১. 'ক' স্তম্ভের সাথে 'খ' স্তম্ভ মেলাও :
ক-স্তম্ভ | খ-স্তম্ভ |
১.১ আবওয়াব | (ক) মহাজন |
১.২ সাহুকার | (খ) অগ্রিম অর্থ |
১.৩ দাদন | (গ) কৃষক |
১.৪ রায়ত | (ঘ) বেআইনি কর |
উত্তরঃ
ক-স্তম্ভ | খ-স্তম্ভ |
১.১ আবওয়াব | (ঘ) বেআইনি কর |
১.২ সাহুকার | (ক) মহাজন |
১.৩ দাদন | (খ) অগ্রিম অর্থ |
১.৪ রায়ত | (গ) কৃষক |
২. সঠিক তথ্য দিয়ে নীচের ছকটি পূরণ করো :
বিদ্রোহ | একজন নেতার নাম | কারণ (যে কোনো একটি) |
নীল বিদ্রোহ |
|
|
বারাসাত বিদ্রোহ |
|
|
সাঁওতাল বিদ্রোহ |
|
|
মুন্ডা বিদ্রোহ |
|
|
উত্তরঃ
বিদ্রোহ | একজন নেতার নাম | কারণ (যে কোনো একটি) |
নীল বিদ্রোহ | দিগম্বর বিশ্বাস | নীলকর সাহেবরা নীল চাষের জন্য 'দাদন' বা অগ্রিম অর্থ দিয়ে চাষীদের নীল চাষ করতে বাধ্য করতো। আর একবার দাদন নিলে তা শোধ হতো না। |
বারাসাত বিদ্রোহ | তিতুমীর | বারাসাত সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে জমিদার, নীলকর ও কোম্পানির অপশাসন। |
সাঁওতাল বিদ্রোহ | কানু | পরিণীতি ও কর্মচারীরা সাঁওতালদের জোর করে বলতো তৈরীর কাজে লাগাতে ও অত্যাচার করত। |
মুন্ডা বিদ্রোহ | বিরসা মুন্ডা | মুন্ডাদের জমি ধীরে ধীরে বহিরাগত বা দিকু হাতে চলে যায়। |
৩. সংক্ষেপে উত্তর (৩০ - ৪০ টি শব্দ)
৩.১ পন্ডিতা রমাবাঈ কেন স্মরণীয়?
উত্তরঃ উনিশ শতকের ভারতে নারী শিক্ষায় বিশেষ উদ্যোগী হয়েছিলেন পন্ডিতা রামাবাঈ। প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্রে ব্রাহ্মণ পরিবারের মেয়ে পন্ডিতা রামবাঈ সমস্ত সামাজিক বাধা উপেক্ষা করে এক শুদ্রকে বিয়ে করেন। পরে বিধবা অবস্থায় নিজের মেয়েকে নিয়ে ইংল্যান্ডে গিয়ে তিনি ডাক্তারি পরেন। বিধবাদের জন্য তিনি একটি আসনও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
৩.২ ইয়ং বেঙ্গল দলের দুটি সীমাবদ্ধতার উল্লেখ করো।
উত্তরঃ হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর ছাত্রদের বলা হতো ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী বা দল। এই কি এ বেঙ্গল দলের দুটি সীমাবদ্ধতা হল-
(১) পর ব্রিটিশ শাসন ও ইংরেজি শিক্ষার প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ছিল।
(২) এই দলের অনেক সদস্য পরবর্তীকালে নিজেদের পুরনো মতামত ও অবস্থান থেকে সরে গিয়েছিলেন।
৪. নিজের ভাষায় লেখো (১২০ - ১৬০টি শব্দ) :
'সম্পদের বহির্গমন' বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ সম্পদের বহির্গমন ভারতে ব্রিটিশ শাসনের একটি লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। উপনিবেশ হিসেবে ভারতের সম্পর্কে ব্রিটেনে নানাভাবে স্থানান্তরিত করা হতো। এর ফলে ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হতো না বরং অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়তো দরিদ্র্য দুর্ভিক্ষ। এইভাবে দেশের সম্পদ বিদেশ চালান হওয়াকেই 'সম্পদের বহির্গমন' বলে উল্লেখ করা হয়।
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ভারতের অর্থ ও সম্পদ ব্রিটেনে স্থানান্তরিত ভারতের অর্থনীতিকে ব্রিটিনের স্বার্থে ব্যবহার করা। ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে এক ব্রিটিশ অধিকারীকে বক্তব্য থেকে জানা যায়, ভারত থেকে বছরে ২-৩ কটি স্টাইলিং মূল্যের সম্পদ ব্রিটেনে যেত। আর তার বিনিময় ভারত সামান্য দামের কিছু যুদ্ধ সরঞ্জাম ছাড়া কিছুই পেত না। বাস্তবে ভারতের সম্পদ বহির্গমনের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ শাসন স্পঞ্জের মতো কাজ করতো। ভারত থেকে সম্পদ শুষে ব্রিটেনে পাঠিয়ে দিত। হিসাবে দেখা গেছে উনিশ বিশ শতকে ব্রিটেনের জাতীয় আয়ের২ শতাংশ ছিল ভারত থেকে নির্গত সম্পদ।
No comments:
Post a Comment