গাধাকে সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা কী বললেন : 💌শিক্ষনিয় কিছু কথা,🙏

💌শিক্ষনিয় কিছু কথা,🙏✨  গাধাকে সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা বললেন : "তুই আজীবন কঠোর পরিশ্রম করবি, অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি। তোর মাথায় কোনো বুদ্ধিও থাকবেনা। তোকে আয়ু দিলাম ৫০ বছর। 
👉 গাধা : সে কি !! এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন বাঁচতে চাইনা। প্লিজ, আমার আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন। 
👉 সৃষ্টিকর্তা : যাহ, তাই দিলাম। 
👉 কুকুরকে বললেন : "তুই হবি মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু, কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বেঁচে থাকবি। তোর আয়ু হবে ৩০ বছর।" শুনে, কুকুর বলল : দয়া করে একটু শর্ট করে ঐটা ১৫ করান। এতদিন বাঁচতে চাইনা। এইবারও রাজি হয়ে গেলেন। 
👉 এরপর উনি বানরকে বললেন : "হে বানর, তোর একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক গাছে যাওয়া, আর তামশা দেখিয়ে মানুষকে বিনোদন দেওয়া। তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর। 
👉 সে আবেগে কেঁদে বলল : দিবেনই যখন ১০ বছর দেন, আমি এত বড় জীবন দিয়ে কি করব??
👉 এইবার মানুষকে বলল : "তুমি হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ। তোমার আয়ুও হবে ২০ বছর।" সে তো খুশিতে পাগল হয়ে গেল,কিন্তু এত মহত জীবন নিয়ে মাত্র ২০বছর?? 
👉 সে করজোরে প্রভুকে বলল : একটা কাজ করা যায়না?আপনি আমাকে গাধার ফেরত দেওয়া ৩০ বছর, কুকুরের ১৫ বছর, বানরের ১০ বছর দিয়ে দেন। 
👉 সৃষ্টিকর্তা বললেন : নিজের ভালো পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না। যাহ, দিলাম। 
সেই থেকে মানুষ সুন্দর ভাবে বাঁচে ২০ বছর, পরের ৩০ বছর গাধার মত সংসারের বোঝা টানে, তার পরের ১৫ বছর ছেলে মেয়ে যা দেয় তাই খেয়ে পরে বেঁচে থাকে কুকুরের মতো, আর তার পরের দশ বছর বানরের মত, কখনো এক সন্তানের বাসা তো কখনো আরেক সন্তানের বাসায় ঘোরে আর নাতি নাতনিদের বিনোদন দেওয়াই হয় তাদের প্রধান দায়িত্ব।

ভালো ছাত্র হবেন যেভাবে কী করে জেনে নিন ক্লিক করে..

ভালো ছাত্র হবেন যেভাবে 
একদিকে ঝড়ের গতিতে পড়ে যাচ্ছেন আর আরেকদিকে ঠিক একইভাবে ভুলেও যাচ্ছেন। পড়াশোনার ক্ষেত্রে এমন সমস্যায় পড়েননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীদের এই একটি বিষয় নিয়ে হা-হুতাশ করতে শোনা যায় যে তারা পড়া পড়ে মনে রাখতে পারেন না। এক্ষেত্রে আপনাদের এই হা-হুতাশ দূর করতে কিছু টিপস প্রদান করা হল।পড়ালেখা মনে রাখার টেকনিক
০১। পড়ার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুনঃ
আপনি যা পড়ছেন সেই বিষয়ের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুন। নিজে নিজেকে প্রশ্ন করুন ও পড়ার ভেতর থেকে উত্তর ও নিজেই খুঁজে বের করুন। যখনই আপনি কোনো বিষয়ে পড়তে গিয়ে ঘটনার কারণ ও ফলাফল সম্পর্কে নিজে থেকে জানার চেষ্টা করবেন তখন সেই পড়া আপনার ভেতর খুব পাকাপোক্তভাবে বসে যাবে। তাই সহজে আপনার মন থেকে পড়া হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি কমে যায়।
