Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 7 ইতিহাস
১. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও: ১ x ৪ = 8
| ক স্তম্ভ | খ স্তম্ভ |
| ১.১ পানিপতের প্রথম যুদ্ধ | (ক) ১৫২৯ খ্রি: |
| ১.২ খানুয়ার যুদ্ধ | (খ) ১৫২৬ খ্রি: |
| ১.৩ ঘর্ঘরার যুদ্ধ | (গ) ১৫৩৯ খ্রি: |
| ১.৪ চোসার যুদ্ধ | (ঘ) ১৫২৭ খ্রি: |
উত্তর-
| ক স্তম্ভ | খ স্তম্ভ |
| ১.১ পানিপতের প্রথম যুদ্ধ | (খ) ১৫২৬ খ্রি: |
| ১.২ খানুয়ার যুদ্ধ | (ঘ) ১৫২৭ খ্রি: |
| ১.৩ ঘর্ঘরার যুদ্ধ | (ক) ১৫২৯ খ্রি: |
| ১.৪ চোসার যুদ্ধ | (গ) ১৫৩৯ খ্রি: |
২.১ আদিল শাহের প্রধানমন্ত্রী হিমু _________________ দখল করেছিলেন।
উত্তর- দিল্লি শহর
২.২ আকবর __________________ যুদ্ধে আফগানদের হারিয়ে দেন।
উত্তর- পানিপতের দ্বিতীয় যুদ্ধ
২.৩ মুঘলরা কান্দাহারের উপর নিয়ন্ত্রণ হারায় _________________ আমলে।
উত্তর- শাহ জাহানের
২.৪ মুঘলরা বিজাপুর ও গোলকোন্ডা দখল করে __________________ রাজত্বকালে।
উত্তর- ঔরঙ্গজেবের
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
৩. দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও : ২ x ৩=৬
৩.১ ‘জাবতি’ কী ?
উত্তর- ভারতবর্ষ ছিল কৃষিনির্ভর দেশ। তাই ভালভাবে শাসন পরিচালনা করতে হলে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা উপর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।আলাউদ্দিন খলজির আমল থেকেই রাজস্বের পরিমাণ নির্ধারণ করার জন্য জমি জরিপ করার বা মাপার ব্যবস্থা ছিল। পরে শেরশাহর সময়ও জমি মাপা হয়। আকবর নতুন করে জমি জরিপ করান। জমি জরিপের ভিত্তিতে রাজস্ব নির্ধারণ করার পদ্ধতিকে বলা হয় ‘জাবতি’।
৩.২ ‘মনসব’ কী ?
উত্তর- মনসব একটি আরবি শব্দ। এর অর্থ উঁচু স্থান, যেখানে কিছু রাখা যায়। এই শব্দটি মোঘল প্রশাসনের পদ বা সম্মান বা অফিস অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।এই পদের অধিকারীকে মনসবদার বলা হয়। মোঘল সম্রাট আকবর মনসবদারকে সমস্ত সামরিক দায়িত্ব পালনের জন্য নিযুক্ত করেন। যুদ্ধকালে এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনে প্রত্যেক মনসবদার তার পদমর্যাদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক সৈন্য, অশ্ব, হস্তী ইত্যাদি দ্বারা সামরিক সাহায্য প্রদানে বাধ্য থাকতেন।
৩.৩ বারো ভূঁইয়া নামে কারা পরিচিত ছিলেন ?
উত্তর- আকবরের ছেলে ও উত্তরসূরি জাহাঙ্গিরের সময় (১৬০৫-১৬২৭ খ্রিস্টাব্দ) বাংলার স্থানীয় হিন্দু জমিদার ও আফগানরা মুঘলদের বিরুদ্ধে বার বার বিদ্রোহ করেছে। এই বিদ্রোহীরা এক সঙ্গে ‘বারো ভূঁইয়া’ নামে পরিচিত ছিলেন।এদের মধ্যে প্রতাপাদিত্য, চাঁদ রায়, কেদার রায়, ইশা খান প্রমুখ ছিলেন উল্লেখযোগ্য।
৪. চার-পাঁচটি বাক্যে উত্তর দাও : ৩ x ২ = ৬
৪.১ আবুল ফজল ও আবদুল কাদির বদাউনি কারা ছিলেন ?
