Model Activity Task Class 9 Part 8 Geographic মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 9 Part 8 ভূগোল


ABUMOTALEB SIR


 

Model Activity Task Class 9 Part 8 Geographic

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 9 Part 8 ভূগোল

১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি  করে লেখো:            ১×৯ = ৯

১.১ সৌরজগতের বহিঃস্থ গ্রহগুলির যে বৈশিষ্ট্যটি থাকেনা সেটি হলো—

ক)এরা আকারে বড়

খ) এদের নির্দিষ্ট কক্ষপথ আছে

গ) এরা কঠিন শিলায় গঠিত

ঘ) এরা সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থিত

উত্তরঃ এরা কঠিন শিলায় গঠিত

১.২ সূর্যের উত্তরায়নের শেষ সীমা হলো—

ক) মকরক্রান্তি রেখা

খ) কর্কটক্রান্তি রেখা

গ) কুমেরুবৃত্ত রেখা

ঘ)সুমেরুবৃত্ত রেখা

উত্তরঃ কর্কটক্রান্তি রেখা

১.৩ মানবিক সম্পদের একটি উদাহরণ হলো

ক) সূর্যালোক

(খ) প্রাকৃতিক গ্যাস

গ) দক্ষতা

ঘ) তাপ শক্তি

উত্তরঃ দক্ষতা

১.৪ বিষুবরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি কোন হলো

ক) ০

খ) ৯০

গ) ৬০

ঘ) ৪৫

উত্তরঃ  ০০      ।

১.৫ ভূ-আলোড়ন ভূপৃষ্ঠে অনুভূমিকভাবে কাজ করলে সৃষ্টি হয়—

ক) স্তূপ পর্বত

খ) ভঙ্গিল পর্বত

গ) গ্রস্ত উপত্যকা

ঘ) মহাদেশ

উত্তরঃ ভঙ্গিল পর্বত

১.৬ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো –

ক) তিস্তা নদী— জোয়ারের জলে পুষ্ট

খ) দার্জিলিং জেলা – দৈনিক উষ্ণতার প্রসর বেশি

গ) মালভূমির ল্যাটেরাইট -মৃত্তিকা জলধারণ ক্ষমতা কম

ঘ) পাইন – ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ

উত্তরঃ মালভূমির ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা — জলধারণ ক্ষমতা কম

১.৭ অক্ষরেখার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো

ক) সর্বোচ্চ অক্ষরেখার মান ০

খ) প্রতিটি অক্ষরেখা মহাবৃত্ত

গ) অক্ষরেখাগুলি পরস্পরের সমান্তরাল

ঘ) প্রতিটি অক্ষরেখার পরিধি সমান

উত্তরঃ অক্ষরেখাগুলি পরস্পরের সমান্তরাল

১.৮ বিদার অগ্ন্যুামের মাধ্যমে সৃষ্ট ভূমিরূপ হলো

ক) স্তূপ পর্বত

(খ) লাভা মালভূমি

গ) পর্বতবেষ্টিত মালভূমি

ঘ) আগ্নেয়গিরি

উত্তরঃ লাভা মালভূমি

১.৯ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো

(ক) দামোদর নদী – পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল

খ) কালিম্পং জেলা – সমুদ্র থেকে দূরবর্তী স্থান

গ) পলল মৃত্তিকা -পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চল

ঘ) অ্যালপাইন উদ্ভিদ – সুন্দরবন অঞ্চল –

উত্তরঃ কালিম্পং জেলা – সমুদ্র থেকে দূরবর্তী স্থান

২. শূন্যস্থান পূরণ করোঃ           ১×৩ = ৩

২.১ দ্রাঘিমারেখাগুলি নিরক্ষরেখাকে _____________ কোণে ছেদ করেছে।

উত্তরঃ 90  ডিগ্রী

২.২ আবহবিকারগ্রস্ত শিলা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে মূল শিলার উপর যে শিথিল আবরণ তৈরি করে তাকে ___________ বলে।

