Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 10 Part 7 ইতিহাস
১. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও : ১×৪ = ৪
| ‘ক’ স্তম্ভের | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ১.১ ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি | ক) ১৭৮৪ খ্রি: |
| ১.২ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় | খ) ১৮১৭ খ্রি: |
| ১.৩ এশিয়াটিক সোসাইটি | গ) ১৯১৭ খ্রি: |
| ১.৪ বসু বিজ্ঞান মন্দির | ঘ) ১৮৫৭ খ্রি: |
উত্তর-
| ‘ক’ স্তম্ভের | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ১.১ ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি | খ) ১৮১৭ খ্রি: |
| ১.২ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় | ঘ) ১৮৫৭ খ্রি: |
| ১.৩ এশিয়াটিক সোসাইটি | ক) ১৭৮৪ খ্রি: |
| ১.৪ বসু বিজ্ঞান মন্দির | গ) ১৯১৭ খ্রি: |
২. সঠিক তথ্য দিয়ে নীচের ছকটি পূরণ করো : ১× ৮ = ৮
| প্রতিষ্ঠান | প্রতিষ্ঠাতা | প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (একটি বাক্যে) |
| বেঙ্গল টেকনিকাল ইন্সটিটিউট | ||
| বসু বিজ্ঞান মন্দির | ||
| ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফরদ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্স | ||
| জাতীয় শিক্ষা পরিষদ | |
উত্তর-
| প্রতিষ্ঠান | প্রতিষ্ঠাতা | প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (একটি বাক্যে) |
| বেঙ্গল টেকনিকাল ইন্সটিটিউট | তারক নাথ পালিত | বাংলার কারিগরী শিক্ষার বিকাশের জন্য। |
| বসু বিজ্ঞান মন্দির | আচার্য্য জগদীশ চন্দ্ৰ বসু | বিজ্ঞান চর্চা ও বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণার জন্য। |
| ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফরদ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্স | ডঃ মহেন্দ্ৰ লাল সরকার | বিজ্ঞান চর্চা ও কারিগরীশিক্ষার প্রসারের জন্য। |
| জাতীয় শিক্ষা পরিষদ | সত্যেন্দ্র নাথ ঠাকুর | জাতীয় শিক্ষা প্রদানের জন্য। |
৩. দুটি বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাওঃ ২ x ২ = ৪
৩.১ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী কেন স্মরণীয়?
উত্তর- উপ্রেকিশোর রায়চৌরী ছিলেন একজন সাহিত্যিক, সুরকার, প্রকাশক। তাঁর লেখা প্রথম বই হল ‘ছেলেদের রামায়ণ’। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ছেলেদের রামায়ণে বইটি যোগীন্দ্রনাম সরকারের সিটি বুক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত হয়।উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার শিবনারায়ণ দাস লেনে আধুনিক ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
৩.২ কাকে ‘বাংলা মুদ্রণশিল্পের জনক বলা হয় এবং কেন?
উত্তর- চার্লস উইলকিনসকে ‘বাংলা মুদ্রণশিল্পের জনক’ বলা হয় |
ভারতে প্রথম সঞ্চালনযোগ্য বাংলা মুদ্রাক্ষর সৃষ্টি করেন চার্লস উইলকিনস। তিনি চুঁচুড়ায় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করে হ্যালহেডের বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ ‘এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ’ প্রকাশ করেন | এজন্য চার্লস উইলকিনসকে বাংলার ছাপাখানার জনক বলা হয়।
৪. সাত-আটটি বাক্যে উত্তর দাও : ৪ x ১ = ৪
ছাপাবই-এর সাথে শিক্ষাবিস্তারের সম্পর্ক আলোচনা কর।
উত্তর- অষ্টাদশ শতকের শেষদিকে ইউরোপের খ্রিস্টান মিশনারিদের মাধ্যমে বাংলার বিভিন্ন স্থানে ছাপাখানার প্রতিষ্ঠা হয়। বাংলায় বিস্তারের ক্ষেত্রে এই ছাপাখানাগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
১। পাঠ্যপুস্তকঃ বাংলার ছাপাখানাগুলিতে স্কুলকলেজের ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তক ছাপা হতে থাকে। এই সব পাঠ্যপুস্তকের প্রধান বিষয়বস্তু ছিল সাহিত্য, গণিত, বিজ্ঞান, ইতিহাস, ভূগোল প্রভৃতি। ছাপাখানায় মুদ্রিত বইপত্রের সুন্দর মুদ্রণ এবং কম দাম হওয়ার গ্রামবাংলার সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের হাতেও পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হয়। এই সব বইগুলি বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
২। অন্যান্য গ্রন্থঃ ছাপাখানার প্রতিষ্ঠা ও প্রসারের পর থেকে বাংলায় বাইবেল, রামায়ণ, মহাভারত বা প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য প্রভৃতির অনুবাদ, বিভিন্ন গবেষণাপত্র প্রভৃতি প্রকাশিত হয়। যা সুলভে বাংলার সাধারণ পাঠকদের হাতে পৌঁছে যায়।
৩। সংবাদপত্রাদিঃ ছাপাখানাগুলি থেকে বাংলা ও ইংরাজিতে বেশ কিছু সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্রও প্রকাশিত হতে থাকে। এইসব সংবাদপত্র ও সময়িকপত্রগুলিতে দৈনন্দিন সংবাদ ছাড়াও নিয়মিত বিভিন্ন জ্ঞানমূলক বিষয়ের আলোচনা স্থান করে নেয়।
৪। নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানঃ ছাত্রদের পাঠ্যবই রচনা করে তা কম খরচে বা বিনামূল্যে শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে কালিকাটা স্কুল বুক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে ক্যালকাটা স্কুলবুক সোসাইটি স্থাপিত হলে তার অধীনে বেশ কয়েকটি স্কুল গড়ে ওঠে। এর ফলে বাংলায় শিক্ষার ব্যাপক প্রসার শুরু হয়।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
No comments:
Post a Comment