Model Activity Task Class 8 Part 8 Science
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 8 Part 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান
১. ঠিক উত্তর নির্বাচন করো : ১ × ৬ = ৬
১.১ চাপের SI একক হলো –
(ক) নিউটন
(খ) নিউটন বর্গমিটার
(গ) নিউটন/বর্গমিটার
(ঘ) নিউটন/বর্গমিটার
উত্তরঃ (গ) নিউটন/বর্গমিটার
১.২ আইসোবারদের ক্ষেত্রে নীচের যে কথাটি ঠিক তা হলো এদের –
(ক) ভর সমান
(খ) প্রোটনসংখ্যা সমান
(গ) নিউট্রনসংখ্যা সমান
(ঘ) ভরসংখ্যা সমান
উত্তরঃ (ঘ) ভরসংখ্যা সমান
১.৩ যে কোশীয় অঙ্গাণুর মধ্যে পুরোনো জীর্ণ কোশকে ধ্বংস করার জন্য নানা ধরনের উৎসেচক থাকে তা হলো
(ক) মাইটোকনড্রিয়া
(খ) রাইবোজোম
(গ) নিউক্লিয়াস
(ঘ) লাইসোজোম
উত্তরঃ (ঘ) লাইসোজোম
১.৪ যেটি তড়িৎবিশ্লেষ্য নয় সেটি হলো –
(ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
(খ) অ্যামোনিয়াম সালফেট
(গ) গ্লুকোজ
(ঘ)অ্যাসেটিক অ্যাসিড
উত্তরঃ (গ) গ্লুকোজ
১.৫ ডিম পোনা প্রতিপালন করা হয় যেখানে সেটি হলো
(ক) সঞ্চয়ী পুকুর
(খ) হ্যাচারি
(গ) পালন পুকুর
(ঘ) আঁতুর
উত্তরঃ (ঘ) আঁতুর
১.৬ মৌমাছিদের জীবনে চারটি দশার সঠিক ক্রমটি হলো
(ক) ডিম → পিউপা → লার্ভা → পূর্ণাঙ্গ
(খ) ডিম লার্ভা → পূর্ণাঙ্গ → পিউপা
(গ) ডিম → লার্ভা → পিউপা → পূর্ণাঙ্গ
(ঘ) ডিম → পূর্ণাঙ্গ → লার্ভা → পিউপা
উত্তরঃ (গ) ডিম → লার্ভা → পিউপা → পূর্ণাঙ্গ
২. শূন্যস্থান পূরণ করো : ১ × ৩ = ৩
২.১ কোনো কঠিন অনুঘটককে গুঁড়ো করা হলে তার পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল _________________ যায়।
উত্তরঃ বেড়ে
২.২ ___________________ কম্পনই বজ্রপাতের সময় শব্দ উৎপন্ন করে।
উত্তরঃ বায়ুর
২.৩ ____________________ উপস্থিতির জন্য চা পানে শরীরে উদ্দীপনা আসে।
উত্তরঃ ক্যাফিনের
৩. ঠিক বাক্যের পাশে
আর ভুল বাক্যের পাশে ‘x’ চিহ্ন দাও : ১ × ৩ = ৩
৩.১ স্প্রিং তুলার সাহায্যে বস্তুর ওজন মাপা হয়।
উত্তরঃ ![]()
৩.২ জারণ ও বিজারণ বিক্রিয়া সবসময় একসঙ্গে ঘটে।
উত্তরঃ ![]()
৩.৩ সবুজ চায়ে ভিটামিন K পাওয়া যায়।
উত্তরঃ ![]()
৪. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ১ × ৬ = ৬
৪.১ এক কিলোগ্রাম ভরের বস্তুকে পৃথিবী কত পরিমাণ বল দিয়ে আকর্ষণ করে ?
উত্তরঃ এক কিলোগ্রাম ভরের বস্তূকে পৃথিবী (1×9.8 ) নিউটন = 9.8 নিউটন বল দিয়ে আকর্ষণ করে।
৪.২ লঘু অ্যাসিড থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস মুক্ত করার ক্রমহ্রাসমান প্রবণতা অনুসারে কয়েকটি ধাতুকে সাজিয়ে দেওয়া হলো – Na, Fe, (H), Cu, Au । এই তথ্য থেকে সবচেয়ে তড়িৎধনাত্মক ধাতুটিকে চিহ্নিত করো।
উত্তরঃ সবচেয়ে তড়িৎ ধনাত্বক ধাতু হল Na ( সোডিয়াম)
৪.৩ চোখের রেটিনায় উপস্থিত কোন কোশ মৃদু আলোয় দর্শনে সাহায্য করে ?
