Model Activity Task Class 7 Part 8 Science মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান


 

Model Activity Task Class 7 Part 8 Science

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান

১. ঠিক উত্তর নির্বাচন করো : ১×৬ = ৬

১.১ অপ্রভ বস্তুটি হলো –

(ক) মোমবাতির শিখা

(খ) সূর্য

(গ) চাঁদ

(ঘ) জোনাকি

উত্তরঃ (গ) চাঁদ

১.২ যেটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয় সেটি হলো

(ক) কয়লা

(খ) পেট্রোল

(গ) ডিজেল

(ঘ) গোবর গ্যাস

উত্তরঃ (ঘ) গোবর গ্যাস

১.৩ উদ্ভিদের মূলের ডগার টুপির মতো অংশের ঠিক ওপরের জায়গা যেখানে কোনো রোঁয়া থাকে না সেটি হলো

(ক) মূল অঞ্চল

(খ) বর্ধনশীল অঞ্চল

(গ) স্থায়ী অঞ্চল

(ঘ) মূলরোম অঞ্চল

উত্তরঃ (খ) বর্ধনশীল অঞ্চল

১.৪ যেক্ষেত্রে আলোর বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন ঘটে না সেটি হলো

(ক) দেয়াল

(খ) কাগজ

(গ) কাপড়

(ঘ) আয়না

উত্তরঃ (ঘ) আয়না

১.৫ যেটি পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস নয় সেটি হলো

(ক) সূর্য

(খ) বায়ুপ্রবাহ

(গ) জীবাশ্ম জ্বালানি

(ঘ) জৈব গ্যাস

উত্তরঃ (গ) জীবাশ্ম জ্বালানি

১.৬ রুপান্তরিত অর্ধবায়বীয় কাণ্ড দেখা যায় যে উদ্ভিদে সেটি হলো

(ক) আলু

(খ) কচুরিপানা

(গ) বেল

(ঘ) কুমড়ো

উত্তরঃ (খ) কচুরিপানা

২. শূন্যস্থান পূরণ করো : ১×৩ = ৩

২.১ ইস্ত্রিতে তড়িৎপ্রবাহের ___________________  ফলাফলের প্রয়োগ করা হয়।

উত্তরঃ তাপীয়

২.২ আমের আঁটি ____________________ ঢেকে রাখে।

উত্তরঃ বীজকে

২.৩ এঁচোড় হলো ____________________ ফলের একটি উদাহরণ।

উত্তরঃ যৌগিক

৩. ঠিক বাক্যের পাশে ‘image 48’ আর ভুল বাক্যের পাশে ‘x’ চিহ্ন দাও : ১×৬ = ৬

৩.১ কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তার উন্নতার পরিবর্তন হবেই।

উত্তরঃ x    

৩.২ ভিটামিন D-এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।

উত্তরঃ x

৩.৩ কঠিন সোডিয়াম ক্লোরাইডের মধ্যে অণুর কোনো অস্তিত্ব নেই।

উত্তরঃ image 48

৩.৪ কোনো  দণ্ড চুম্বকের জ্যামিতিক দৈর্ঘ্য তার চৌম্বক দৈর্ঘ্যের চেয়ে সামান্য কম হয়।

উত্তরঃ image 48

৩.৫ কান্ডের যে অংশ থেকে শাখা বেরোয় তাকে পর্বমধ্য বলে।

উত্তরঃ x

৩.৬ তেঁতুল পাতা হলো একক পত্রের একটি উদাহরণ।

উত্তরঃ x

৪. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ১×৩ = ৩

৪.১ সমীকরণটি ব্যালান্স করে লেখো: P+ …………O2 → P4O10

উত্তরঃ P+ 5O2 = P4O10

৪.২ মানবদেহে আয়োডিনের একটি কাজ উল্লেখ করো

উত্তরঃ আয়োডিন মানবমস্তিষ্কের ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে, থাইরক্সিনের উপাদান গঠনে সাহায্য করে।

৪.৩ আম দিয়ে তৈরি একটি প্রক্রিয়াজাত খাবারের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ আম দিয়ে তৈরি একটি প্রক্রিয়াজাত খাবারের উদাহরণ হল জ্যাম ও জেলি।