০২। নোট করে করে পড়ুনঃ
একটানা কোনো বিষয় পড়ে না গিয়ে বরং ছোট ছোট অংশে ভেঙে ভেঙে বা অল্প করে করে পড়ুন। এক নাগারে কোনো বিষয়ে পড়ে গেলে আপনার ভুলে যাওয়ার সুযোগ থাকে, তাই ছোট ছোট অংশে ভেঙে বা নোট করে পড়লে আপনার স্মৃতিতে তা ভালোভাবে আটকে যায় আর ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
০৩। যা পড়ছেন তা কল্পনা করার চেষ্টা করুনঃ
আপনি যে বিষয়ে পড়ছেন ভা যে ঘটনা সম্পর্কে পড়ছেন সেটা নিজে নিজে কল্পনা করার একটা চেষ্টা করে দেখুন। যদি আপনি কোনো যুদ্ধ সম্পর্কে পড়তে বসেন তাহলে নিজেকে যুদ্ধ ময়দানে কল্পনা করুন, ভাবুন কেন আপনি যুদ্ধে এসেছেন আর কি নিয়েই বা এই যুদ্ধ। দেখবেন পড়ার বিষয়বস্তু আপনার মস্তিস্কে একটি স্থায়ী জায়গা দখল করে থাকবে।
০৪। একটু ব্যতিক্রম ঘটনায় বাড়তি মনোযোগ দিনঃ
কোনো বিষয়ে পড়তে গিয়ে হয়তো আপনার সামনে অন্য রকম কাহিনী বা ঘটনা সম্পর্কিত আলোচনা আসবে, কারণ সবটাই আপনার জানা বিষয় সম্পর্কিত আলোচনা সামনে পড়বেনা এমনটাই কাম্য। তাই এইসব সময়ে আপনি আপনার আলোচ্য বিষয়বস্তুতে বাড়তি মনোযোগ প্রদান করুন। আপনার একটু বাড়তি দেখাশোনা পড়া মনে রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
০৫। অনুশীলন করুনঃ
আপনার মুখস্ত পড়া মনে রাখতে বার বার সেটি অনুশীলন করুন। সব থেকে ভালো হয় যদি আপনার আলোচ্য বিষয় পড়ার পাশাপাশি একটু একটু লিখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। যেকোনো বিষয় পড়ার সাথে সাথে লিখতে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই বার বার পড়া বিষয় অনুশীলন করুন।
০৬। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিনঃ
আপনি যদি ভেবে থাকেন শুধু একটানা পড়ে গেলেই পড়া বিষয় আপনার মনে থাকবে তাহলে ভুল করবেন। বরং পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিরতি নিন, আর বিরতির পর আগের পড়াগুলো মনে মনে আওড়ানোর চেষ্টা করুন। এভাবে পড়লে দেখবেন আপনার স্মরণশক্তি এমনিতেই বাড়বে।
সবার মেধা সমান নয় আর একইভাবে একই কায়দায় পড়লে সবায় তা মনে রাখতে পারবে এটাও সম্ভব নয়। তাই নিজে নিজে পড়া মনে রাখার নতুন নতুন কৌশল আয়ত্ত করুন।
সঠিক নিয়মে পড়ালেখার টেকনিক
পড়া বুঝে মনে রাখার সহজ উপায়টা কী? মুখস্থবিদ্যা কোনো সমাধান না, আর মুখস্থ করা মানে সেটা বোঝা, মনে রাখা কোনোটাই না। কোনো কিছু পড়ে সহজে সেটা মনে রাখতে হলে আপনাকে স্মৃতি গড়ার কায়দা জানতে হবে।
পরিচিত অনেক ছাত্রকেই দেখবেন, একবার পড়লেই মনে রাখতে পারে, সেখানে আপনি হয়তো ঘন্টার পর ঘণ্টা ঘষটে ঘষটেও কিছু মনে রাখতে পারছেন না।
তাহলে কায়দাটা কী? আঁতেল ভালো ছাত্র কাউকে জিজ্ঞেস করলে বলবেনা হয়তো তাদের গোপন রহস্য, তাই এই লেখা থেকে জেনে নিন সেটা।