উত্তরঃ রেগোলিথ

২.৩ দার্জিলিং জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নিত্যবহ নদী হলো ________________।

উত্তরঃ মহানন্দা

৩. বাক্যটি সত্য হলে ‘ঠিক’ এবং অসত্য হলে ‘ভুল’ লেখো :                ১×৩ = ৩

৩.১ নিরক্ষরেখায় অভিকর্ষের মান সর্বাধিক।

উত্তরঃ ভুল

৩.২ কোরিওলিস বলের প্রভাবে উত্তর গোলার্ধে আয়ন বায়ু বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।

উত্তরঃ ভুল

৩.৩ অচিরাচরিত শক্তির একটি উৎস জোয়ারভাটা শক্তি।

উত্তরঃ ঠিক

৪. একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও :               ১×৩ = ৩

৪.১. কোনো স্থানের দ্রাঘিমা ২৪০ পূঃ হলে ঐ স্থানটির প্রতিপাদসস্থানের দ্রাঘিমা কত হবে?

উত্তরঃ কোনো স্থানের দ্রাঘিমা ২৪ পূঃ হলে ঐ স্থানটির প্রতিপাদস্থানের দ্রাঘিমা কত হবে ২৪ পশ্চিম।

৪.২ একটি পর্বতবেষ্টিত মালভূমির নাম লেখো।

উত্তরঃ একটি পর্বতবেষ্টিত মালভূমির নাম হল তিব্বত মালভূমি।

৪.৩ কোন জলবায়ু অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকারের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়?

উত্তরঃ ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ু অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকারের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়।

৫. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাওঃ            ৪× ২ = ৮

৫.১ কোনো একটি নিরপেক্ষ সামগ্রীর সম্পদ হয়ে ওঠার শর্তগুলি উল্লেখ করো।

উত্তরঃ কোনো একটি নিরপেক্ষ সামগ্রীর সম্পদ হয়ে ওঠার শর্তগুলি হল –

1. কার্যকারিতা

2. উপযোগতা বা অভাব মোচনের ক্ষমতা

3. গ্রহণযোগ্যতা

4. সর্বজনীন চাহিদা

৫.২ GPS এর দুটি ব্যবহার উল্লেখ করো।

উত্তরঃ GPS – এর দুটি ব্যবহার হল –

1. ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানের সঠিক অবস্থান ও উচ্চতা

নির্ণয়ে,

2. যানবাহন চলাচলের সঠিক দিশা দেখাতে।

৫.৩ নদী ও খালের জলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাবগুলি কী কী?

উত্তরঃ নদী ও খালের জলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাবগুলি হল-

ক.অতিরিক্ত জল সেচের কারণে মাটির উপরের খনিজ নীচের স্থানে চলে গেলে কিছুদিন পর চাষবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

খ. নদী বা খালের জলের উপর অতিরিক্ত পরিবহন চলাচল করলে জলে দূষণের মাত্রা বেড়ে যায়।

গ. নদীর জল শিল্পে ব্যবহার হয় এবং সেই শিল্পের বর্জ্য নদী ও খালের জলে মিশে জলের দূষণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

৫.৪ আবহবিকারে প্রাণীদের ভূমিকা উদাহরণসহ আলোচনা করো।

উত্তরঃ আবহবিকারে প্রানীদের ভূমিকা :

মানুষের ভূমিকা :

i) বাসগৃহ নির্মানের শিলার বিচূর্নন ঘটে

ii) কৃষিকার্যের মাধ্যমে যান্ত্রিক আবহবিকার ঘটে

iii) খনিজ উত্তোলন, জলাশয় খনন, শিল্প স্থাপন প্রভৃতির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আবহবিকার ঘটায়়

অন্যান্য প্রাণীদের ভূমিকা :

i) ইঁদুরকেঁচোপ্রেইরি কুকুর প্রভৃতি মৃদভেদী প্রাণীরা মাটিতে গর্ত করে বাস করে ও শিলার বিচূর্ণ ঘটায়।

ii) প্রাণীদের মৃতদেহ ও বজ্র পদার্থ বিয়োজিত হয়ে শিলায় রাসায়নিক আবহবিকার ঘটে।

৬. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :        ৩ × ৩ = ৯ 

৬.১ আমরা পৃথিবীর আবর্তন বেগ অনুভব করিনা কেন?

