মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 ইতিহাস
১. ‘ক’ স্তম্ভের সঙ্গে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও : ১ x ৪ = ৪
| ক-স্তম্ভ | খ-স্তম্ভ |
| ১.১ আর্যসত্য | (ক) চতুর্থ বৌদ্ধ সংগীতি |
| ১.২ বসুমিত্র | (খ) পার্শ্বনাথ |
| ১.৩ চাতুর্যামব্রত | (গ) মহাবীর |
| ১.৪ পঞ্চমাহাব্রত | (ঘ) গৌতম বুদ্ধ |
উত্তর-
| ক-স্তম্ভ | খ-স্তম্ভ |
| ১.১ আর্যসত্য | (ঘ) গৌতম বুদ্ধ |
| ১.২ বসুমিত্র | (ক) চতুর্থ বৌদ্ধ সংগীতি |
| ১.৩ চাতুর্যামব্রত | (খ) পার্শ্বনাথ |
| ১.৪ পঞ্চমাহাব্রত | (গ) মহাবীর |
২. শূন্যস্থান পূরণ করো : ১ x ৪ = ৪
২.১ বেশিরভাগ মহাজনপদ গড়ে উঠেছিল ________________ উপত্যকাকে কেন্দ্র করে।
উত্তরঃ গঙ্গা-যমুনার
২.২ মগধের রাজধানী ছিল ___________________।
উত্তরঃ রাজগৃহ
২.৩ সর্বজ্ঞানী হওয়ার পর মহাবীর পরিচিত হন ________________ নামে।
উত্তরঃ কেবলিন
২.৪ প্রথম বৌদ্ধ সংগীতির আয়োজন করা হয়েছিল _________________ মৃত্যুর পর।
উত্তরঃ গৌতম বুদ্ধের
৩. দুটি বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও : ২ x ৩ = ৬
৩.১ ‘অষ্টাঙ্গিক মার্গ’ কী?
উত্তরঃ দুঃখ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য গৌতম বুদ্ধ আটটি উপায়ের কথা বলেছিলেন। সেই আটটি উপায়কে এক সঙ্গে বলা হয় অষ্টাঙ্গিক মার্গ। মার্গ মানে পথ। এইকারণে আটটি পথকে বলা হয় অষ্টাঙ্গিক মার্গ।
৩.২ ‘মজঝিম পন্থা’ বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ মহাবীর কঠোর তপস্যার উপরে জোর দিয়েছিলেন। অন্যদিকে গৌতম বুদ্ধ মনে করতেন কঠোর তপস্যা নির্বাণ বা মুক্তি লাভের উপায় নয় আবার, চূড়ান্ত ভোগ-বিলাসেও মুক্তির খোঁজ পাওয়া যায় না। গৌতম বুদ্ধ তাই মজঝিম পন্থার কথা বলেছিলেন ।
৩.৩ কোন্ সাহিত্য থেকে জনপদ-মহাজনপদ সম্পর্কে জানা যায়?
উত্তরঃ ‘জৈন ও বৌদ্ধ সাহিত্যে’ জনপদ-মহাজনপদ সম্পর্কে জানা যায় ।
৪. চার-পাঁচটি বাক্যে উত্তর দাও : ৩ x ২ = ৬
৪.১ মহাজনপদ গড়ে উঠেছিল কীভাবে?
উত্তরঃ খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক নাগাদ এক-একটা জনপদের ক্ষমতা ক্রমে বাড়তে থাকে। সেখানকার শাসকেরা যুদ্ধ করে নিজেদের রাজ্যের সীমানা বাড়াতে থাকেন। ছোটো ছোটো জনপদগুলির কয়েকটি পরিণত হয় বড়ো রাজ্যে। এই বড়ো রাজ্যগুলিই মহাজনপদ বলে পরিচিত হয়।জনপদের থেকে যা আয়তন ও ক্ষমতায় বড়ো তাই হলো মহাজনপদ। মহাজনপদগুলির শাসকরা ছিলেন বৈদিক যুগের রাজাদের চাইতে অনেক বেশি শক্তিশালী। তাঁদের হাতে অনেক সম্পদ জমা হতো। সেই সম্পদ ব্যবহার করে তাঁরা নিজেদের ক্ষমতা আরো বাড়াতে শুরু করে। মগধ হলো একটি উল্লেখযোগ্য মহাজনপদ ।
৪.২ বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের মধ্যে দুটি মিল ও দুটি অমিল লেখো।
উত্তরঃ বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের মধ্যে দুটি মিল :
(i) বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ ও মহাবীর ছিলেন ক্ষত্রিয় বংশজাত।
(ii) বৌদ্ধ ও জৈন উভয় ধর্মই জন্মান্তরবাদে বিশ্বাসী ছিল।
বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের মধ্যে দুটি অমিল :
(i) বৌদ্ধধর্মে ভোগ ও ত্যাগের মধ্যবর্তী পথ মজঝিম পন্থা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে। জৈনধর্মে কঠোর তপস্যা, ত্যাগ ও তার পাশাপাশি উপবাসের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
(ii) গৌতম বুদ্ধ কেবলমাত্র জীব বা প্রাণী হত্যারই বিরোধী ছিলেন। জৈনধর্মে কঠোর অহিংসনীতির কথা বলা হয়েছে। জৈনরা জড়বস্তুতেও প্রাণের অস্তিতে বিশ্বাসী ছিলেন।
No comments:
Post a Comment