উত্তরঃ চোখের রেটিনায় উপস্থিত রড কোশ মৃদু আলোয় দর্শনে সাহায্য করে।
৪.৪ আলুর যে এনজাইম হাইড্রোজেন পারক্সাইডকে জল ও অক্সিজেনে ভেঙে ফেলে তার নাম লেখো।
উত্তরঃ আলুর যে এজাইম ইড্রোজেন পারক্সাইডকে জল ও অক্সিজেনের ভেঙে ফেলে তার নাম হল ক্যাটালেজ
৪.৫ বায়ুর মধ্যে দিয়ে তড়িৎচলাচল ঘটা সম্ভব কীসের জন্য ?
উত্তরঃ বায়ুর মধ্যে জলীয়বাষ্প থাকলে বা বায়ুর আর্দ্রতা বেশি হলে বায়ুর মধ্যে দিয়ে তড়িৎচলাচল ঘটা সম্ভব
৪.৬ মুরগী পালনের একটি আধুনিক পদ্ধতি হলো ‘ডিপ-লিটার’। ‘লিটার’ কী ?
উত্তরঃ খর, বিচালি, শুকনো পাতা, কাঠের গুঁড়ো, ধান, তুলে আর জবের তুষ, ভুট্টা, আমের খোলা প্রভৃতি দিয়ে ঘরের মেঝেতে প্রস্তুত পোল্ট্রি পাখির বিশেষ ধরনের শয্যাকে লিটার বলে।
৫. একটি বা দুটি বাক্যে উত্তর দাও : ২ × ৭ = ১৪
৫.১ কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক রূপটি লেখো এবং K রাশিটির SI একক উল্লেখ করো।

৫.২ খুব শুকনো ও ঠান্ডা পরিবেশে বসবাসকারী প্রাণীদের দেহে কী কী বিশেষ বৈশিষ্ট্য দেখা যায় ?
উত্তরঃ খুব শুকনো ও ঠান্ডা পরিবেশে বসবাস কারী প্রাণীদের দেহে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য দেখা যায় খুব সুন্দর ঠাণ্ডা পরিবেশে বসবাসকারী প্রাণীদের কৌশিক অ্যান্টিফ্রিজ প্রোটিন থাকে । এই প্রোটিন কোষীয় তরলে বরফের কেলাস তৈরিতে বাধা দেয় ।
(ii) অনেক প্রাণীর ত্বক চর্বি জমার কারণে অপেক্ষাকৃত পুরু হয়।
(i) এছাড়াও তাপ সংরক্ষণ এর প্রয়োজনে এদের ফ্যাট সঞ্চয়কারী কোষের প্রাচুর্য থাকে।
(iii) প্রাণীর পিঠে কুঁজে চর্বি সঞ্চিত থাকে।
(iv) অনেক প্রাণীর চোখের পাতা স্বচ্ছ হয় ।
(v ) অনেক সময় এই সব পরিবেশের প্রাণীরা প্রয়োজন মত নাকের ফুটো বন্ধ করতে ও খুলতে পারে।
৫.৩ উষতা বৃদ্ধিতে বেশিরভাগ রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায় কেন ?
উত্তরঃ কোন রাসায়নিক বিক্রিয়ার উষ্ণতা বৃদ্ধি করলে বিক্রিয়ক সমূহের গতিশক্তি বেড়ে যায়। যার কারনে বিক্রিয়ক অণু গুলির মধ্যে সংঘর্ষের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায়
৫.৪ ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগে কী কী লক্ষণ দেখা যায় ?
উত্তরঃ ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের লক্ষণ গুলি হলো, – জ্বর, নাক দিয়ে জল পড়া, গলা ব্যাথা, পেশীতে ব্যাথা, মাথাব্যাথা, কাশি, অবষাদগ্রস্থতা।
৫.৫ জলে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের দ্রবীভূত হওয়া যে তাপগ্রাহী পরিবর্তন তা কী করে বুঝবে ?