৫. একটি বা দুটি বাক্যে উত্তর দাও : ২×৭ = ১৪

৫.১ কিডপ্রিক ক্লোরাইডের জলীয় দ্রবণে জিঙ্কের টুকরো যোগ করলে কী ধরনের বিক্রিয়া হবে? বিক্রিয়ার সমীকরণ লেখো।

উত্তরঃ কিউগ্রিক ক্লোরাইডের জলীয় দ্রবণে জিঙ্কের টুকরো যোগ করলে জিঙ্ক ক্লোরাইড উৎপন্ন হয় এবং ধাতব কপার অধঃক্ষিপ্ত হয়।

image 23

৫.২ কী কী উপায়ে ফিল্টার যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল তৈরি করা যায়?

উত্তরঃ ফিল্টার যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল তৈরির প্রক্রিয়া-

প্রথমত, জলকে অন্তত ২০ মিনিট ফুটিয়ে জলকে বিশুদ্ধ করা যেতে পারে।

দ্বিতীয়ত, জলে হ্যালোজেন ট্যাবলেট মিশিয়ে বিশুদ্ধ পানীয় জল তৈরি করা যেতে পারে।

তৃতীয়ত, জলে প্রায় ৩০ মিনিট ফটকিরি ডুবিয়ে জলকে পানীযোগ্য করা যায়়

৫.৩ পৃথিবী যে নিজেই একটা চুম্বক তার পক্ষে কী প্রমাণ আছে?

উত্তরঃ পৃথিবী  যে  নিজেই  একটা  চুম্বক  তার  পক্ষে  অনেক  প্রমাণ  আছে।  যেমন  একটি  দন্ড চুম্বককে ঝুলন্ত  অবস্থায়  রেখে  দিলে  পৃথিবীর  চুম্বকত্বের  প্রভাবে  চুম্বকটি  সর্বদা  উত্তর-দক্ষিণ  মুখ করে  থাকে।

৫.৪ কী কী উপায়ে উদ্ভিদে স্বপরাগযোগ ঘটাতে পারে?

উত্তরঃ নিম্নলিখিত  উপায়ে  স্বপরাগযোগ  ঘটতে  পারে  – (i) একটি  ফুলের  থেকে  পরাগরেণু  সেই  ফুলের গর্ভমুণ্ডে  স্থানান্তরিত  হয়ে। (ii)  একটি  ফুলের  থেকে  পরাগরেণু  সেই  গাছের  অন্য  ফুলের  গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত  হয়ে।

৫.৫ চালু লাইনের কাজ করার সময় ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কীসের ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করা উচিত লোহার চেয়ার না কাঠের টুল? কেন?

উত্তরঃ চালু লাইনের কাজ করার সময় ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাঠের টুলের ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করা উচিত।  কারণ, কাঠ হলো তড়িতের কুপরিবাহী, অর্থাৎ কাঠের মধ্য দিয়ে তড়িৎ চলাচল করতে পারে না।তাই  ইলেকট্রিক মিস্ত্রিরা কাজ করার সময় কাঠের টুলের ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করলে বৈদ্যুতিক শক খাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

৫.৬ উদ্ভিদের মূলের প্রধান কাজ কী কী?

উত্তরঃ উদ্ভিদের মূলের প্রধান কাজগুলি হলো:

i. উদ্ভিদের মূল উদ্ভিদকে মাটির সঙ্গে শক্তভাবে আবদ্ধ করে রাখে ।

ii. উদ্ভিদের মূল মাটি থেকে জল ও প্রয়োজনীয় খনিজ লবণ শোষণে সাহায্য করে।

৫.৭ হাতে স্পিরিট বা ইথার ঢাললে ঠান্ডা লাগে কেন ?

উত্তরঃ হাতে বা গায়ে স্পিরিট লাগলে ঠান্ডা বোধ হয়। স্পিরিট উদবায়ী তরল বলে দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়। এই বাষ্পায়নের জন্য স্পিরিট প্রয়োজনীয় লীন তাপ হাত বা গা থেকে গ্রহণ করে। ফলে হাত বা গা- এর স্পিরিট- লাগা অংশটুকু ঠান্ডা হয়ে যায়।

৬. তিন-চারটি বাক্যে উত্তর দাও : ৩×৬ =১৮

৬.১ যে উয়তায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের পাঠ সমান হবে তা নির্ণয় করো।

উত্তরঃ ধরি, নির্ণেয় উষ্ণতা = x0

 C = F = x0

image 24
অতএব  – 40° তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলে পাঠ একই হবে।

৬.২ কোয়াশিওরকর রোগ কেন হয় এবং এই রোগে কী কী লক্ষণ দেখা যায় ?

