংশের আলোচ্য অংশের বক্তা হলেন আরব সেনাপতি। আরব সেনাপতি ও মুর সেনাপতির কথোপকথনকালে যখন উভয় সেনাপতি তাদের পূর্বপুরুষের বীরত্ব এর কথা বর্ণনা করছিলেন তখন আরব সেনাপতি জানতে পারেন যে মুর সেনাপতিই তার পিতৃহন্তা। সেই প্রসঙ্গেই আরব সেনাপতি মুর সেনাপতিকে একথা বলেছিলেন।

২.৩ ‘আন্টিগোস। তোমার এই ঔদ্ধত্যের জন্য তোমায় আমার সাম্রাজ্য থেকে নির্বাসিত করলাম।’ আন্টিগোনস কোন ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে?

উত্তরঃ চন্দ্রগুপ্ত নাট্যাংশে গ্রিক সম্রাট ও সেলুকাসের কথোপকথনকালে আন্টিগোনস গুপ্তচর সন্দেহে চন্দ্রগুপ্তকে সেখানে হাজির করেন  এবং জানতে পারেন সেনাপতি সেলুকাস চন্দ্রগুপ্তকে যুদ্ধকৌশল শিক্ষা দিয়েছিলেন। এই বিষয়ে সেলুকাস ও আন্টিগোনসের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি হয় এবং সম্রাট সেকেন্দারের সামনেই আন্টিগোনস সেলুকাস এর উপর তরবারি নিক্ষেপ করেছিল। আন্টিগোনসের এই ঔদ্ধত্যের কথাই বলা হয়েছে উদ্বৃত অংশে।

২.৪ ‘তোদের মতো উল্লুকের সঙ্গে পিকনিকের আলোচনাও ঝকমারি! – কোন কথা প্রসঙ্গে টেনিদা এমন মন্তব্য করেছিল?

উত্তরঃ বনভোজন গল্পে আয়োজিত পিকনিকের জন্য মেনু তৈরীর সময় হাবুল সেন, ক্যাবলা, প্যালা ও টেনিদার মধ্যে আলোচনা চলছিল।পোলাও,ডিমের ডালনা, রুই মাছের কালিয়া, মাংসের কোর্মা, মুর্গ মুসল্লম, সামি কাবাব ইত্যাদি সুস্বাদু খাবারের সাথে কথক জুড়েছিল আলু ভাজা, শুক্তো, চচ্চড়ি, কুমড়োর ছক্কা আবার ক্যাবলা মেনুতে কুঁদরুর তরকারি দিয়ে ঠেকুয়া যোগ করার কথা বলেছিল।উক্ত সুস্বাদু খাবারগুলোর মধ্যে এই খাবারগুলো টেনিদার পছন্দ না হওয়ায় টেনিদা এরূপ মন্তব্য করেছিলেন।

২.৫ ‘কৌতূহলী দুই চোখ মেলে অবাক দৃষ্টিতে দেখে’ – চড়ুইপাখির চোখে কৌতূহল কেন?

উত্তরঃ ‘একটি চড়ুই পাখি’ কবিতায় চড়ুই পাখিটি কৌতূহলী কারণ হলো সাধারনত অট্টালিকা জনপূর্ন হয় কিন্তু কবির বাড়ি নির্জন। এই বাড়ির শূন্যতা তাকে বিস্মিত করে তোলে। আধুনিক জীবনের নিঃসঙ্গতা যেন জড়িয়ে গেছে কবির ঘরটিতে। তাই চড়ুইটি দুই চোখ মেলে অবাক দৃষ্টিতে দেখে আর মনে মনে ভাবে কবির অনুপস্থতিতে বিধাতার কৃপায় কক্ষের সবকিছুই একদিন তার হয়ে যাবে।

২.৬ ‘ছেলের কথা শুনেই বুকুর মা-র মাথায় বজ্রঘাত।’ – বুকুর কোন কথায় তার মা অতিথিদের সামনে অস্বস্তিতে পড়লেন?

