Model Activity Task Class 9 Part 8 History
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 9 Part 8 ইতিহাস
১. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও : ১ x ৪ = ৪
| ক-স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ১.১ ইয়ং ইতালি | (ক) সাঁ সিমো |
| ১.২ সেফটি ল্যাম্প | (খ) জোসেফ ম্যাসিনি |
| ১.৩ ইউরোপীয় সমাজতন্ত্র | (গ) বিসমার্ক |
| ১.৪ রক্ত ও লৌহ নীতি | (ঘ) হামফ্রি ডেভি |
উত্তরঃ
| ক-স্তম্ভ | ‘খ’ স্তম্ভ |
| ১.১ ইয়ং ইতালি | (খ) জোসেফ ম্যাৎসিনি |
| ১.২ সেফটি ল্যাম্প | (ঘ) হামফ্রি ডেভি |
| ১.৩ ইউরোপীয় সমাজতন্ত্র | (ক) সাঁ সিমো |
| ১.৪ রক্ত ও লৌহ নীতি | (গ) বিসমার্কক |
২.১ ফ্রান্সে দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তরঃ সত্য
২.২ শিল্প বিপ্লবের সময় ইংল্যান্ড বিশ্বের কারখানা হিসাবে পরিচিতি পায়।
উত্তরঃ সত্য
২.৩ হিটলারের ভাষায় ইতালি ছিল- -‘একটি ভৌগোলিক সংজ্ঞা মাত্র।
উত্তরঃ মিথ্যা
২.৪ এড্রিয়ানোপলের সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়েছিল রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যে।
উত্তরঃ সত্য
৩. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো : ১ x ৪ = ৪
৩.১ ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন (চতুর্দশ লুই/পঞ্চদশ লুই/ষোড়শ লুই/নেপোলিয়ন)।
উত্তরঃ ষোড়শ লুই
৩.২ ‘কাদিদ’ নামক গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন (রুশো/ভলতেয়ার/মস্তেস্ক/দিদেবো)।
উত্তরঃ ভলতেয়ার
৩.৩ ফ্রান্সকে ‘ভ্রান্ত অর্থনীতির যাদুঘর’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। _(নেপোলিয়ন/রোবসপিয়ের/মিরাবো/অ্যাডাম স্মিথ)।
উত্তরঃ অ্যাডাম স্মিথ ।
৩.৪ ১৮৬১ খ্রিঃ ‘মুক্তির ঘোষণাপত্র দ্বারা ভূমিদাস প্রথা উচ্ছেদ হয়েছিল (রাশিয়াতে/ফ্রান্সে/প্রশিয়াতে/অস্ট্রিয়াতে)।
উত্তরঃ রাশিয়াতে
৪. দুটি বা তিনটি বাক্যে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : ২ x ৫ = ১০
৪.১ কারা ‘ইনটেনডেন্ট’ নামে পরিচিত ছিলেন?
উত্তরঃ ফ্রান্সে প্রাক-বিপ্লব সময়ে রাজস্ব আদায়কারী কর্মচারীরা ‘ইনটেনডেন্ট’ নামে পরিচিত ছিল।
৪.২ লিজিয়ন অব অনার’ কী?
উত্তরঃ ‘লিজিয়ন অব অনার’ হলো নেপোলিয়ন প্রবর্তিত এক বিশেষ সম্মান বা উপাধি। তিনি প্রকৃত গুণীদের রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়ায় জন্য এটি চালু করেন।
৪.৩ অর্ডারস ইন কাউন্সিল’ কী?
উত্তরঃ 1806 সালের নভেম্বরে নেপোলিয়ান বার্লিন ডিক্রি জারি করে মহাদেশ থেকে ব্রিটিশ বানিজ্য বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ব্রিটিশ কাউন্সিল কর্তৃক অনুমোদিত সার্বভৌমের জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করে কাউন্সিলে জবাব দেয়। 1807 সালের নভেম্বর এবং ডিসেম্বরের আদেশে ব্রিটিশ বাণিজ্যকে বাদ দিয়ে যেকোনও বন্দরের অবরোধ ঘোষণা করা হয়েছিল। যা ‘অর্ডারস ইন কাউন্সিল’ নামে পরিচিত ছিল।
8.8 রিসর্জিমেন্টো কী?
