বিষয়ঃ পরিবেশ ও বিজ্ঞান
শ্রেণীঃ অষ্টম শ্রেণি
১. ঠিক উত্তর নির্বাচন করাে:
১.১) সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে—
(ক) পরিবহণ ও পরিচলন পদ্ধতিতে
(খ) পরিবহণ ও বিকিরণ পদ্ধতিতে
(গ) পরিচলন ও বিকিরণ পদ্ধতিতে
(ঘ) বিকিরণ পদ্ধতিতে
১.২) যেটি তড়িৎবিশ্লেষ্য নয় সেটি হলাে –
(ক) সােডিয়াম ক্লোরাইড
(খ) অ্যামােনিয়াম সালফেট
(গ) গ্লুকোজ
(ঘ) অ্যাসেটিক অ্যাসিড
১.৩) ডিম পােনা প্রতিপালন করা হয় যেখানে সেটি হলাে
(ক) সঞ্জয়ী পুকুর
(খ) হ্যাচারি
(গ) পালন পুকুর
(ঘ) আঁতুর পুকুর
উত্তরগুলিঃ ১.১) (ঘ) বিকিরণ পদ্ধতিতে ১.২) (গ) গ্লুকোজ ১.৩) (ঘ) আঁতুর পুকুর
২. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:
২.১) আলুর যে এনজাইম হাইড্রোজেন পারক্সাইডকে জল ও অক্সিজেনে ভেঙে ফেলে তার নাম লেখাে।
উত্তরঃ আলুর ক্যাটালেজ এনজাইম হাইড্রোজেন পারক্সাইডকে জল ও অক্সিজেনে ভেঙে ফেলে।
২.২) বায়ুর মধ্যে দিয়ে তড়িৎচলাচল ঘটা সম্ভব কীসের জন্য?
উত্তরঃ উপরের আকাশ ও ভূপৃষ্ঠের মধ্যে বিভব পার্থক্য থাকার কারণে বায়ুতে থাকা বিভিন্নরকম আয়ন, আধানযুক্ত সূক্ষ কণার মাধ্যমে বায়ুর মধ্য দিয়ে তড়িৎচলাচল সম্ভব হয়।
২.৩) মুরগী পালনের একটি আধুনিক পদ্ধতি হলাে ‘ডিপ-লিটার’। ‘লিটার’ কী?
উত্তরঃ বিচালি, কাঠের গুঁড়াে, শুকনাে পাতা, ধান, তুলােবীজ আর যবের তুষ, ভুট্টা, আমের খােসা ইত্যাদি দিয়ে ঘরের মেঝেতে জীবের জন্য শয্যা তৈরি করা হয়। একেই লিটার বলে।
৩. একটি বা দুটি বাক্যে উত্তর দাও:
৩.১) উয়তা বৃদ্ধিতে বেশিরভাগ রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায় কেন?
উত্তরঃ বিক্রিয়া শুরু করতে শক্তি প্রয়ােজন। উষ্ণতা বাড়লে অণুদের গতিশক্তি বাড়ে, তখন রাসায়নিক বিক্রিয়া তাড়াতাড়ি ঘটে।
৩.২) ইনফ্লুয়েঞ্জা রােগে কী কী লক্ষণ দেখা যায় ?
উত্তরঃ ইনফ্লুয়েঞ্জা রােগের লক্ষণগুলি হলাে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর, নাক দিয়ে জল পড়া, কাশি, গলা ব্যাথা, পেশী ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথা, মাথাব্যথা এবং ক্লান্তি অনুভব করা।
৪. তিন-চারটি বাক্যে উত্তর দাও:
৪.১) তামার আপেক্ষিক তাপ 0.09 CAL / G°C । 70 গ্রাম ভরের তামার টুকরাের উয়তা 20°C বৃদ্ধি করতে হলে কত পরিমাণ তাপ লাগবে তা নির্ণয় করাে।
উত্তরঃ তামার আপেক্ষিক তাপ, s = 0.09 cal/g° C
ভর, m = 70 গ্রাম
উষ্ণতা বৃদ্ধি, t = 20°C
আমরা জানি,
প্রয়ােজনীয় তাপ, Q = m.s.t
= 70 × 0.09 × 20 ক্যালােরি
= 126 ক্যালােরি
৪.২) “জৈব সার অজৈব সারের চেয়ে ভালাে” – বক্তব্যটির যথার্থতা ব্যাখ্যা করাে।
উত্তরঃ জৈব সারের সাথে অজৈব সার তুলনা করলে বােঝা যায়-
(i) জৈব সার মাটির জলধারণ ক্ষমতা বাড়ায়।
(ii) জৈব সার ব্যবহার করলে মাটি রন্ধ্রযুক্ত হয়। ফলে মাটির মধ্যে দিয়ে বিভিন্ন গ্যাসের আদান-প্রদান ভালাে হয়।
(iii) মাটিতে থাকা উপকারী জীবাণুদের সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে জৈব সার।
(iv) জৈব সার মাটির গঠন উন্নত করতে সাহায্য করে। সতরাং বলা যায় জৈব সার অজৈব সাবের চেয়ে ভালাে।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
No comments:
Post a Comment