October months Model Activity Task Class 6 Part 7 Poribesh O Bhugol মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 পরিবেশ ও ভূগোল


 

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 পরিবেশ ও ভূগোল

১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো : ১ x ৪ = ৪

১.১ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো-

ক) এক্সোস্ফিয়ার – মেঘের উপস্থিতি      

থ) ভূত্বক – পরিচলন স্রোত

গ) সমুদ্রের জল – পৃথিবীর মোট জলের তিন শতাংশ 

ঘ) বিশ্ব উষ্বায়ন – মরুভূমির প্রসার

উত্তর:  ঘ) বিশ্ব উষ্বায়ন – মরুভূমির প্রসার

১.২ আন্টার্কটিকার স্থায়ী বাসিন্দা পেঙ্গুইনের প্রধান খাদ্য হলো—

ক) সীল       

খ) তিমি

গ) ক্রিল       

ঘ) অ্যালবাট্রস

উত্তর: গ) ক্রিল

১.৩ সূর্যরশ্মির যে অংশ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত না করে সরাসরি মহাশূন্যে ফিরে যায় তাকে

ক) পার্থিব বিকিরণ      খ) কার্যকরী সৌর বিকিরণ

গ) ইনসোলেশন      ঘ) অ্যালবেডো

উত্তর : ঘ) অ্যালবেডো

১.৪ ক্রান্তীয় পর্ণমোচী উদ্ভিদের একটি উদাহরণ হলো –

ক) ফার       

খ) ক্যাকটাস

গ) পলাশ       

ঘ) গরান

উত্তর : গ) পলাশ

২. একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও : ১ x ৪ = ৪

২.১ পৃথিবীর বাইরের শক্ত আবরণ কী নামে পরিচিত?

উত্তর : ভূত্বক

২.২ ‘আন্টার্কটিকা’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর : উত্তরের বিপরীত

২.৩ কোন গোলার্ধে সমোষ্ণরেখাগুলি পরস্পর থেকে দুরে অবস্থান করে?

উত্তর : দক্ষিণ গোলার্ধে

২.৪ ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দু কোনটি?

উত্তর : কন্যাকুমারিকা

৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২ x ২ = ৪

৩.১ ‘বায়ুমণ্ডলই পৃথিবীতে জীবনধারণের অনুকূল তাপমাত্রা বজায় রাখে— বক্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

উত্তর : পৃথিবীকে ঘিরে বায়ুর স্তর না থাকলে অন্যান্য গ্রহের মতোই পৃথিবীও প্রাণহীন হয়ে যেতে পারত। বায়ু ছাড়া উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেঁচে থাকার উপায় হতো না। সূর্যের তাপে পৃথিবী উত্তপ্ত হয় আর দিন ও রাত মিলিয়ে ঐ তাপ ধীরে ধীরে বেরিয়ে যায়। বায়ুমণ্ডল না থাকলে সূর্যাস্তের পর হঠাৎ ভীষণ ঠান্ডা আর সূর্যোদয়ের পর হঠাৎ প্রবল গরম হয়ে যেত পৃথিবী। বায়ুমণ্ডলের জন্য পৃথিবীতে জীবনধারণের অনুকূল তাপমাত্রা বজায় আছে। এছাড়াও প্রতিদিন প্রায় দশ হাজার কোটি ছোটো ছোটো উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে কিন্তু বায়ুমণ্ডলের সাথে ঘষা গেলে জ্বলে ছাই হয়ে যায়। তাই পৃথিবীর সুরক্ষিত থাকে।

৩.২ আন্টার্কটিকার জলবায়ুর দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

উত্তর : আন্টার্কটিকার জলবায়ুর দুটি বৈশিষ্ট্য হলোঃ

  • চিরস্থায়ী বরফ আবৃত থাকে বলে এই মহাদেশ পৃথিবীর শীতলতম অঞ্চল। সারাবছরই হিমশীতল আবহাওয়া, কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর তুষার ঝড় চলে। পৃথিবীর শীতলতম স্থান হলো আন্টার্কটিকার ভস্টক।
  • মে-অগাস্ট মাসে ২৪ ঘন্টায় অন্ধকার থাকে। এই সময় আকাশে সূর্যের দেখা যায় না। মাঝে মাঝে আকাশে সবুজ, নীল, লাল রঙের মেরুজ্যোতি দেখা যায়।
  • ৪. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও :  ৩ x ১ = ৩

    ৪.১ পৃথিবীর তাপমণ্ডলের একটি চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।

    IMG 20211018 232248

    ৫. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও :  ৫ x ১ = ৫

    ৫.১ কী কী উপায়ে মাটি সংরক্ষণ করা যেতে পারে বলে তুমি মনে করো?