উত্তর- আকবরের আমলের এক বিখ্যাত ঐতিহাসিক ছিলেন আবুল ফজল আল্লামি । তিনি আকবরের গুণাবলি সম্বন্ধেই লিখেছিলেন। কিন্তু যে কোনো সময়ের ইতিহাস জানতে হলে শুধু ভালো কথা জানলেই হয় না। সে যুগের সমস্যার কথাও জানতে হয়।
এই ধরনের সমালোচনা পাওয়া যায় সে যুগের আর একজন ঐতিহাসিক আব্দুল কাদির বদাউনির লেখায়। এঁরা দুজনেই মুঘল দরবারে এসেছিলেন ১৫৭৪ খ্রিস্টাব্দে কিন্তু আবুল ফজল হয়ে উঠেছিলেন আকবরের প্রিয় পাত্র। একই ঘটনার দু-ধরনের বিবরণ পাওয়া যায় এঁদের দুজনের লেখায়।
৪.২ তুমি কী মনে করো যে রাজপুত নীতির দ্বারা মুঘলরা ভারতীয় শাসকদের মুঘল প্রশাসনের অঙ্গীভূত করেছিল ? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর- মুঘল সম্রাটদের রাজপুতনীতি ধর্মীয়নীতি সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।একটিকে অপরটি থেকে পৃথকভাবে দেখা খুব সহজ নয়। রাজপুতনীতি শুধু ধর্মীয় দিক নয় এর একটি রাজনৈতিক দিকও ছিল। বাবর, হুমায়ুন ও আকবরকে পাঠান বা আফগানদের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখিন হতে হয়। এমনকি কিছুকালের জন্য তারা হুমায়ুনের থেকে সিংহাসন কেড়ে নেয়।
আকবরের আমলেই কতিপয় রাজপুত নেতা জাহঙ্গীর ও খসরুর মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করে মুগল দরবারে দুটি পৃথক রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠা করে। শাহজাহানের রাজত্বকালেও তার পুত্রদের মধ্যে দ্বন্দ্বে রাজপুতেরা সক্রিয়ভাবে দলগত সমর্থন দান করে এমন এক ব্যক্তিকে, যার দ্বারা তাদের রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি হতে পারে।বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সম্রাটরা রাজপুতদের নিয়ে ভিন্ন নীতি গ্রহণ করেন। বেশিরভাগ সম্রাটই চেয়েছিলেন তাদের সাথে সমতা বজায় রাখতে। রাজপুতদের সাথে সেই প্রাচীনকাল থেকেই মুসলিমদের দ্বন্দ্ব চলতে থাকলেও আকবর রাজপুতদের মাঝে একটি সম্ভাবনা দেখেছিলেন। মূল স্রোত থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজপুত শক্তিকে আকবর তাই তার তত্বাবধায়নে হিন্দুস্তানের রাজনীতির মূল স্রোতে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছিলেন।
রাজপুতদের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য সম্রাট আকবর কয়েকটি নীতি অনুসরণ করেছিলেন। যেমন-বৈবাহিক সম্পর্কের নীতি, উচ্চ রাজপদেনিয়োগের নীতি, বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের নীতি এবং যুদ্ধনীতি। রাজপুতরা মনে করতেন আকবর অন্যান্য মুসলিম শাসকদের তুলনায় ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে তুলনামূলক বেশি উদার। রাজপুতদের প্রতি উদার নীতির কারণে এভাবেই আকবর তার গ্রেট মুঘল হিন্দুস্তান গঠনে রাজপুতদের সহশক্তি হিসেবে পাশে পেয়েছিলেন। মুঘল সম্রাট আকবরের কূটনৈতিক বিচক্ষণতার শ্রেষ্ঠ পরিচয় ছিল তার এই রাজপুত নীতি। হিন্দুস্তানের শৌর্যবীর্যের প্রতীক রাজপুতদের সঙ্গে সম্রাট আকবর মৈত্রীর সম্পর্ক তৈরি করতে সচেষ্ট ছিলেন। রাজপুতরাও মুঘল সাম্রাজ্যের শক্তিতে পরিণত হয়েছিল। এই আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে কিছু মুঘল সম্রাটের রাজপুতনীতির ফলে রাজপুতরা মুঘল প্রশাসনে অঙ্গিভূত হয়েছিল।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
No comments:
Post a Comment