Model Activity Task Class 8 Part 8 History
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 8 Part 8 পরিবেশ ও ইতিহাস
১. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও : ১ x ৪=৪
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ১.১ আবওয়াব ১.২ সাহুকার ১.৩ দাদন ১.৪ রায়ত | (ক) মহাজন (খ) অগ্রিম অর্থ (গ) কৃষক (ঘ) বেআইনি কর |
উত্তরঃ
| ‘ক’ স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ১.১ আবওয়াব ১.২ সাহুকার ১.৩ দাদন ১.৪ রায়ত | ঘ) বেআইনি কর ক) মহাজন খ) অগ্রিম অর্থ গ) কৃষক |
২. সঠিক তথ্য দিয়ে নীচের ছকটি পূরণ করো : ১ x ৮=৮
| বিদ্রোহ | একজন নেতার নাম | কারন (যে কোনো একটি) |
| নীল বিদ্রোহ | ||
| বারাসাত বিদ্রোহ | ||
| সাঁওতাল বিদ্রোহ | ||
| মুণ্ডা বিদ্রোহ | |
উত্তরঃ
| বিদ্রোহ | একজন নেতার নাম | কারন (যে কোনো একটি) |
| নীল বিদ্রোহ | বিষ্ণুচরন বিশ্বাস, দিগম্বর বিশ্বাস | নীলকর কোন নীলচাষীকেই ন্যায্য দাম দেয় না। |
| বারাসাত বিদ্রোহ | মীর নিসার আলী (তিতুমীর) | ব্রিটিশদের অত্যাচার |
| সাঁওতাল বিদ্রোহ | সিধু কানহু | বহিরাগত মহাজনদের অত্যাচার |
| মুণ্ডা বিদ্রোহ | বিরসা মুণ্ডা | জমিদার মহাজন’ খ্রিষ্টান মিশনারি ও ঔপনিবেশিক সরকারের অত্যাচার |
৩. সত্য বা মিথ্যা নির্ণয় করো : ১ x ৪=৪
৩.১ ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে লর্ড নর্থব্রুক জারি করেন নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন।
উত্তরঃ সত্য
৩.২ ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ১৬ অক্টোবর বাংলা বিভাজনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা হয়।
উত্তরঃ সত্য
৩.৩ পাঞ্জাবে লালা লাজপত রাই-এর নেতৃত্বে শিবাজি উৎসব চালু হয়।
উত্তরঃ মিথ্যা
৩.৪ সাঁওতালরা ঔপনিবেশিক শাসকের শোষনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল।
উত্তরঃ মিথ্যা
৪. সঠিক শব্দ বেছে নিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো : ১ x ৪=৪
৪.১ ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে কে বাংলার নাজিম পদ দেওয়া হয় (মুর্শিদকুলি খান/সাদাৎ খান/আলিবর্দি খান)।
উত্তরঃ মুর্শিদকুলি খান
৪.২ ১৭২২ খ্রিষ্টাব্দে এর নেতৃত্বে অযোধ্যা এবং স্বশাসিত আঞ্চলিক শক্তি হিসাবে গড়ে ওঠে (নিজাম-উল-মুলক/ সাদাৎ খান/সফদর জং)।
উত্তরঃ সাদাৎ খান
৪.৩ ১৭২৪ খ্রিষ্টাব্দে হায়দ্রাবাদ রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন (ফররুখশিয়র / নিজাম-উল-মুলক/সাদাৎ খান)।
উত্তরঃ নিজাম-উল-মুলক
৪.৪ ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দে দেশীয় মুদ্রণ আইন জারি করেন (লর্ড লিটন/ লর্ড রিপন/ লর্ড বেন্টিঙ্ক/লর্ড ক্যানিং)
উত্তরঃ লর্ড লিটন
৫. চার-পাঁচটি বাক্যে উত্তর দাও : ৩ x ৫=১৫
৫.১ কে, কি উদ্দেশ্যে সিভিল সার্ভিস চালু করেন?
