Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 7 পরিবেশ ও বিজ্ঞান
১. ঠিক উত্তর নির্বাচন করো : ১×৩=৩
১.১. তড়িতের সুপরিবাহী পদার্থটি হলো
(ক) প্লাস্টিক
(খ) চিনেমাটি
(গ) কাঠ
(ঘ) তামা
উত্তর- (ঘ) তামা
১.২ সমতল আয়নায় প্রতিফলনের ফলে যে অক্ষরটির পার্শ্বীয় পরিবর্তন হবে না তা হলো
(ক) R
(খ) S
(গ) O
(ঘ) C
উত্তর- (গ) O
১.৩ ফুলের যে অংশটাফলে পরিণত হয় সেটা হলো
(ক) বৃতি
(খ) দলমণ্ডল
(গ) পরাগধানী
(ঘ) ডিম্বাশয়
উত্তর- (ঘ) ডিম্বাশয়
২. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ১×৩=৩
২.১ একটি বাল্বের তাপও আলোকশক্তির উৎস কী ?
উত্তর- একটি বাল্বের তাপ ও আলোকশক্তির উৎস হল ধাতব ফিলামেন্ট।
২.২ উদ্ভিদের মূলত্রের কাজ কী ?
উত্তর- উদ্ভিদের মূলত্রের কাজ গুলি হলো নিম্নরূপ
ক) মূলত্র মূলের নরম অগ্রভাগকে মাটির ঘর্ষণজনিত আঘাত থেকে রক্ষা করে।
খ) মূলত্র থেকে একপ্রকার পিচ্ছিল রস বের হওয়ায় মূল অতি সহজেই মাটির ভিতরে প্রবেশ করে।
২.৩ মৃদভেদী ও মৃদবর্তী অঙ্কুরোদগমের মধ্যে একটি পার্থক্য উল্লেখ করো।
উত্তর- মৃদভেদী অঙ্কুরোদগমের ক্ষেত্রে বীজের বীজপত্র মাটির মধ্যে থাকে।
কিন্তু মৃদবর্তী অঙ্কুরোদগমের ক্ষেত্রে বীজের বীজপত্র মাটির ওপরে উঠে আসে।
৩. একটি বা দুটি বাক্যে উত্তর দাও : ২×৪=৮
৩.১ একটি দণ্ডচুম্বকের ‘উদাসীন অঞ্চল’ বলতে কী বোঝায় তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর- দণ্ডচুম্বকের দুই মেরুর মধ্যবর্তী অঞ্চলে কোনোরকম আকর্ষণ বা বিকর্ষণ ক্ষমতা না থাকায় এই অঞ্চলটিকে উদাসীন অঞ্চল বলা হয় ।
৩.২ অভিসারী ও অপসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝায় তা ছবি এঁকে বোঝাও।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
উত্তর-
অভিসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ :
যদি কোনও আলোকরশ্মিগুচ্ছের রশ্মিগুলি আলোর গতির কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় তখন ওই রশ্মিগুচ্ছকে অভিসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলে।
অপসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ :
যদি কোনও আলোর আলোকরশ্মিগুলি এমন হয় যে, তারা নির্দিষ্ট কোনও বিন্দু থেকে নির্গত হয়ে রশ্মিগুলো আলোর গতির পরস্পর থেকে দূরে সরে যায় তবে ওই রশ্মিগুচ্ছকে অপসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলে।

৩.৩ উদ্ভিদের পাতার প্রধান কাজ কী কী ?
উত্তর-
ক) পাতায় ক্লোরোফিল থাকায় খাদ্য তৈরি করতে পারে। তাই পাতাকে ‘গাছের রান্নাঘর’ বলে।
খ) পাতায় থাকা পত্ররন্ধ্র জলীয় বাষ্প ত্যাগ ও গ্যাসীয় পদার্থের বিনিময়ে সাহায্য করে।
৩.৪ “ব্যাকটেরিয়াঘটিত নানা রোগের চিকিৎসায় পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হয়”। ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগে এই ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করার কারণ বিশ্লেষণ করো।
উত্তর- অ্যান্টিবায়োটিক কয়েক ধরণের জৈব-রাসায়নিক ঔষধ যা অণুজীবদের (বিশেষ করে ব্যাক্টেরিয়া) বৃদ্ধিরোধ করে। সাধারানত এক এক অ্যান্টিবায়োটিক এক এক ধরণের অণুজীব তৈরি করে ও অন্যান্য অণুজীবের বিরুদ্ধে কাজ করে। আমাদের শরীর বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়ে রোগগ্রস্ত হয়। পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন সেই ব্যাকটেরিয়া গুলিকে ধ্বংস করে ফলে শরীর সুস্থ হয়। ব্যাকটেরিয়াঘটিত নানা রোগের চিকিৎসায় পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হয়।
৪. তিন-চারটি বাক্যে উত্তর দাও : ৩×২=৬
৪.১ একটি বিস্তৃত আলোক উৎস ও বিস্তৃত অস্বচ্ছ বস্তু নিয়ে পরীক্ষা করলে, কীভাবে পর্দায় প্রচ্ছায়া ও উপচ্ছায়া গঠিত হবে তা ছবি এঁকে চিহ্নিত করো।
উত্তর-

PQ বিস্তৃত আলোক উৎস। এই আলোক উৎসকে অসংখ্য বিন্দু আলোক উৎসের সমষ্টি ধরা যেতে পারে।
P হিন্দু থেকে আসা APB ফানেল আকৃতির অংশের আলোক রশ্মিগুচ্ছের কোনো অংশই পর্দায় পৌঁছোতে পারেনি কারণ তারা AB অস্বাচ্ছ বস্তুতে বাধা পেয়েছে। তাই GF অংশে ছায়া সৃষ্টি হয়েছে। আবার একইরকম ভাবে Q বিন্দু থেকে আসা AQB ফানেল আকৃতির অংশের আলোকরশ্মিগুচ্ছের কোনো অংশই পর্দায় পৌঁছোতে পারেনি কারণ AB -তে তারা বাধা পায়। ফলে EH অংশে অন্ধকার গঠিত হয়েছে।
৪.২ “বন্ধ নদমা বা সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে নামার আগে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি” – উপযুক্ত – কারণসহ ব্যাখ্যা করো। উত্তর- বন্ধ নর্দমায় তথা সেপটিক ট্যাংকে বিশেষ প্রকারের মারাত্মক ধরনের গ্যাসের মিশ্রণ থাকে। এই গ্যাস মিশ্রণকে sewer gas বলা হয়ে থাকে। এই গ্যাস মিশ্রণে প্রধানত মিথেন (CH4), হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S), কার্বন ডাই অক্সাইড (Co2), কার্বন মনোক্সাইড (CO), সামান্য পরিমাণে হাইড্রোজেন সায়ানাইড (HCN) থাকে।
কার্বন মনোক্সাইড খুবই মারাত্মক গ্যাস এছাড়া হাইড্রোজেন সায়ানাইড প্রাণঘাতী মারাত্মক গ্যাস, কার্বন মনোক্সাইড আমাদের রক্তের হিমোগ্লোবিন এর সাথে মিশে যায় এবং কারবক্সি হিমোগ্লোবিন নামে একটি যৌগ গঠন করে। রক্তে কারর্বক্সি হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠিত হলে হিমোগ্লোবিন নিজস্ব কাজ অর্থাৎ দেহকোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা বন্ধ করে দেয় যার ফলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তাই বন্ধ নর্দমা বা সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে নামার আগে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
No comments:
Post a Comment