০১। পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী।
০২। বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।
০৩। দেখা, দেখতে পারা ~ কোনো জিনিস মনে রাখতে হলে সেটা দেখা অথবা কল্পনায় করাটা দরকারী। ধরা যাক, মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামল মনে রাখতে হবে। বিরক্তিকর সব জিনিষ তোতাপাখির মতো মুখস্থ করার চাইতে চোখ বুঁজে একবার সম্রাট আকবরকে কল্পনা করেন, হাতির পিঠে বসে মোগলাই পরোটা খেতে খেতে কটকটে হলুদ পাঞ্জাবি পরা হিমুর সাথে যুদ্ধ করছে। পানিপথের যুদ্ধ আর তোতার মতো মুখস্থ করা লাগবেনা, এই দৃশ্যটা মনে করলেই বাকিটা মনে থাকবে আপনার।
০৪। সম্পর্ক — কোনোকিছু পড়ার পরে সেটার সাথে আপনার পরিচিত কিছুর সম্পর্কটা চিন্তা করে নিন। যেমন ধরেন বয়েলের সূত্র দিয়ে গ্যাসের গতিবিধির তত্ত্ব মনে রাখতে হবে। বয়েল এর নামটা বয়লারের মতো, তাই না? আবার অনেকটা কয়েলের মতো লাগে। কয়েল থেকে ধোয়া টাইপের গ্যাস বের হয়, তাই না? এভাবে যেটাই পড়বেন, পরিচিত কিছুর সাথে সম্পর্ক বের করেন। আবার যেগুলা পড়ছেন, তাদের নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক বের করেন।
০৫। একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন। কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দু-ঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে।
০৬। পড়ুন, লিখুন, আঁকুন, মনে রাখুন – ১০ মিনিটের বেশি কিছু পড়বেন না।১০ মিনিট পড়ার পরে যেটা পড়লেন, সেটাকে লিখে ফেলেন, অথবা সেটা নিয়ে ছবি আঁকেন। চিন্তার কিছু নাই, ছবি আঁকতে না পারলেও কাকের ঠ্যাং মার্কা কিছু আঁকেন। তার পর পরের পড়ায় যান। কারণ মনে কিছু ঢোকার পরে সেটা যদি লেখার মাধ্যমে হাতে না আনেন, তাহলে মন থেকে কান দিয়ে সেটা বেরিয়ে পালাবেই। তাই পড়া, লেখা, মনে রাখা, এই চক্রে পড়ার অভ্যাস করেন, সহজেই মনে থাকবে সবকিছু।
০৭। অল্প অল্পেও অনেক – একবারে গাছের আগায় উঠা যায় না। তাই একগাদা জিনিষ একবারে এক দফায় না পড়ে অল্প অল্প করে পড়েন। মনের জগতে ওভারডোজ সহ্য হয় না।
০৮। এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে এক ঘণ্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন। পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন।
০৯। মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে। টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দুই ফুট হওয়া উচিৎ।
১০। পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।
১১। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন।
১২। টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক।
১৩। যেখানে আপনি পড়তে কমফোর্ট ফিল করবেন, সেখানেই পড়বেন। সবসময় একই জায়গায় বা পরিবেশে পড়ার চেষ্টা করবেন।
১৪। এমন জায়গায় পড়তে বসুন যেখানে আপনি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারবেন।
কীভাবে আপনার মনে রাখার ক্ষমতাকে বাড়াবেন?
