মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 পরিবেশ ও ভূগোল
১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো : ১ x ৪ = ৪
১.১ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো-
ক) এক্সোস্ফিয়ার – মেঘের উপস্থিতি
থ) ভূত্বক – পরিচলন স্রোত
গ) সমুদ্রের জল – পৃথিবীর মোট জলের তিন শতাংশ
ঘ) বিশ্ব উষ্বায়ন – মরুভূমির প্রসার
উত্তর: ঘ) বিশ্ব উষ্বায়ন – মরুভূমির প্রসার
১.২ আন্টার্কটিকার স্থায়ী বাসিন্দা পেঙ্গুইনের প্রধান খাদ্য হলো—
ক) সীল
খ) তিমি
গ) ক্রিল
ঘ) অ্যালবাট্রস
উত্তর: গ) ক্রিল
১.৩ সূর্যরশ্মির যে অংশ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত না করে সরাসরি মহাশূন্যে ফিরে যায় তাকে
ক) পার্থিব বিকিরণ খ) কার্যকরী সৌর বিকিরণ
গ) ইনসোলেশন ঘ) অ্যালবেডো
উত্তর : ঘ) অ্যালবেডো
১.৪ ক্রান্তীয় পর্ণমোচী উদ্ভিদের একটি উদাহরণ হলো –
ক) ফার
খ) ক্যাকটাস
গ) পলাশ
ঘ) গরান
উত্তর : গ) পলাশ
২. একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও : ১ x ৪ = ৪
২.১ পৃথিবীর বাইরের শক্ত আবরণ কী নামে পরিচিত?
উত্তর : ভূত্বক
২.২ ‘আন্টার্কটিকা’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর : উত্তরের বিপরীত
২.৩ কোন গোলার্ধে সমোষ্ণরেখাগুলি পরস্পর থেকে দুরে অবস্থান করে?
উত্তর : দক্ষিণ গোলার্ধে
২.৪ ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দু কোনটি?
উত্তর : কন্যাকুমারিকা
৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২ x ২ = ৪
৩.১ ‘বায়ুমণ্ডলই পৃথিবীতে জীবনধারণের অনুকূল তাপমাত্রা বজায় রাখে— বক্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
উত্তর : পৃথিবীকে ঘিরে বায়ুর স্তর না থাকলে অন্যান্য গ্রহের মতোই পৃথিবীও প্রাণহীন হয়ে যেতে পারত। বায়ু ছাড়া উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার উপায় হতো না। সূর্যের তাপে পৃথিবী উত্তপ্ত হয় আর দিন ও রাত মিলিয়ে ঐ তাপ ধীরে ধীরে বেরিয়ে যায়। বায়ুমণ্ডল না থাকলে সূর্যাস্তের পর হঠাৎ ভীষণ ঠান্ডা আর সূর্যোদয়ের পর হঠাৎ প্রবল গরম হয়ে যেত পৃথিবী। বায়ুমণ্ডলের জন্য পৃথিবীতে জীবনধারণের অনুকূল তাপমাত্রা বজায় আছে। এছাড়াও প্রতিদিন প্রায় দশ হাজার কোটি ছোটো ছোটো উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে কিন্তু বায়ুমণ্ডলের সাথে ঘষা গেলে জ্বলে ছাই হয়ে যায়। তাই পৃথিবীর সুরক্ষিত থাকে।
৩.২ আন্টার্কটিকার জলবায়ুর দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তর : আন্টার্কটিকার জলবায়ুর দুটি বৈশিষ্ট্য হলোঃ
- চিরস্থায়ী বরফ আবৃত থাকে বলে এই মহাদেশ পৃথিবীর শীতলতম অঞ্চল। সারাবছরই হিমশীতল আবহাওয়া, কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর তুষার ঝড় চলে। পৃথিবীর শীতলতম স্থান হলো আন্টার্কটিকার ভস্টক।
- মে-অগাস্ট মাসে ২৪ ঘন্টায় অন্ধকার থাকে। এই সময় আকাশে সূর্যের দেখা যায় না। মাঝে মাঝে আকাশে সবুজ, নীল, লাল রঙের মেরুজ্যোতি দেখা যায়।
- পশুচারণ নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় করা উচিত
- মাটির অতিরিক্ত গভীরে খনিজ সম্পদ আহরণ করা বন্ধ করা উচিত
- পাহাড়ের ঢালু অংশে ধাপ কেটে চাষ করা উচিত
- অপরিকল্পিতভাবে গাছ কাটা বন্ধ করা উচিত
- বেশি পরিমানে চারাগাছ রোপণ করা উচিত
৪. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও : ৩ x ১ = ৩
৪.১ পৃথিবীর তাপমণ্ডলের একটি চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।

৫. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও : ৫ x ১ = ৫
৫.১ কী কী উপায়ে মাটি সংরক্ষণ করা যেতে পারে বলে তুমি মনে করো?
উত্তর : গাছের শিখর মাটিকে খুব শক্ত করে ধরে রাখে। তবে আজকাল নানা কারণে অনেক গাছ কাটা হচ্ছে। সেই কারণে বৃষ্টির সময় উপরের স্তরের মাটি ধুয়ে যায়। মাটির ক্ষয়রোধ করতে মাটিকে সংরক্ষণ করা উচিত।
মাটি সংরক্ষণের উপায় গুলি হলোঃ
No comments:
Post a Comment