উত্তরঃ কার্বোনারি সমিতির হাত ধরে ইতালিতে এক জাতীয়তাবাদী জাগরণ তথা আন্দোলনের জন্ম হয়, যাকে বলা হয় রিসর্জিমেন্টো বা পুনরুত্থান বা নবজাগরণ । এই জাগরণের মধ্য দিয়ে ইতালিবাসী তাদের অতীত ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বীরগাথা সম্পর্কে বিশেষ অবগত হয়।
৪.৫ ‘ঘেটো’ কাকে বলা হত?
উত্তরঃ ইউরোপের বিভিন্ন শহরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় (যেমন ইহুদিরা) তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে শহরের একটি নির্দিষ্ট ঘেরা জায়গায় এক সঙ্গে বসবাস করত। এই ঘেরা স্থান বা বসতিগুলিকেই বলা হত ঘেটো। উল্লেখ্য ঘেটো কথাটির উদ্ভব হয় ইটালির ভেনিস শহরকে কেন্দ্র করে।
৫. সাত বা আটটি বাক্যে উত্তর দাও : ৪ x ৫ = ২০
৫.১ কাকে ‘মুক্তিদাতা জার” বলা হয় এবং কেন?
উত্তরঃ রাশিয়ার জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার কে ‘মুক্তিদাতা জার’ বলা হয় |
‘মুক্তিদাতা জার’ বলার কারণ : জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার সিংহাসনে আরোহন করে অনুধাবন করলেন যে, রাশিয়ার পিছিয়ে পড়ার পিছনে একমাত্র ভূমিদাস প্রথা-ই দায়ী | এজন্য তিনি
(i) ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ১৯ ফেব্রুয়ারী তিনি এক আদেশ জারি করে রাশিয়াতে যুগ যুগ ধরে চলে আসা ভূমিদাসদের দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে তাদের স্বাধীন বলে ঘোষণা করেন।
(ii) ভূমিদাসরা স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করার ও সম্পত্তির অধিকার লাভ করেছিল, তাই ভূমিদাসদের কাছে তিনি ‘মুক্তিদাতা জার’ নামে পরিচিত ছিলেন।
৫.২ টীকা লেখো: কোড ‘নেপোলিয়ন’
উত্তরঃ ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সংস্কার কর্মসূচির মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ হলো ‘কোড নেপোলিয়ন’ বা আইনবিধির প্রবর্তন। তার শাসনকালের পূর্বে ফ্রান্সের নানাস্থানে নানা ধরনের বৈষম্যমূলক পরস্পর বিরোধী আইন প্রচলিত ছিল। নেপোলিয়ন সমগ্র ফ্রান্সে একধরনের ব্যবস্থা চালু করে। ফ্রান্সের আইন প্রবর্তনের উদ্দেশ্যে 4 জন বিশিষ্ট আইনজীবীর পরিষদ গঠন করেন। এই পরিষদের প্রচেষ্টায় দীর্ঘ চার বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম আইন-বিধি সংকলিত হয়, যা ‘কোড নেপোলিয়ন’ নামে খ্যাত।
বিশেষত্ব:- আইন রচনা পর 2287 টি আইন কোড 228 নেপোলিয়নে সংবলিত হয়। পরে দেওয়ানী, ফৌজদারি হয়। পরে দেওয়ানী, ফৌজদারি এবং বাণিজ্যিক এই তিন ভাগে আইনগুলিকে ভাগ করা হয় ও চারটি নীতি তে গুরুত্ব দেয়-
(ক) আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান।
(খ) যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি চাকরি এবং বিভিন্ন পদে সকলের সমান অধিকার।
(গ) ফ্রান্সে বৈষম্যমূলক সামন্ততান্ত্রিক প্রথার বিলুপ্তি।
(ঘ) ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকারে স্বীকৃতি।
৫.৩ হিটলারের উত্থানের পশ্চাতে কোন কারণগুলি ছিল?