উত্তরঃ ভারতে সিভিল সার্ভিস চালু করেন লর্ড কর্ণওয়ালিশ। সিভিল সার্ভিস চালু করার পিছনে লর্ড কর্ণওয়ালিশের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল প্রশাসনিক কাজের মানকে উন্নত ও দ্রুতগামী করা এবং রাজস্ব বিভাগের কর্মচারীদের দক্ষ করার জন্য ও সাধারণ কর্মচারীদের দুর্নীতি বন্ধ করা।
৫.২ ব্যাপটিস্ট মিশন শিক্ষার প্রসারে কেমন ভূমিকা পালন করেছিল?
উত্তরঃ ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে উইলিয়াম কেরি, মার্শম্যান ও উইলিয়ম ওয়ার্ডের মিলিত প্রচেষ্টায় শ্রীরামপুরে ব্যাপটিস্ট মিশনারি প্রতিষ্ঠা হয়। শিক্ষার প্রসারে ব্যাপটিস্ট মিশনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই মিশনের প্রচেষ্টাতেই ১২৬টি বিদ্যালয় ও প্রায় দশ হাজার ভারতীয় ছাত্র পাশ্চাত্য শিক্ষার সুযোগ পায়।
৫.৩ পণ্ডিতা রমাবাঈ কেন স্মরণীয়?
উত্তরঃ পণ্ডিতা রমাবাই একজন মহিলা অধিকারি, শিক্ষা কর্মী, ভারতের নারীদের শিক্ষা, মুক্তি দানের অগ্রদূত এবং একজন সমাজ সংস্কারক। তিনি প্রথম নারী যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পণ্ডিত এবং সরস্বতী উপাধিতে ভূষিত হন। ১৮৯০ সালে তিনি পুনে শহর থেকে চল্লিশ মাইল পূর্বে কেদগাঁও গ্রামে মুক্তি মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। পরে মিশনটির নামকরণ করা হয় পণ্ডিতা রমাবাই মুক্তি মিশন।
৫.৪ ইয়ং বেঙ্গল দলের দুটি সীমাবদ্ধতার উল্লেখ করো।
উত্তরঃ ইয়ং বেঙ্গল দলের দুটি সীমাবদ্ধতা হল-
(i ) ইয়ং বেঙ্গল দল শুধু হিন্দু সমাজের সংস্কার নিয়ে চিন্তাভাবনায় ব্যস্ত ছিল । মুসলিম সমাজের সংস্কার নিয়ে গোষ্ঠীর সদস্যরা কোনো চিন্তাভাবনা করেননি।
(ii) ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী দেশের দরিদ্র কৃষক ও শ্রমিকদের দুরবস্থা ও সমস্যা সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদাসীন ছিলেন।
৫.৫ ইলবার্ট বিলকে নিয়ে কেন বিতর্কের সূচনা হয়েছিল?
উত্তরঃ কোনও ভারতীয় বিচারকের ইউরোপীয়দের বিচার করার অধিকার ছিল না। গভর্নর জেনারেল লর্ড রিপনের আইনসভার সদস্য ইলবার্ট বিচার বিভাগীয় ক্ষেত্রে এই অসংগতি দূর করার চেষ্টা করেন তার প্রস্তাবিত একটি বিলে ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের বিচার করার অধিকার দেওয়া হয়, এই বিলের প্রতিবাদে ইউরোপীয়রা সংগঠিতভাবে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।শ্বেতাঙ্গদের এই আন্দোলনের ফলে ঐ বিল প্রত্যাহার করা হয়। বিল প্রত্যাহার হলে ভারত সভার উদ্যোগে ভারতীয়রা আন্দোলন শুরু করেন।উভয়পক্ষের আন্দোলন ও পাল্টা আন্দোলন ইলবার্ট বিল বিতর্ক নামে পরিচিত।
৬. আট-দশটি বাক্যে উত্তর দাও : ৩ x ৫=১৫
৬.১ জমি জরিপ ও রাজস্ব নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ঔপনিবেশিক প্রশাসন কী কী পদক্ষেপ নিয়েছিল?
একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া৷ফ্রাঙ্কল্যান্ড ১৭৬০ সালে জমি জরিপের কাজ শুরু করেন।১৭৭০ সালে কোম্পানি তৈরি করেছিল কম্পট্রোলিং কাউন্সিল অফ রেভিনিউ বোর্ড এবং পরে এর নাম দেওয়া হয় বোর্ড অফ রেভিনিউ এবং রাজস্ব আদায়ের জন্য চালু করেছিলেন পাঁচসালা বন্দোবস্ত, দশসালা বন্দোবস্ত, একসালা বন্দোবস্ত, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এবং রায়তওয়ারি, মহলওয়ারি বন্দোবস্ত ইত্যাদি।
পাঁচসালা বন্দোবস্ত- ১৭৭২ ভ্রাম্যমান কমিটির সুপারিশে হেস্টিংস পাঁচ বছরের জন্য জমি বন্টন করেন যা পাঁচসালা বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
একসালা বন্দোবস্ত- পাঁচসালা বন্দোবস্তের অসুবিধাগুলি দূর করতে হেস্টিংস চালু করেছিলেন একসালা বন্দোবস্ত।
দশসালা বন্দোবস্ত- ১৭৯০ এ লর্ড কর্নওয়ালিস চালু করেছিলেন দশসালা বন্দোবস্ত।
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত- দশসালা বন্দোবস্ত সফল না হওয়ায় কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে চালু করেছিলেন চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। এছাড়াও, রায়তওয়ারি মহলওয়ারি বন্দোবস্ত- রায়তওয়ারি মহলওয়ারি বন্দোবস্ত ইত্যাদি ছিল জমি জরিপ ও রাজস্ব আদায়ের কয়েকটি পদক্ষেপ।
৬.২ ‘সম্পদের বহির্গমন’ বলতে কী বোঝো?
উত্তরঃ ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে এক ব্রিটিশ আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত থেকে বছরে প্রায় ২-৩ কোটি স্টার্লিং মূল্যের সম্পদ ব্রিটেনে যেত। বিনিময়ে ভারতে আসত সামান্য মূল্যের কিছু যুদ্ধের সামগ্রী। উপনিবেশ হিসেবে ভারতের সম্পদ ব্রিটেনে স্থানান্তরিত করা হত।কিন্তু পরিবর্তে ভারতের আর্থিক উন্নয়ন সেভাবে হত না। এভাবে দেশের সম্পদ বিদেশে স্থানান্তরকরণকেই বলা হয় সম্পদের বহির্গমন। ভারতের সম্পদ বহির্গমনের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ শাসন স্পঞ্জের মতো কাজ করত। ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধেও চলেছিল সম্পদ নির্গমন।
৬.৩ বিশ শতকের প্রথম দিকে বাংলায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন গুপ্ত সমিতির পরিচয় দাও।
উত্তরঃ বিশ শতকের প্রথমদিকে বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর থেকে বাঙালি জাতির মধ্যে ইংরেজদের মধ্যে গড়ে উঠেছিল তীব্র প্রতিবাদ এবং বাংলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছিল গুপ্ত সমিতি।
(i) অনুশীলন সমিতি: এটি ছিল বঙ্কিচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আদর্শে গঠিত বাংলার একটি সশস্ত্র ব্রিটিশ বিরোধী সংগঠন। বিশ শতকের প্রথমদিকে আড়ালে তারা কাজকর্ম চালাত। পরে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে এই সমিতির শাখাও তৈরি হয়েছিল।
(ii) যুগান্তর দল: ১৯০৬ সালে একটি গুপ্ত বিপ্লববাদী সংস্থা, সংগঠিত হয়েছিল। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন অরবিন্দ ঘোষ, বারিন্দ্র কুমার ঘোষ প্রমুখরা। এদের লক্ষ ছিল সশস্ত্র পথেই বৈপ্লবিক আদর্শ প্রচার। এই দলের সদস্যরাই প্রথম বিদেশি শাসকদের বিরুদ্ধে বোমা ও পিস্তলের রাজনীতি অনুসরণ করেন।
(iii) বেঙ্গল ভলেন্টিয়ার্স- ১৯০৫ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুক্তিসংঘ ১৯২৮-এ বেঙ্গল ভলেন্টিয়ার্স নামে পরিচিত হয়। পরে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে এই দলের কার্যাবলী ছড়িয়ে পড়ে।
ABUMOTALEB SIR
No comments:
Post a Comment