০১। প্রথমত, যা আপনি মনে রাখতে চান তা মনোযোগ দিয়ে ধীরে ধীরে পড়ুন এমন ভাবে পড়বেন যেন নিজের কানে স্পষ্ট শুনুতে পান।কি পরছেন তা বুঝার চেষ্টা করুন … প্রথমবারে বুঝতে না পারলে পুনরায় পড়ুন … যে শব্দ বুঝতে পারছেন না তা দাগান সেইগুলোর অর্থ জানা না থাকলে তা খুঁজে জেনে নিন ।
০২। একই সময় যদি একটা বিষয়েই মনোযোগ দেন তাহলে এটা সহজ হবে। যে তথ্যগুলো মনে রাখতে চান সেগুলোকে নির্দিষ্ট করুন এবং শুধু তাতেই মনোযোগ দিন। যেমন, বইয়ের যে তথ্যগুলো আপনি নতুন দেখছেন বা কঠিন মনে হচ্ছে সেগুলোই হবে আপনার মনোযোগের বিষয়।
০৩। একটি বিষয়কে আপনি যত ভিন্ন দৃষ্টিকোণ এবং ব্যাখ্যা থেকে বুঝবেন তত এটি আপনার মনে রাখা সহজ হবে। যত পুরনো জানা তথ্যের সঙ্গে মিল-অমিল চিন্তা করবেন, তত আপনার মনে থাকবে।
০৪। যা মনে রাখতে চান, তাকে একটি পূর্ণাঙ্গ কাঠামোয় রূপান্তরিত করুন। আংশিক না করে বিষয়টি পুরোপুরি শিখতে বা বুঝতে চেষ্টা করুন। মনে রাখার ক্ষেত্রে ছবির ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই কোনো জটিল বা ব্যাপক বিষয়কে ছবি, চার্ট বা ডায়াগ্রামে সাজিয়ে নিন।
০৫। মনে রাখার জন্যে প্রথমবার পড়ার দুই/এক দিনের মধ্যেই পড়াকে রিভাইজ করুন।
০৬। এছাড়া তৈরি করতে পারেন মনে রাখার নানা ছন্দ। যেমন, মোঘল সাম্রাজ্যের পরম্পরা বোঝাতে ‘বাবার হইলো একবার জ্বর, সারিলো ওষুধে’ ছড়াটি আওড়ালেই (বাবর হুমায়ূন আকবর জাহাঙ্গীর সাজাহান আওরঙ্গজেব) প্রমুখ মোঘল বাদশাহদের নাম একের পর এক বলে দেয়া যায়।
মনে রাখার জন্য আমি একটা টেকনিক ফলো করি।  জানি না অন্য কারো ক্ষেত্রে কাজ করে কিনা,  সেইটা হল ক্যামেরা টেকনিক
এইটা একধরনের মনে রাখার গেইমের মত …
যেমন আমি কোন নম্বর বা লাইন বা প্যারা এইবার দেখে চোখ বন্ধ করে ফেলি অনেকটা ক্যামেরায় ছবি ধারণ করার মত। তারপর চিন্তা করি সেখানে কি কি ছিল।  এর পর ওই তথ্যের সাথে মিলায় দেখি কতটুকু মিলল…
এভাবে কয়েক বার ট্রায় করি … অন্য যে কোন পদ্বতির চেয়ে এই পদ্বতিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত ও ভালো মনে থাকে। যারা আগে ট্রায় করেন নি তারা ট্রায় করে দেখতে পারেন। এতে আপনার মনে রাখার ক্ষমতা বাড়বে …
ব্যাস, পেয়ে গেলেন তো ভালো ছাত্রদের গোপন রহস্য! এবারে পড়তে বসে এগুলাকে প্রয়োগ করে ফেলেন, সহজেই মনে রাখতে পারবেন সবকিছু।

রাজা তার আবহাওয়া বিভাগের প্রধানকে ডেকে জিজ্ঞাস করলেন- কিন্তু কেন ? বিস্তারিত ঘটনা পড়ুন....

“রাজা তার আবহাওয়া বিভাগের প্রধানকে ডেকে জিজ্ঞাস করলেন-
: আমি মৎস শিকারে যেতে চাই , আজকের আবহাওয়া কেমন থাকবে বলে জানা গেছে ? 
সে বল্লো -: আজকে অতীব সুন্দর, রৌদ্রোজ্জ্বল এবং চমৎকার আবহাওয়া থাকবে জাহাপনা ! আপনি নিঃশংক চিত্তে যেতে পারেন । 
রাজা বের হলেন । রাজা যখন সাগর পাড়ে গেলেন , সাগর পাড়ে এক জেলে ছাগল চড়াচ্ছিলো , সে বললো-
: মহারাজ আজকে কেন আপনি সাগরে  যাচ্ছেন ? একটু পরেই তাে ঝুম বৃষ্টি হবে ! 