    উত্তর : গাছের শিখর মাটিকে খুব শক্ত করে ধরে রাখে। তবে আজকাল নানা কারণে অনেক গাছ কাটা হচ্ছে। সেই কারণে বৃষ্টির সময় উপরের স্তরের মাটি ধুয়ে যায়। মাটির ক্ষয়রোধ করতে মাটিকে সংরক্ষণ করা উচিত।

    মাটি সংরক্ষণের উপায় গুলি হলোঃ

    • পশুচারণ নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় করা উচিত
    • মাটির অতিরিক্ত গভীরে খনিজ সম্পদ আহরণ করা বন্ধ করা উচিত
    • পাহাড়ের ঢালু অংশে ধাপ কেটে চাষ করা উচিত
    • অপরিকল্পিতভাবে গাছ কাটা বন্ধ করা উচিত
    • বেশি পরিমানে চারাগাছ রোপণ করা উচিত

October months Model Activity Task Class 6 Part 7 History মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 ইতিহাস


 

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 ইতিহাস

১. ‘ক’ স্তম্ভের সঙ্গে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও :  ১ x ৪ = ৪

                   ক-স্তম্ভ                        খ-স্তম্ভ 
১.১ আর্যসত্য (ক) চতুর্থ বৌদ্ধ সংগীতি  
১.২ বসুমিত্র (খ) পার্শ্বনাথ
১.৩ চাতুর্যামব্রত (গ) মহাবীর 
১.৪ পঞ্চমাহাব্রত (ঘ) গৌতম বুদ্ধ 

উত্তর- 

                   ক-স্তম্ভ                        খ-স্তম্ভ 
১.১ আর্যসত্য (ঘ) গৌতম বুদ্ধ 
১.২ বসুমিত্র (ক) চতুর্থ বৌদ্ধ সংগীতি 
১.৩ চাতুর্যামব্রত (খ) পার্শ্বনাথ 
১.৪ পঞ্চমাহাব্রত (গ) মহাবীর

২. শূন্যস্থান পূরণ করো : ১ x ৪ = ৪

২.১ বেশিরভাগ মহাজনপদ গড়ে উঠেছিল ________________ উপত্যকাকে কেন্দ্র করে।

উত্তরঃ গঙ্গা-যমুনার

২.২ মগধের রাজধানী ছিল ___________________।

উত্তরঃ রাজগৃহ

২.৩ সর্বজ্ঞানী হওয়ার পর মহাবীর পরিচিত হন ________________ নামে।

উত্তরঃ কেবলিন

২.৪ প্রথম বৌদ্ধ সংগীতির আয়োজন করা হয়েছিল _________________ মৃত্যুর পর।

উত্তরঃ গৌতম বুদ্ধের 

৩. দুটি বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও :  ২ x ৩ = ৬

৩.১ ‘অষ্টাঙ্গিক মার্গ’ কী?

উত্তরঃ দুঃখ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য গৌতম বুদ্ধ আটটি উপায়ের কথা বলেছিলেন। সেই আটটি উপায়কে এক সঙ্গে বলা হয় অষ্টাঙ্গিক মার্গ। মার্গ মানে পথ। এইকারণে আটটি পথকে বলা হয় অষ্টাঙ্গিক মার্গ।

৩.২ ‘মজঝিম পন্থা’ বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ মহাবীর কঠোর তপস্যার উপরে জোর দিয়েছিলেন। অন্যদিকে গৌতম বুদ্ধ মনে করতেন কঠোর তপস্যা নির্বাণ বা মুক্তি লাভের উপায় নয় আবার, চূড়ান্ত ভোগ-বিলাসেও মুক্তির খোঁজ পাওয়া যায় না। গৌতম বুদ্ধ তাই মজঝিম পন্থার কথা বলেছিলেন ।

৩.৩ কোন্ সাহিত্য থেকে জনপদ-মহাজনপদ সম্পর্কে জানা যায়?

