October months Model Activity Task Class 10 Part 7 Geography মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 10 Part 7 ভূগোল


 Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 10 Part 7 ভূগোল

১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :  ১ × 8 = 8

১.১ মরু অঞ্চলের শুষ্ক নদীখাত হলো।

ক) প্লায়া   খ) হামাদা   গ) মরুদ্যান   ঘ) ওয়াদি

উত্তর- ঘ) ওয়াদি

১.২. যে ক্ষয়কারী প্রক্রিয়া নদীর ক্ষয়কাজের সঙ্গে যুক্ত নয় সেটি হলো

ক) অবঘর্ষ   খ) অপসারণ   গ) ঘর্ষণ    ঘ) দ্রবণ

উত্তর- খ) অপসারণ

১.৩ উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব লক্ষ করা যায় –

ক) শীতকালে    খ) গ্রীষ্মকালে   গ) বর্ষাকালে    ঘ) শরৎকালে

উত্তর- ক) শীতকালে   

১.৪ ভারতের বৃহত্তম তথ্য প্রযুক্তি শিল্প কেন্দ্র হলো

ক) কলকাতা   খ) হায়দ্রাবাদ   গ) বেঙ্গালুরু    ঘ) চেন্নাই

উত্তর- গ) বেঙ্গালুরু   

২. একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও : ১ × 8 = 8

২.১ বায়ুর প্রবাহপথে আড়াআড়ি অবস্থিত বালিয়াড়ি কী নামে পরিচিত।

উত্তর- বারখান বালিয়াড়ি।

২.২ হিমবাহের উৎপাটন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপের নাম লেখো।

উত্তর- করি বা সার্ক।

২.৩ ভারতের উপদ্বীপীয় মালভূমির একটি স্তূপ পর্বতের নাম লেখো।

উত্তর- সাতপুরা পর্বত।

২.৪ ভারতের কোন মুক্তিকা কার্পাস চাষের পক্ষে আদর্শ?

উত্তর- কৃষ্ণ বা রেগুর মৃত্তিকা

৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২ × ২ = 8

৩.১ বহুমুখী নদী উপত্যকা পরিকল্পনার দুটি উদ্দেশ্য উল্লেখ করো।

উত্তর- বহুমুখী নদী উপত্যকা পরিকল্পনার উদ্দেশ্য –

ক)নদী উপত্যকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

খ) নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে জলাধার সংলগ্ন অঞ্চলে বৃক্ষ রোপণ করা হয়, ফলে ভূমি ক্ষয় প্রতিরোধ হয়।

৩.২ ভারতীয় কৃষির সমস্যা সমাধানের যে কোনো দুটি উপায় উল্লেখ করো।

উত্তর- ভারতীয় কৃষির সমস্যা সমাধানের যে কোনো দুটি উপায় হল-

ক) কৃষিতে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে রসায়নিক সারের ব্যবহার ক্রমশ বাড়াতে হবে।

খ) ধাপ চাষ, সমোন্নতি রেখা বরাবর চাষ, উন্নত কৃষি ব্যাবস্থার প্রয়োগ করে মৃত্তিকায় প্রতিরোধ করতে হবে যাতে ফলে ফসল উৎপাদনের হার বাড়ে।

৪. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও : ৩ × ১ = ৩

৪.১ ভারতীয় পরিবহন ব্যবস্থায় সড়কপথের গুরুত্ব অপরিসীম – বক্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

উত্তর- ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে সড়কপথের গুরুত্ব অপরিসীম-

ক) দ্রুত পরিবহণ : সড়কপথে যেকোনো হালকা পণ্য খুব অল্প সময়ের মধ্যে সহজেই সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে যায়।

খ) কাঁচামাল সংগ্রহ : শিল্পের প্রয়োজনে গ্রাম থেকে কৃষিজ কাঁচামাল নিয়ে আসা, খনি থেকে কয়লা এবং খনিজ পদার্থ নিয়ে শিল্পকেন্দ্রে সহজেই পাঠানো যায়।

গ) নির্মাণ ব্যয় কম : রেলপথের তুলনায় সড়কপথের নির্মাণ ব্যয় কম। তাই ভারতের মতো দেশে সড়কপথের বিকাশ ঘটলে অর্থনীতির ওপর কম চাপ পড়বে।

৫. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও :  ৫ × ১ = ৫

৫.১ ভারতের জনবণ্টনের তারতম্যের প্রাকৃতিক কারণগুলি বর্ণনা করো।

উত্তর- 

ক) ভূপ্রকৃতি : হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল, উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের পাহাড়ি অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি বন্ধুর ও পাথুরে বলে কৃষিকাজের অনুপযুক্ত। এইসব অঞ্চল তাই জনবিরল। অপরদিকে, উত্তর ভারতের সমভূমি এবং উপকূলীয় সমভূমি অঞ্চল কৃষি, পরিবহন ব্যবস্থা, শিল্প প্রভৃতি ক্ষেত্রে উন্নত হওয়ায়, এইসব অঞ্চলের জনঘনত্ব খুব বেশি।

খ) নদনদী: উত্তর ভারতের গঙ্গা, সিন্ধু ও ব্রহ্মপুত্র এবং দক্ষিন ভারতের মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী, প্রভৃতি নদী উপত্যকা অঞ্চলের জনসংখ্যা বেশি।কারণ এইসব নদী থেকে খুব সহজেই জলসেচ, জলনিকাশি, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, জলপথে পরিবহন, পানীয় জলের সরবরাহ, মৎস্য চাষ প্রভৃতি নানা সুবিধা পাওয়া যায়।

গ) জলবায়ু: উত্তর ও পূর্ব ভারতের সমভূমি অঞ্চলে অনুকূল জলবায়ুর জন্য জনঘনত্ব বেশি। অপরদিকে, রাজস্থানের মরু অঞ্চলে বা গুজরাতের কচ্ছ অঞ্চলে শুল্ক জলবায়ুর জন্য জনঘনত্ব কম।

ঘ) মাটি: ভারতের যেসব স্থানের মৃত্তিকা উর্বর ও চাষযোগ্য সেখানে জনবসতির ঘনত্ব অপেক্ষাকৃত বেশি।যেমন দাক্ষিণাত্যের লাভা অঞ্চলে উর্বর কৃষ্ণ মৃত্তিকার জন্য এবং গঙ্গা, সিন্ধু ও ব্রহ্মপুত্র, মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা প্রভৃতি নদী উপত্যকা এবং বদ্বীপ অঞ্চলে উর্বর পলিমাটির জন্য জনঘনত্ব বেশি।

ঙ) অরণ্য: পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢালে এবং পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশে গভীর অরণ্যের জন্য লোক বসতি কম।

Google Search - www.motaleb783.blogspot.com


No comments:

Post a Comment