উত্তরঃ খাদ্যে উপযুক্ত পরিমাণে প্রোটিন ও ক্যালোরির অভাবে সাধারনত ১ থেকে ৪ বছরের শিশুদের দেহে এই রোগ দেখা যায়।

লক্ষণ : কোয়াশিওরকর রোগের প্রধান লক্ষণ দেখা সেগুলি হল –

(১) শিশুদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়

(২) উদর বেশ বড়ো হয়

(৩) ত্বক আঁশযুক্ত ও ভঙ্গুর   

(৪) শরীরে রক্তাল্পতা দেখা যায়

(৫) হাত পা ও গলা সরু হয়ে যায়

(৬) পা ও হাত বেঁকে যায়

(৭) শরীরের ওজন কমে যায়

(৮) মাথার চুল পাতলা ও বিবর্ণ হয়ে যায়

৬.৩ একটি চিহ্নিত চিত্রের সাহায্যে ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে প্রতিসরণের ক্ষেত্রে আলোকরশ্মির গতিপথ কেমন হবে তা দেখাও।

উত্তরঃ


image 25

৬.৪ সাপ কীভাবে জেকবসনস অগ্যান’– এর সাহায্যে তার চারপাশের পরিবেশ সম্বন্ধে জানতে পারে।

উত্তরঃ বিভিন্ন  প্রাণীর  দেহ  থেকে  নানা  উদবায়ী  যৌগের  অণু  বাতাসের  মধ্যে  দিয়ে  ছড়িয়ে  পড়ে। সাপের  জিভে  সেইসব  যৌগের  অণুরা  আটকে  যায়।  তারপর  সাপ  মুখের  মধ্যে  জিভটা  ঢুকিয়ে  নিয়ে উপরের  তালুতে  ঠেকায়।  সেখানে  থাকে  একটি  বিশেষ  অঙ্গ।  একে  বলা  হয়  জেকবসন  অর্গ্যান।  সাপ  যখন  জিভটা  সেখানে  ঠেকায়  তখন  সেই  গন্ধের  অনুগুলো  মস্তিষ্কে  উদ্দীপনা  সৃষ্টি  করে।  এইভাবে  সাপ  ‘ জেকবসনস  অর্গ্যান ‘ – এর  সাহায্যে  তার  চারপাশের  পরিবেশ  সম্বন্ধে  জানতে পারে।

৬.৫ সুচিছিদ ক্যামেরার ছিদ্রটি বড়ো করা হলে প্রতিকৃতির কী পরিবর্তন হবে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃসুচিছিদ্র ক্যামেরার ছিদ্রটি বড়ো করা হলে প্রতিকৃতি অস্পষ্ট হয়ে যাবে কারণ, সুচিছিদ্র ক্যামেরার ছিদ্রটি বড়ো করা হলে তা অসংখ্য ছোটো ছোটো ছিদ্রের সমষ্টিরূপে কাজ করে। ফলে প্রতিটি সুক্ষ্ম ছিদ্র এক একটি পৃথক পৃথক প্রতিকৃতি তৈরি করে। এর ফলে সমস্ত প্রতিকৃতি গুলি মিশে গিয়ে একটি অস্পষ্ট প্রতিকৃতি তৈরী করে।

৬.৬ সমুদ্রের মাছ কীভাবে নিজের দেহে জলের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখে ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ

নিম্নলিখিত পদ্ধতির মাধ্যমে সমুদ্রের মাছ নিজের দেহে জলের পরিমান স্বাভাবিক রাখে :

i. সমুদ্রের মাছ ঘন মূত্র ত্যাগ করে ফলে তাদের দেহ থেকে খুব কম পরিমাণ জল বেরিয়ে যায়।

ii. সমুদ্রের মাছ ফুলকার মাধ্যমে দেহের অতিরিক্ত আয়ন ত্যাগ করে।



No comments:

Post a Comment