রাজা রেগে বল্লেন -: বেটা জেলের বাচ্চা ! তুই কি জানিস আবহাওয়ার খবর ? আর আমাকে কি মূর্খ পেয়েছিস!  আমি খবর জেনে তবেই এসেছি । 
রাজা সাগরে গেলেন , কিছুক্ষণ পর শুরু হলাে ঝুম বৃষ্টি ! রাজা প্রাসাদে ফিরে এসে আবহাওয়া বিভাগের প্রধানকে বরখাস্ত করলেন,  তারপর ঐ জেলেকে ধরে এনে আবহাওয়া বিভাগের প্রধান বানিয়ে দিলেন ! জেলে তো পড়লাে  মহা বিপদে!  সে তাে আবহাওয়ার কিছুই জানে না!  রাজ দরবারে গিয়ে জেলে কেঁদে বল্লো-
 : মহারাজ আমাকে যেতে দিন!  আমি আসলে আবহাওয়ার কিছুই জানি না। 
রাজা বল্লো -: তাহলে ঐ দিন আমার আবহাওয়া বিভাগে চেয়েও সঠিক খবর তুই কি করে দিলি ! 
জেলে উত্তর দিল , : মহারাজ সেখানে আমার কোন কৃতিত্ব ছিল না ! সব কৃতিত্ব আমার ছাগলের ! বৃষ্টি আসার আধাঘন্টা আগে থেকে ছাগলটা ঘনঘন মুতে ! এর থেকে আমি বুঝতে পারি একটু পর বৃষ্টি হবে ! 
তারপর রাজা জেলেকে ছেড়ে দিয়ে তার ছাগলটাকে ধরে এনে আবহাওয়া বিভাগের প্রধান বানিয়ে দিলেন ! সেই থেকেই বড় বড় পদগুলােতে ছাগল নিয়ােগ দেওয়ার রীতি চালু হয়।”

আমরা কেবল স্বপ্ন বুনতেই জানি পুরণের আনন্দটা অনেক ক্ষেত্রেই উপভোগ করে অন্য কেউ..........

একটি শিক্ষামূলক গল্পএক ভিক্ষুক প্রতিদিন শহরে যেত ভিক্ষা করতে। একদিন ফলের দোকানে বেদানা দেখে তার খুব খেতে ইচ্ছে করল। সে দোকানী কে দাম জিজ্ঞেস করে জানতে পারল যে সেটা কেনা তার সাধ্যের বাইরে। তবুও সে একটা বেদানা ভিক্ষা চাইল কিন্তু দোকানী তাকে অপমান করে তাড়িয়ে দিল। ভিক্ষুকের খুব মন খারাপ হল সে মনস্থির করল বেদানা খাবেই এই ভেবে সে ভিক্ষার টাকা দিয়ে একটা বেদানার চারা কিনল। এবং তার কুঁড়েঘর এর পাশেই চারাটি রোপন করল। সে প্রতিদিন চারাটির যত্ন নিত। ধীরে ধীরে কয়েক বছরেই চারাটি বড় হতে লাগল আর ভিক্ষুক ও বৃদ্ধ হতে লাগল। তো বৃদ্ধ যখন মুমূর্ষু অবস্থায় বিছানায় শুয়ে দিনকাটাত ঠিক সেই সময় গাছটিতে বেদানা ধরল। ভিক্ষুক কুড়েঘরে শুয়েই দেখতে পেত তার গাছে চমৎকার বেদানা ধরেছে কিন্তু গাছে উঠে বেদানা খাবার শারিরীক অবস্থা তার ছিল না। এক রাতে ভিক্ষুক মারাগেল। তার মারা যাবার পর প্রতিবেশিরা বেদানাগুলো পেড়ে খেয়ে ফেলল।
সারকথা : আমাদের মানে মধ্যবিত্তদের ইচ্ছা/স্বপ্নগুলো হল ওই বেদানা গাছটির মত। যাকে আমরা অনেক কষ্ট করে লালন করি। কিন্তু, যখন সেই স্বপ্নগুলো পুরণ হয়, তখন হয়তো আমরাই থাকি না অথবা ওই আনন্দ উপভোগের অবস্থায় থাকিনা। দেখা যায় অনেক বাবা মা সন্তানের সফলতার স্বপ্ন বোনেন কিন্তু সন্তান যখন সাফল্যের শিখরে থাকে বাবা মা তা দেখে যেতে পারেন না। এছাড়াও আমরা নানা সংকটময় সময়ে ভাবি কষ্ট এক সময় থাকবে না সুসময় আসবে।আসেও,তবে অনেক কিছু হারিয়ে তার পরে।তখন সেই সুখ আর উপভোগ্য থাকেনা।আমরা কেবল স্বপ্ন বুনতেই জানি পুরণের আনন্দটা অনেক ক্ষেত্রেই উপভোগ করে অন্য কেউ..........