উত্তরঃ আমরা পৃথিবীর আবর্তন বেগ অনুভব করিনা কারণ আমরাও পৃথিবীর আবর্তন গতির সঙ্গে মান গতিতে ঘুরছি । তাই আমরা পৃথিবীর আবর্তন বেগ অনুভব করিনা।

৬.২ ‘পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ সমভূমি অঞ্চলে বসবাস করেন – ভৌগোলিক কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ পৃথিবীর প্রায় ৯০% লোক সমভূমি অঞ্চলে বাস করে শুধুমাত্র জীবনধারণের পক্ষে অনুকূল প্রাকৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ থাকার জন্য। যেমন:

1. কৃষিকাজের সুবিধা : নদী গঠিত সমভূমি অঞ্চল উর্বর পলিমাটি দিয়ে গঠিত বলে পৃথিবীর অধিকাংশ কৃষিকাজ সমভূমি অঞ্চলে হয়ে থাকে।

2. শিল্প স্থাপনের সুবিধা : শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামালের সহজলভ্যতা, উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা, ঘন জনবসতি ও চাহিদাযুক্ত বাজার সমভূমি অঞ্চলে থাকায় এখানে খনিজ এবং কৃষিভিত্তিক উভয় প্রকার শিল্পই স্থাপিত হতে দেখা যায়।

3. উন্নত পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা : সমতল ভূপ্রকৃতির কারণে সড়কপথ ও রেলপথ সহজে নির্মাণ করা যায় ফলে এক স্থান থেকে অন্য স্থানের মধ্যে সহজে পরিবহন ও যোগাযোগ রক্ষা সম্ভব হয়েছে।

৬.৩ আগ্নেয় পর্বত ও ক্ষয়জাত পর্বতের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

উত্তরঃ

বিষয়আগ্নেয় পর্বতক্ষয়জাত পর্বত
উৎপত্তিআগ্নেয় পর্বত অগ্ন্যুৎপাতের কারণে লাভা, সিন্ডার ও ভস্ম সঞ্চয়ের ফলে সৃষ্টি হয়।ক্ষয়জাত পর্বত প্রাকৃতিক শক্তির ক্ষয়কাজের ফলে এই পর্বত গঠিত হয়।
আকৃতিআগ্নেয় পর্বত শঙ্কু আকৃতির হয়।প্রধানত গম্বুজের মতো হলেও যেকোনো আকৃতির হতে পারে।
 ৭. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :                  ৫× ৩ = ১৫

৭.১ চিত্রসহ নিম্নলিখিত বিষয়গুলির ভিত্তিতে পৃথিবীর গোলীয় আকৃতির প্রমাণ দাও —

(ক) দিগন্তরেখা

(খ) ধ্রুবতারা    

উত্তরঃ

দিগন্ত রেখা : কোনো বড়ো ফাঁকা মাঠে দাঁড়ালে দূরে মনে হয় আকাশ মাটিতে মিশে গেছে। তেমনি সমুদ্রতীরে দাঁড়ালে দূরে মনে হয় জল আকাশকে ছুঁয়ে আছে । পৃথিবী গোলাকার বলেই এটি ঘটেছে। পৃথিবী গোলাকার বলেই ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উপরে ওঠা যায় দিগন্তরেখার বিস্তৃতি তত বাড়ে এবং আকৃতিও বৃত্তচাপের মত হয়।

image 10
 
ধ্রুবতারা : উত্তর গোলার্ধে ধ্রুবতারাকে আমরা নিরক্ষরেখায় 0° কোণে দেখি। নিরক্ষরেখা থেকে যত উত্তরে যাওয়া যায় ততই ধ্রুবতারা উঁচুতে উঠতে উঠতে উত্তর মেরুতে দেখি একেবারে মাথার উপর 90° কোণে । পৃথিবী সমতল হলে সকল স্থান থেকেই ধ্রুবতারাকে একই উন্নতি কোণে দেখা যেত।


