ভূগোল ও পরিবেশ
১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :
১.১ যে জলবায়ুতে ঋতু পরিবর্তন হয় না সেটি হলো
ক) ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু
খ) সাভানা জলবায়ু
গ) মৌসুমী জলবায়ু
ঘ) নিরক্ষীয় জলবায়ু
উত্তর- নিরক্ষীয় জলবায়ু
১.২ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো
ক) চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবীর কেন্দ্রের একই সরলরেখায় অবস্থান – মরা কোটাল
খ) পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্যের সমকোণে অবস্থান মরা কোটাল
গ) চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক দুরত্ব পেরিজি
ঘ) চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যে সর্বনিম্ন দুরত্ব – অ্যাপোজি
উত্তর- পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্যের সমকোণে অবস্থান মরা কোটাল
১.৩ অতিবিরল জনঘনত্বযুক্ত একটি রাজ্য হলো –
ক) পশ্চিমবঙ্গ
খ) গোয়া
গ) উত্তরপ্রদেশ
ঘ) সিকিম
উত্তর- সিকিম
২. স্তম্ভ মেলাও :
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ২.১ বিশুদ্ধ কাঁচামাল ২.২ ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত ২.৩ পেরু স্রোত | (ক) আটাকামা মরুভূমি (খ) তুলো (গ) ইয়াস |
উত্তর-
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ২.১ বিশুদ্ধ কাঁচামাল ২.২ ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাত ২.৩ পেরু স্রোত | (খ) তুলো (গ) ইয়াস (ক) আটাকামা মরুভূমি |
৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :
৩.১ জোয়ার-ভাটার সৃষ্টিতে কেন্দ্র বর্হিমুখী বলের প্রভাব উল্লেখ করো।
উত্তর- পৃথিবীর আবর্তনের প্রভাবে যে কেন্দ্রবিমুখ বল তৈরি হয় তা হল কেন্দ্রাতিক বল। এই বলের প্রভাবে সমুদ্রের জল বাইরের দিকে নিক্ষিপ্ত হওয়ায় প্রবণতা লাভ করে এবং এটি মহাকর্ষ বলের বিপরীত কাজ করে। অতএব চাঁদের আকর্ষণে পৃথিবীর যে অংশে জোয়ার হয় ঠিক তার প্রতিপাদ অংশের চাঁদের মহাকর্ষ শক্তি অপেক্ষা কেন্দ্রাতিগ বল অধিকা হওয়ায় সেখানেও সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে ।
৩.২ নিম্নলিখিত বিষয়ের ভিত্তিতে ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণবাতের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো।
(ক) বায়ুর চাপ
(খ) স্থায়িত্ব
(গ) আবহাওয়ার প্রকৃতি
উত্তর- ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণবাতের মধ্যে পার্থক্য
| বৈশিষ্ট্য | ঘূর্ণবাত | প্রতীপ ঘূর্ণবাত |
| বায়ুর চাপ | ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে থাকে নিম্নচাপ এবং বাইরে থাকে উচ্চচাপ | ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ ও বাইরে নিম্নচাপ থাকে |
| স্থায়িত্ব | ঘূর্ণবাত ক্ষণস্থায়ী হয়, তবে খুব শক্তিশালী | প্রতীপ ঘূর্ণবাত দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে ঘুর্ণবাতের মতো অতটা শক্তিশালী হয় না |
| আবহাওয়ার প্রকৃতি | আবহাওয়া ঝটিকাসংকুল হয় এবং গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত ও শীতকালে তুষারপাত হয়ে থাকে । | আবহাওয়া শান্ত ও বায়ু শুষ্ক হয়। তবে মাঝে মাঝে শীতকালে ঘন কুয়াশা দেখা যায় এবং তুষারপাত ঘটে | |
উত্তর- ভারতের কর্ণাটকের চিকমাগালুরে অধিকাংশ কফি উৎপাদন করা হয়। চিকমাগালুর ভারতের কফি উৎপাদক কেন্দ্র।
কফি চাষের অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ হল –
প্রাকৃতিক পরিবেশ
[i] জলবায়ু: ক্রান্তীয় অঞ্চলের উয়-আর্দ্র পরিবেশ, বিশেষত নিরক্ষীয় আবহাওয়ায় কফি চাষ ভালো হয়। [a] উয়তা: কফি চাষের জন্য বেশি উন্নতার প্রয়োজন। সাধারণত 20-25 °সে উন্নতায় কফি চাষ করা হয়। [b] বৃষ্টিপাতঃ 150 থেকে 250 সেন্টিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টিপাত হলে কফি চাষ ভালো হয়।
[c] ছায়া: কফি চারাগাছগুলিকে প্রখর সূর্যরশ্মি থেকে বাঁচানোর জন্য বাগিচার মধ্যে ছায়াপ্রদায়ী গাছ হিসেবে কলা, ভুট্টা প্রভৃতি বড়ো পাতার গাছ রোপণ করা হয় |
[ii] মৃত্তিকা: লাভা-সৃষ্ট উর্বর মাটি এবং লাল দোআঁশ মাটি কফি চাষের উপযোগী।
[iii] ভূমির প্রকৃতি: ঢালু উচ্চভূমি, বিশেষত পর্বতের পাদদেশে কফি গাছ ভালো হয়। দক্ষিণ ভারতের দক্ষিণ কর্ণাটক, পার্বত্য অন্ধ্রপ্রদেশ, উত্তর কেরলের পার্বত্য অঞ্চল ও তামিলনাড়ুর উত্তরাংশে প্রচুর কফি উৎপন্ন হয়।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
No comments:
Post a Comment