উত্তরঃ আশাপূর্ণা দেবী রচিত “কি করে বুঝবো” গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।

বুকুর বাবা মা বুকুকে সব সময় শিক্ষা দিয়েছেন যে কখনো মিথ্যা কথা বলতে নেই, কোনো কথা গোপন করতে নেই। বুকু সেই মোতাবেক কাজ করেছে। ছেনু মাসীরা তাদের বাড়িতে আশায় তার বাবা বিরক্ত বোধ করলে বুকু তাদের সামনেই তা বলে দেয়। কেননা ছয় বছরের ছোট্ট শিশুটি জানে না কোন কথা গোপন করতে হয়। বুকু নির্দোষ।কারণ তাকে যেটা শেখানো হয়েছে সে সেটাই বলেছে। বুকুর এই সত্যি কথা বলার কারণে তার মা অতিথিদের সামনে অস্বস্তিতে পড়েছেন।

২.৭ ‘রমেশ অবাক হইয়া কহিল, ব্যাপার কী?’ – উত্তরে চাষিরা কী বলেছিল?

উত্তরঃ অবিরাম বৃষ্টিপাতের পর কুড়ি জন অসহায় দরিদ্র কৃষক তাদের কণ্ঠে কেঁদে পড়ল। তাদের কান্না শুনে রমেশবাবু জিজ্ঞেস করেছিলেন ব্যাপার কি? তখন চাষিরা জানিয়েছিল। তাদের ১০০ বিঘা মাঠ জলে ডুবে গেছে, জল বার না করলে সমস্ত ধান নষ্ট হয়ে যাবে এবং অনাহারে তাদের মৃত্যুবরণ করতে হবে।

২.৮ ‘গাছের জীবন মানুষের জীবনের ছায়ামাত্র।’ – লেখকের এমন মন্তব্যের কারণ কী?

উত্তরঃ গাছের কথা প্রবন্ধে জগদীশচন্দ্র বসু বলেছেন গাছপালা কে ভালবাসতে শিখে তিনি অনুভব করেছেন যে, মানুষের মতোই গাছেরাও আহার করে, দিনে দিনে বাড়ে, মানুষের মতো তাদেরও অভাব তাদেরও দুঃখ কষ্ট আছে, জীবনধারণের জন্য সদা ব্যস্ত আছে এবং কি মানুষের মায়ের মতোই প্রয়োজনের সন্তানের জন্য জীবন ত্যাগও গাছের মধ্যে দেখা যায়। এগুলি অনুভব করেই লেখক উক্ত মন্তব্যটি করেছেন।

২.৯ ‘তবু নেই, সে তো নেই, নেই রে’ – কী না থাকার যন্ত্রণা পঙ্ক্তিটিতে মর্মরিত হয়ে উঠেছে?

উত্তরঃ কবি বুদ্ধদেব বসু রচিত হাওয়ার গান কবিতায় হাওয়া নিজের বাসস্থানের খোঁজে সারা পৃথিবী ঘুরে বেড়ায়, কিন্তু কোথাও তার নিজের বাসস্থান খুঁজে পায় না। এখানে হওয়ার নিজস্ব বাসভূমি না থাকার যন্ত্রণার চিত্র ফুটে উঠেছে।

২.১০ ‘ছন্দহীন বুনো চালতার’ ‘বুনো চালতা’কে ছন্দহীন বলা হয়েছে কেন?

উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ রচিত ‘পাড়াগাঁর দু-পহর ভালোবাসি কবিতায় বুনো চালতার গাছকে দ্বন্দ্বহীন বলেছেন, কারণ বুনো চালতা গাছ বহুদিন ধরে একই রকম ভাবে স্থির অবস্থায় তার শাখা-প্রশাখা গুলি নত করে রয়েছে। এই গাছে বহুদিন যাবত কোন চাঞ্চল্য লক্ষ করা যায়নি।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো : ৫ x ২ = ১০

৩.১ ‘পরবাসী’ কবিতায় শেষ চারটি পঙ্ক্তিতে কবির প্রশ্নবাচক বাক্য ব্যবহার করার তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ কবি বিষ্ণু দে র লেখা ‘পরবাসী’ কবিতার শেষের স্তবকের চারটি পঙক্তিতেই কবি জিজ্ঞাসচিহ্ন ব্যবহার করেছেন। সেখানে কবি বলেছেন- মানুষের এই অসহায়তার কারণ কী, প্রকৃতি জগতকে কেন ছোটো করে দেখা হয়, কেনই বা মানুষ মৌন হয়ে আছে। বাসস্থান নির্মাণের আশায় মানুষের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘুরে বেড়ানোর কথা এবং সবশেষে কবি নিজেকেই পরবাসী রূপে চিহ্নিত করে বলেছেন তিনি কবে নিজের বাসযোগ্য একটি ভূমি পাবেন। উক্ত এই প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর কবির জানা থাকলেও তিনি প্রশ্ন করেছেন যার মধ্য দিয়ে কবির প্রতিবাদী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে।