image 11

৭.২ ‘উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে তুষারের কার্যের ফলে শিলা আবহবিকারগ্রস্ত হয় – চিত্রসহ ব্যাখ্যা করো। অক্সিডেশন বা জারণ প্রক্রিয়ায় শিলা কীভাবে বিয়োজিত হয় উদাহরণসহ লেখো।

image 40
উত্তরঃ উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে তুষারের কার্যের ফলে যান্ত্রিক আবহবিকারের তুষার খন্ডীকরণ প্রক্রিয়াটি বিশেষভাবে প্রাধান্য লাভ করে থাকে। এই প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত শীতলতার সংস্পর্শে এসে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে শিলা ফাটলের মধ্যে আবদ্ধ জল বরফে পরিণত হয় এবং আয়তনে বেড়ে ফাটলের গায়ে প্রচন্ড চাপ দিতে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রক্রিয়াটি চলতে থাকলে শিলার ফাটলটি আরও বেড়ে যেতে থাকে এবং অবশেষে মূল শিলাদেহ থেকে শিলাস্তর খন্ড খন্ড হয়ে ভেঙে পড়ে। অক্সিডেশন বা জারণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিতে শিলা মধ্যস্থ লৌহযুক্ত খনিজের সাথে অক্সিজেন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শিলার বিয়োজন ঘটিয়ে থাকে।
এই প্রক্রিয়ায় লোহা ফেরাস অক্সাইড থেকে ফেরিক অক্সাইডে পরিণত হয় ও শিলা সহজেই ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। এই প্রক্রিয়ায় শিলার উপর হলদে – বাদামি ছোপ বা মরচে পড়তে শিলার উপর হলদে – বাদামি ছোপ বা মরচে পড়তে দেখা যায়।

৭.৩ পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু কীভাবে মৌসুমী বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়?

উত্তরঃ পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুতে মৌসুমী বায়ু কি প্রভাব ফেলে নিচে আলোচনা করা হলঃ

1. ঋতু পরিবর্তন : মৌসুমী বায়ুর আগমন ও প্রত্যাগমনের উপর ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গে গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল, শরৎকাল ও শীতকাল এই চারটি প্রধান ঋতু পর্যায়ক্রমিকভাবে পরিলক্ষিত হয়।

2. অনিশ্চিত, অনিয়মিত ও অসম বৃষ্টিপাত : পশ্চিমবঙ্গের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৯০ ভাগ ঘটে মৌসুমী বায়ুর আগমনে। কিন্তু মৌসুমী বায়ু খামখেয়ালি প্রকৃতির হওয়ায় এর প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বৃষ্টিপাত যেমনঅনিশ্চিত তেমনি অনিয়মিত।

3. আর্দ্র গ্রীষ্মকাল শুষ্ক শীতকাল : গ্রীষ্মকালের শেষে দক্ষিণের সমুদ্র থেকে মৌসুমী বায়ু প্রচুর জলীয় বাষ্প নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে এবং সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টিপাত হয় । তাই পশ্চিমবঙ্গে গ্রীষ্মকাল আর্দ্র প্রকৃতির। আবার শীতকালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ দিকে ফিরতে থাকে। স্থলভাগ থেকে প্রবাহিত এই বায়তে জলীয়বাষ্প থাকে না।

4. বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহ : মৌসুমী বায়ুর আগমনকালে পশ্চিমবঙ্গে বায়ুপ্রবাহ দক্ষিণ থেকে উত্তরমুখী এবং প্রত্যাগমনকালে উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী হয়।

5. উষ্ণতা : মৌসুমী বায়ুর আগমনের সঙ্গে সঙ্গে আকাশ মেঘে ঢেকে যায়, বৃষ্টিপাত ঘটে ফলে উষ্ণতা অনেকটা কমে যায়।

ABUMOTALEB SIR


No comments:

Post a Comment