October months Model Activity Task Class 7 Part 7 Paribesh O Bhugol মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 7 পরিবেশ ও ভূগোল

Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
 

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 7 পরিবেশ ও ভূগোল

১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :  ১ x ৪ = ৪

১.১ ভূআলোড়নের ফলে সৃষ্ট ফাটলগুলোর মাঝের ভূভাগ ওপরে উঠে যে ভূমিরূপ সৃষ্টি করে তা হলো—

ক) মহাদেশীয় মালভূমি   খ) স্তূপ পর্বত   গ) আগ্নেয় পর্বত   ঘ) লাভা মালভূমি

উত্তর- খ) স্তূপ পর্বত  

১.২ দুটি নদীর মধ্যবর্তী স্থলভাগ হলো

ক) নদী অববাহিকা    খ) দোয়ার    গ) মোহনা      ঘ) ধারণ অববাহিকা

উত্তর- খ) দোয়ার   

১.৩ একটি পাললিক শিলার উদাহরণ হলো

ক) গ্রানাইট    খ) ব্যাসল্ট    গ) মার্বেল    ঘ) চুনাপাথর

উত্তর- ঘ) চুনাপাথর

১.৪ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো

ক) দক্ষিণ আফ্রিকা  – উয় জলবায়ু

খ) চিনদেশীয় জলবায়ু  – খেজুর গাছ

গ) জাম্বেজি নদী – ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত

ঘ) আফ্রিকার পূর্ব দিক – ভূমধ্যসাগর

উত্তর- গ) জাম্বেজি নদী – ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত

২. একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও :  ১ x ৪ = ৪

২.১ ভারতের একটি পলিগঠিত সমভূমির নাম লেখো।

উত্তর- সিন্ধু গঙ্গা ব্রহ্মপুত্রের সমভূমির

২.২ নদীর কোন প্রবাহে ভূমির ঢাল বেশি থাকায় নদীর শক্তি বৃদ্ধি পায় ?

উত্তর- পার্বত্য প্রবাহে

২.৩ কোন শ্রেণির মৃত্তিকায় বালি ও কাদার পরিমাণ প্রায় সমান থাকে ?

উত্তর- দোআঁশ মৃত্তিকায়

২.৪ দক্ষিণ আফ্রিকার তৃণভূমি কী নামে পরিচিত?

উত্তর- ভেল্ড

৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২ x ২ = ৪

৩.১ নদীর মোহনায় ব-দ্বীপ সৃষ্টির দুটি শর্ত উল্লেখ করো।

উত্তর- নদীর মোহনায় ব-দ্বীপ সৃষ্টির দুটি শর্ত :

১. পলির পরিমানের আধিক্য – বদ্বীপ গঠনের অন্যতম প্রধান শর্ত হল নদী দ্বারা বাহিত পলির পরিমান । সমুদ্র তরঙ্গ বা সমুদ্র স্রোত যে পরিমান পলি অপসারন করতে সক্ষম তার থেকে বেশি হতে হবে। তবেই সমুদ্র গর্ভে ক্রমশ পলি সঞ্চিত হয়ে বদ্বীপের বিকাশ ঘটবে।

২. দীর্ঘ মধ্য ও নিম্ন প্রবাহ – সমভূমি অংশে নদীর মধ্য ও নিম্ন প্রবাহ বেশি হলে মোহনার নিকট স্রোতের বেগ হ্রাস পায়, ফলে বাহিত পলিরাশির সঞ্চয়ের পরিমান বৃদ্ধি পায় ও দ্রুত বদ্বীপ গঠিত হয়।

৩.২ ‘জলবায়ু মৃত্তিকা সৃষ্টির অন্যতম প্রধান নিয়ন্ত্রক বক্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

উত্তর- মৃত্তিকা সৃষ্টির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো জলবায়ু। জলবায়ু মাটি তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। উষ্ণ ও বৃষ্টিবহুল জলবায়ুতে তাড়াতাড়ি মাটির তৈরি হয়। আবার শীতল ও শুষ্ক অঞ্চলে মাটি তৈরি হতে সময় লাগে। তাই উষ্ণ ও আর্দ্র অঞ্চলে মাটির গভীরতা বেশি হয়।