৩.২ ‘আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প’— গল্পটি বিবৃত করো।

উত্তরঃ গল্পটি হলো- নাটোরে বাংলা ভাষার প্রচলনের উদ্দেশ্যে একটি প্রাদেশিক সম্মেলন এর। নাটোরের মহারাজার নিমন্ত্রণে লেখক অবনীন্দ্রনাথ, তাঁর কাকা রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্যদের সাথে গিয়েছিলেন সেখানে। সম্মেলন 

শুরু হলে অবনীন্দ্রনাথ ও তাঁর সঙ্গীরা বাংলা ভাষায় সম্মেলন করতে চাইলে ইংরেজি ভাষায় বক্তৃতা অনেকেই প্রত্যাখ্যান করেন। শেষে লালমোহন ঘোষ বাংলা ভাষায় বক্তৃতা দেন এবং বাংলা ভাষার লড়াই প্রাথমিক ভাবে শেষ হয়।

৪. নির্দেশ অনুসারে উত্তর দাও :

৪.১ দল বিশ্লেষণ করে দল চিহ্নিত করো : ১ x ৫=৫

ইস্টিশান, বাগুইআটি, দর্শনমাত্র, ক্ষিপ্রহস্ত, অদ্ভুতরকম

উত্তরঃ ইস্টিশানঃ ইস্ – টি – শন্ (রুদ্ধ দল – মুক্ত দল – রুদ্ধ দল)

বাগুইআটিঃ বা – গুই  – আ – টি(মুক্ত দল- রুদ্ধ দল-মুক্ত দল-যুক্ত দল)

দর্শনমাত্র: দর্ -শন্- মাত্- র(রুদ্ধ দল- রুদ্ধ দল- রুদ্ধ দল- মুক্ত দল)

ক্ষিপ্রহস্তঃ ক্ষিপ্ – রো – হস্ – তো (রুদ্ধ দল -যুক্ত দল -রুদ্ধ দল-মুক্ত দল)

অদ্ভুতরকমঃ অদ্ – ভুত্ – র – কম্( রুদ্ধ দল-রুদ্ধ দল-মুক্ত দল-রুদ্ধ দল)

৪.২ উদাহরণ দাও : ১ x ৫=৫

মধ্যস্বরাগম, স্বরভক্তি, অঃস্থ য়-শ্রুতি, অন্ত্যস্বরলোপ, অন্যোন্য স্বরসংগতি

উত্তরঃ

মধ্যস্বরাগম- কর্ম > করম, স্বপ্ন> স্বপন

স্বরভক্তি – বর্ষা> বরষা, বর্গ> বরগ

অন্তঃস্থ-য় শ্রুতি- চা-এর > চায়ের, রেডিও > রেডিয়ো

অন্ত্যস্বরলোপ-হাতিশালা > হাতিশাল, বন্যা > বান

অন্যোন্য স্বরসংগতি- যোগ্য > যুগ্যি, মোজা > মুজো।

৫. বন্যার প্রকোপে গ্রামের বহু কৃষিজমি নদীর গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে নদীর পাড়গুলির স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। এ – বিষয়ে সংবাদপত্রের সম্পাদকের কাছে একটি চিঠি লেখো। ৫

উত্তরঃ

মাননীয় সম্পাদক মহাশয় সমীপেষু,

বর্তমান পত্রিকা

৬, জে. বি. এস. হলডেন আভিনিউ,

কোলকাতা ৭০০১০৫ 

বিষয়- বন্যার প্রকোপে গ্রামের কৃষিজমি নদীর গ্রাসে হারিয়ে যাওয়াজনিত সমস্যা।

সবিনয় নিবেদন,

আমি মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত একটি প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দা। এই গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে সুবিশাল গঙ্গা নদী। বন্যার সময় নদীটি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। নদীটির পাড় বাঁধানো না হওয়ায় প্রবল বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে নদীর দুই পাড় ভেঙে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের কৃষিজমি প্লাবিত হয়। নষ্ট হয়ে যায় বিঘার পর বিঘা জমির ফসল এবং বন্যা পরবর্তী সময়ে জমিগুলো আর চাষযোগ্য থাকে না। বারবার এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষ দুর্দশার শিকার হচ্ছেন। নদীপাড়ের স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েতে জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই এই কাজে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি। আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ উক্ত বিষয়টির জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করলে বাধিত থাকব।

ধন্যবাদান্তে

মোতালেব

No comments:

Post a Comment