আমি বললাম কিন্তু কী ?🤔

✓ আমি বললাম, আমি সবসময় অসুস্থ থাকি।আল্লাহ্ বলেন, আমি কোরআনকে রোগের নিরাময় হিসেবে পাঠিয়েছি।(কোরআন ১৭ঃ৮২)
✓ আমি বললাম, আমি ব্যর্থ।আল্লাহ বলেন, বিশ্বাসীরা সফল হয় (কোরআন ২৩ঃ১)
✓ আমি বললাম, আমার জীবনে অনেক কষ্ট।আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে আছে স্বস্তি।(কোরআন ৯৪ঃ৬)
✓ আমি বললাম, আমাকে কেউ সাহায্য করে না।আল্লাহ্ বলেন, মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব। (কোরআন ৩০ঃ৪৭)
✓ আমি বললাম, আমি দেখতে খুবই কুৎসিত।আল্লাহ্ বলেন, আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সুন্দরতম আকৃতিতে।(কোরআন ৯৫ঃ৪)
✓ আমি বললাম, আমার সাথে কেউ নেই।আল্লাহ্ বলেন, ভয় করো না আমি তোমার সাথে আছি।(কোরআন ২০ঃ৪৬)
✓ আমি বললাম, আমার পাপ অনেক বেশি।আল্লাহ্ বলেন, আমি তওবাকারীদের কে ভালোবাসি। (কোরআন ২ঃ২২২)
✓ আমি বললাম, এই দুনিয়া আমার ভালো লাগে না, আমার কিছুই নেই।আল্লাহ্ বলেন, তোমার জন্য পরকাল ইহকাল অপেক্ষা শ্রেয়।(কোরআন ৯৩ঃ৪)
✓ আমি বললাম, বিজয় অনেক দূরে।আল্লাহ্ বলেন, আমার সাহায্য একান্তই নিকটবর্তী।(কোরআন ২ঃ২১৪)
✓ আমি বললাম, আমার জীবনে খুশি নেই।আল্লাহ্ বলেন, শীঘ্রই তোমার রব এত বেশি দিবেন যে তুমি খুশি হয়ে যাবে।(কোরআনঃ৯৩ঃ৫)
✓ আমি বললাম, আমি সবসময় হতাশ।আল্লাহ্ বলেন, আর তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না।(কোরআন ৩ঃ১৩৯)
✓ আমি বললাম, আমার কোন পরিকল্পনা সফল হচ্ছে না।আল্লাহ্ বলেন, আল্লাহ সর্বোত্তম পরিকল্পনা কারী।(কোরআন ৩ঃ৫৪)
আমি বললাম, প্রিয় জিনিষটি পেলাম না।আল্লাহ্ বলেন, তোমরা হয়তো এমন জিনিস কে পছন্দ করছো, যা তোমাদের জন্য অকল্যানকর।(কোরআন ২ঃ২১৬)
অবশ্যই তুমি পাবে যা তোমার থেকে চলে গেছে,তার চেয়েও উত্তম।(সূরাঃ আনফাল আয়াতঃ ৭০)
আমি বললাম, সুখ কখন আসবে?আল্লাহ বলেন, আল্লাহ কষ্টের পরেই সুখ দেবেন। (কোরআন ৬৫ঃ৭) ইনশা-আল্লাহ