উত্তরঃ একটি টেস্ট টিউবের মধ্যে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডকে জলে দ্রবীভূত করা হলে দেখা যাবে যে টেস্ট টিউবের বাইরের গায়ে ফোঁটা ফোঁটা করে জল জমেছে। এই পর্যবেক্ষণের দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, জলে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের দ্রবীভূত হওয়ার ফলে পরিবেশ থেকে তাপ শোষিত হয়েছে অর্থাৎ একটি তাপগ্রাহী পরিবর্তন
৫.৬ যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ কী কী ?
উত্তরঃ যক্ষ্মা রোগের লক্ষণগুলি হলো :
(i) ভয়াবহ কাশি ও তার সাথে রক্ত পড়া, রাতের দিকে কষ্ট বাড়ে ।
(ii) প্রচন্ড ঘাম হয়, ওজন ক্রমশ কমতে থাকে ।
৫.৭ কোশপর্দার গঠন ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ 1. বিজ্ঞানী ডাভসন ও ড্যানিয়েলি (1935) এর মতে কোশপর্দার গঠন প্রোটিন-লিপিড-প্রোটিন নির্মিত ত্রিস্তর বিশিষ্ট।
2. এই স্যান্ডউইচ মডেল অনুযায়ী কোষ পর্দা গড়ে প্রায় 75A° পুরু, যার মাঝের লিপিড স্তরটি 35A° এবং এর দুদিকে প্রতিটি প্রোটিন স্তরের পুরুত্ব প্রায় 20-25A* ।
3. পরবর্তীকালে বিজ্ঞানী রবার্টসন (1959) কোশপর্দার এরূপ গঠন সমস্ত সজীব কোশ ও কোশীয় অঙ্গাণুর ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ করেন বলে একে একক পর্দা রূপে অভিহিত করেন।
4. বিজ্ঞানী সিঙ্গার ও নিকলসন (1972) কোশপর্দার গঠনকে ফ্লুইড মোজেইক মডেল রুপে বর্ণনা করেন। তাদের মতে কোশপর্দার মাঝখানে থাকে দ্বিস্তরীয় ফসফোলিপিড স্তর এবং লিপিড স্তরের মধ্যে মোজেইক দানার মতো অন্তঃস্থ প্রোটিন ও বহিস্থ প্রোটিনগুলি প্রোথিত থাকে। কোশপর্দার এই গঠনটি বর্তমানে সর্বজনগৃহীত হয়েছে।
৬. তিন-চারটি বাক্যে উত্তর দাও : ৩ × ৬ = ১৮
৬.১ সমযোজী বন্ধন দিয়ে গঠিত জল, মিথেন এবং অ্যামোনিয়া অণুর প্রাথমিক গঠন কীরকমের তা এঁকে দেখাও।
উত্তরঃ

৬.২ এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকার গঠন ও কাজ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকার গঠন : গঠনগত দিক থেকে তিন ধরনের এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকার আছে। যথা:
(i) সিস্টারনি : এই প্রকার এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা সাধারনত চ্যাপ্টা,শাখাহীন থলির মতো হয়। সিস্টারনি গুলো কোষের সাইটোপ্লাজমের ভিতর সমান্তরাল ভাবে বিন্যাস্ত থাকে । এই প্রকার এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা এর গায়ে রাইবোজোম দানা থাকতেই পারে।
(ii) ভেসিকল : এরা গহ্বরের ন্যায় পর্দাবেষ্টিত অঙ্গানু।
(iii) টিউবিউল : এগুলি শাখাবিসিস্ট নালিকাসদৃশ কোষ। এগুলো মসৃণ হয় কারণ এদের গাত্রে রাইবোজম থাকে না।
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকিউলাম এর কাজ : এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকিউলাম এর প্রধান কাজ গুলি হল
(i) কোশের সাইটোপ্লাজমের মাঝে প্রাচীর স্বরূপ সাইটোপ্লাজমকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করে।
(ii) প্রোটোপ্লাজমকে যান্ত্রিক দৃঢ়তা প্রদান করে।
(iii) অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা প্রোটিন সংশ্লেষ করেে