উত্তরঃ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সমগ্র বিশ্বজুড়ে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল তা থেকে মুক্তির জন্য গণতন্ত্র ও শান্তির বিকল্প রূপে একনায়কতন্ত্র বা সমরবাদী শক্তির উন্মেষ ঘটেছিল। হিটলারের উত্থানের পশ্চাতে কোন কারণগুলি হল-
(১) অপমানজনক ভার্সাই সন্ধির শর্ত:- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে ব্যাপক পরিমাণ ক্ষতিপূরণের শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই শর্ত জার্মানির পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না। হিটলার ভার্সাই সন্ধি লঙ্ঘনের প্রেক্ষাপট তৈরি করে জার্মান জাতির মন জয় করেছিল।
(২) প্রজাতান্ত্রিক সরকারের ব্যর্থতা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি লগ্নে জার্মানিতে প্রজাতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রজাতান্ত্রিক সরকার কৃত ভার্সাই সন্ধি স্বাক্ষর জার্মানদের মনে সরকারের বিরুদ্ধে বিতৃষ্ণা জাগিয়ে দেয়। জার্মানির মানুষ তৃতীয় কোনো শক্তির দিকে ঝুঁকতে থাকে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে হিটলার জার্মানিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার বার্তা প্রচার করে।
(৩) কমিউনিস্ট বিরোধিতা: জার্মানিতে কৃষক-শ্রমিক আন্দোলনে কমিউনিস্টদের প্রভাবে কলকারখানাগুলি বন্ধ হতে শুরু করে। এতে সাধারণ জনগণ তথা মালিক শ্রেণি ভীত হয়ে ওঠে। বাধ্য হয়ে তারা নাৎসি দলের সমর্থন করতে শুরু করে।
৫.৪ ‘এমস টেলিগ্রাম কী?
উত্তরঃ প্রাশিয়ার রাজা প্রথম উইলিয়ম এমস নামক স্থান থেকে তার প্রধানমন্ত্রী বিসমার্কে টেলিগ্রামের মাধ্যমে একটি খবর পাঠান (13 জুলাই, 1870 খ্রি.)। এর বিষয় ছিল ফরাসি দূত বেনেদিতির সঙ্গে রাজা প্রথম উইলিয়মের আলোচনার সার সংক্ষেপ। এটি ইতিহাসে এমস টেলিগ্রাম (Ems Telegram) নামে খ্যাত। এর ফলে ফ্রান্সের সঙ্গে প্রাশিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়েছিল এবং জার্মানির ঐক্য সম্পূর্ণ হয়েছিল।
৬. সাত বা আটটি বাক্যে উত্তর দাও : ৮ x ১ = ৮
জার্মানির ঐক্য আন্দোলনে বিসমার্কের ভূমিকার উল্লেখ করো।
উত্তরঃ জার্মানির প্রথম পর্বের ঐক্য আন্দোলন (1815-1848 খ্রি.) ব্যর্থ হওয়ার পর জার্মানির ঐক্য নিয়ে হতাশা ও জটিলতা দেখা দেয়। এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে 1862 খ্রিস্টাব্দে প্রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন সুদক্ষ কূটনীতিবিদ অটো ফন বিসমার্ক।
‘রক্ত ও লৌহ নীতি: প্রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিসমার্ক জার্মানির ঐক্য সাধনের জন্য রক্ত ও লৌহ নীতি প্রয়োগ করেন। এই নীতির মূল কথা হলো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজনে বল প্রয়োগ করতে হবে।বিসমার্ক মনে করতেন একমাত্র যুদ্ধের মাধ্যমেই জার্মানির ঐক্য সম্ভব, এজন্য তিনি অল্প সময়ের মধ্যে প্রাশিয়ার বাহিনীকে ইউরোপের অন্যতম সেরা বাহিনীতে পরিণত করেন। প্রাশিয়ার আইন সভায় তিনি ঘোষণা করেন গুরুত্বপূর্ণ কাজ বক্তিতা ও ভোটের দ্বারা হবে না, তা করতে হবে রক্ত ও লৌহ নীতি দিয়ে।
রক্ত ও লৌহ নীতির প্রয়োগ: বিসমার্ক যুদ্ধের পরিস্থিতি কে কাজে লাগিয়ে 1864 থেকে 1870 খ্রি: এই ছয় বছরের মধ্যে তিনটি যুদ্ধের সাহায্যে জার্মানির ঐক্য সম্পন্ন করেন। যথা:
A) ডেনমার্কের সঙ্গে যুদ্ধ (1864) জয়়
B) অস্ট্রিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ (1866) জয়
C) ফ্রান্সের সঙ্গে যুদ্ধ (1870) জয়
No comments:
Post a Comment