৪. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও :  ৩ x ১ = ৩

৪.১ সাহারার জলবায়ু কীভাবে সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে।

উত্তর- সাহারা মরুভূমি পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বৃহত্তম এবং উষ্ণতম মরুভূমি। এই মরুভুমি স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনে বেশ প্রভাব ফেলে। নিম্নে তা সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো-

ক) এই স্থানে দিনের বেলা ভীষণ গরম থাকে প্রায় 58 ডিগ্রী সেলসিয়াস। রাত্রেবেলা বেশ ঠান্ডা প্রায় 4 ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাত ও দিনের তাপমাত্রা এত পার্থক্য বেশি হওয়ায় এই স্থানের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রায় পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।

খ) এই স্থানের ক্যাকটাস জাতীয় গাছপালা দেখা যায় যেমন ঘাস, খেজুর ইত্যাদি। এই স্থানে খাদ্যের অসুবিধা থাকায় মানুষেরা সাধারণত যাযাবর হয়।

উট নিয়ে নিয়ে এরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়ায়।

গ) পশুর দুধ, মাংস এদের প্রধান খাদ্য এছাড়াও এই স্থানের বিশেষ কিছু গাছের রস এরা পানীয় হিসেবে পান করে।

সময়ের সাথে সাথে সাহারা পাল্টাচ্ছে জায়গায় জায়গায় ঘাস লাগানো হচ্ছে রাস্তা বানানো হচ্ছে। উটের বদলে ট্রাকের দ্বারা ব্যবসা করা হচ্ছে সুদূর ভবিষ্যতে বোধহয় সাহারার এই রুক্ষ ভয়াল চেহারা আর থাকবে না।

৫. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও : ৫ x ১ = ৫

৫.১ ভঙ্গিল পর্বত ও আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করো।

উত্তর-  ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টি : ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে সব পর্বত গঠিত হয়েছে তাদের ভঙ্গিল পর্বত বলে। বর্তমানে যে স্থানে বিশালাকার ভঙ্গিল পর্বতগুলি অবস্থান করছে, সেই স্থানে পর্বত সৃষ্টির পূর্বে ছিল এক বিশাল অগভীর সমুদ্র বা মহীখাত। হাজার হাজার বছর ধরে ওইসব মহীখাতে উভয়দিকের স্থলভাগের ক্ষয়প্রাপ্ত পলি সঞ্চিত হলে মহীখাতের তলদেশ ক্রমশ বসে যায়।খাতের তলদেশ ক্রমশ বসে গেলে পার্শ্ববর্তী ভূখণ্ড ক্রমশ মহীখাতের দিকে সরে আসতে থাকে এবং প্রবল চাপের ফলে মহীখাত ক্রমশ সরু ও গভীর হতে থাকে। এর ফলে মহীখাতে সঞ্চিত পাললিক শিলাস্তর সঙ্কুচিত হয় ও ভাঁজ যুক্ত হয়ে উপরে উঠে যায়। এইভাবে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়।

আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি : ভূ-অভ্যন্তরের উত্তপ্ত তরল ম্যাগমা ভূত্বকের কোনা  দূর্বল স্থান বা আগ্নেয়গিরির জালামুখ থেকে ক্রমাগত লাভারূপে নির্গত হয়ে ঠান্ডা ও কঠিন হয়ে যে পর্বত গঠন করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে। দুটি মহাদেশীয় মহাসাগরীয় পাত মুখোমুখি অগ্রসর হলে তাদের মধ্যে প্রবল সংঘর্ষ ঘটে এবং ভারী নিমজ্জিত পাতটি গলে গিয়ে ম্যাগমা শিলাস্তরের ফাটল পথে ভূপৃষ্ঠে চলে এসে সঞ্চিত হয়ে আগ্নেয় পর্বতের সৃষ্টি করে।


Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

No comments:

Post a Comment