(iv) মসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা ফ্যাট সংশ্লেষ করে।
(v) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকিউলাম কোষ প্রাচীর নির্মাণে সহায়তা করে।
(vi) এটি কোষের মধ্যেকার বিষাক্ত পদার্থকে নিষ্ক্রিয় করে।
৬.৩ তামার আপেক্ষিক তাপ 0.09 cal/g°C । 70 গ্রাম ভরের তামার টুকরোর উষ্ণতা 20°C বৃদ্ধি করতে হলে কত পরিমাণ তাপ লাগবে তা নির্ণয় করো।
উত্তরঃ

৬.৪ “জৈব সার অজৈব সারের চেয়ে ভালো” – বক্তব্যটির যথার্থতা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ জৈব সার অজৈব সারের চেয়ে ভালো বক্তব্যটির কারণ,
(i) রাসায়নিকের কুপ্রভাব থেকে মাটিকে সুরক্ষা প্রদান : কয়েক বছর ধরে পুনঃপুনঃ রাসায়নিক সার ব্যবহারে মাটির গুণমানতা হ্রাস হয়। কিন্তু জৈব সার মাটির অম্লত্ব ও ক্ষারত্বের নিয়ন্ত্রণে সাহায্য কাজ করে এবং মাটির সহনশীলতা বৃদ্ধি করে।
(ii) নিরাপদ : জৈব সার ব্যবহারে উৎপাদিত ফসল হয় স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ।
(iii) মাটির জলধারণ বৃদ্ধি : জৈব সার মাটিতে হিউমাস এর পরিমাণ বৃদ্ধি করে ফলে মাটির জলধারণ ক্ষমতা বেড়ে যায়।
(iv) অণুজীবের বৃদ্ধি : জৈব সার ব্যবহারে মাটির উপকারী অণুজীবের কার্যকলাপ বেড়ে যায় এবং এদের বংশ বিস্তারেও তা সহায়ক হয়।
(v) কম খরচ : কম খরচে শস্যে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করে কৃষকদের অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব।
৬.৫ কোনো তরলের বাষ্পায়নের হার কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে ?
উত্তরঃ কোনো তরলের বাষ্পায়নের হার নির্ভর করে:
(i) ভরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল : তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল যত বাড়ে তরল তত তাড়াতাড়ি বাষ্পে পরিণত হয় অর্থাৎ বাষ্পায়নের হার বাড়ে
(ii) তরলের প্রকৃতি : বিভিন্ন তরলের বাষ্পায়নের হার বিভিন্ন । তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়নের হার বেশি হয়। উদ্বায়ী তরলের বাম্পায়নের হার সর্বাধিক হয়
(iii) তরলের ওপর চাপ : তরলের ওপর বায়ুমন্ডলের চাপ বাড়লে বাষ্পায়নের হার কমে যায় চাপ কমলে বাষ্পায়নের হার বাড়ে।
(iv) তরল ও তরল-সংলগ্ন বায়ুর উষ্ণতা : তরল ও তরল-সংলগ্ন বায়ুর উষ্ণতা বাড়লে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়।
৬.৬ কীভাবে কৃত্রিম পদ্ধতিতে মাছের ডিমপোনা তৈরি করা হয় ?
উত্তরঃ এই পদ্ধতিতে প্রতিটি সুস্থ, সবল স্ত্রী মাছের জন্য দুটি সুস্থ সবল পুরুষ মাছ নেওয়া হয় । এরপর মাছের পিটুইটারি গ্রন্থির নির্যাস নিয়ে ওই বাছাই করা মাছদের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ইনজেকশন হয় । এর ফলে স্ত্রী মাছ ডিম ও পুরুষ মাছ শুক্রাণু নিঃসরণ করে । এরপর এই শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন ঘটিয়ে ডিমপোনা তৈরী করা হয়। এরপর ডিমপোনাগুলিকে সংগ্রহ করে আঁতুড় পুকুরে স্থানান্তরিত করা হয়। এভাবেই কৃত্রিম পদ্ধতিতে মাছের ডিমপোনা তৈরী করা হয়ে থাকে।
No comments:
Post a Comment