উত্তরঃ ‘জৈন ও বৌদ্ধ সাহিত্যে’ জনপদ-মহাজনপদ সম্পর্কে জানা যায় ।

৪. চার-পাঁচটি বাক্যে উত্তর দাও :  ৩ x ২ = ৬

৪.১ মহাজনপদ গড়ে উঠেছিল কীভাবে?

উত্তরঃ খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতক নাগাদ এক-একটা জনপদের ক্ষমতা ক্রমে বাড়তে থাকে। সেখানকার শাসকেরা যুদ্ধ করে নিজেদের রাজ্যের সীমানা বাড়াতে থাকেন। ছোটো ছোটো জনপদগুলির কয়েকটি পরিণত হয় বড়ো রাজ্যে। এই বড়ো রাজ্যগুলিই মহাজনপদ বলে পরিচিত হয়।জনপদের থেকে যা আয়তন ও ক্ষমতায় বড়ো তাই হলো মহাজনপদ। মহাজনপদগুলির শাসকরা ছিলেন বৈদিক যুগের রাজাদের চাইতে অনেক বেশি শক্তিশালী। তাঁদের হাতে অনেক সম্পদ জমা হতো। সেই সম্পদ ব্যবহার করে তাঁরা নিজেদের ক্ষমতা আরো বাড়াতে শুরু করে। মগধ হলো একটি উল্লেখযোগ্য মহাজনপদ ।

৪.২ বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের মধ্যে দুটি মিল ও দুটি অমিল লেখো।

উত্তরঃ বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের মধ্যে দুটি মিল :

(i) বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ ও মহাবীর ছিলেন ক্ষত্রিয় বংশজাত।

(ii) বৌদ্ধ ও জৈন উভয় ধর্মই জন্মান্তরবাদে বিশ্বাসী ছিল।

বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের মধ্যে দুটি অমিল :

(i) বৌদ্ধধর্মে ভোগ ও ত্যাগের মধ্যবর্তী পথ মজঝিম পন্থা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে। জৈনধর্মে কঠোর তপস্যা, ত্যাগ ও তার পাশাপাশি উপবাসের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

(ii) গৌতম বুদ্ধ কেবলমাত্র জীব বা প্রাণী হত্যারই বিরোধী ছিলেন। জৈনধর্মে কঠোর অহিংসনীতির কথা বলা হয়েছে। জৈনরা জড়বস্তুতেও প্রাণের অস্তিতে বিশ্বাসী ছিলেন।



October months Model Activity Task Class 6 Part 7 English মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 ইংরেজি


 

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 ইংরেজি

1. Read the following passage and answer the questions that follow:

Feeling restless, I left the viewing room and glided down the long passage to the centre of the space station. I could see my father there surrounded by reporters. I came back to the view-room which was empty. I looked out into space. My Moon my home appeared very small now. At home, kids would be getting ready for the party. There’s always been a party at sunrise. The Sun rose only 12 or 13 times a year so it was something special for us. The sunlight crept slowly across the surface of the Moon until finally night was gone.

A. Complete the following sentences with information from the passage:  1×3 = 3

(i) The narrator left the viewing-room because

Ans: He was feeling restless.

(ii) He could not talk to his father as

Ans: His father was surrounded by reporters.

(iii) Sunlight crept on the Moon’s surface until

Ans:  Finally night was gone.

B. Answer the following questions:    2×3 = 6                                                                       

(i) How did the Moon appear to the narrator?

Ans: The moon appeared to the narrator very small.

(ii) When would there be a party in Moon?

Ans: The moon there would be a party at sunlight.

(iii) Why was the sunrise special for the residents of Moon?

Ans: The sun rose only 12 or 13 times a year, so it was something special for the residents of moon.

2. Do as directed:  1×5 = 5

(1) Will you please shut the door? (Replace the underlined word with its antonym)

Ans: Will you please open the door.

(ii) We shall go out for vacation soon. (Identify the type of Adverb used in the sentence)

Ans: Soon – Adverb of time.

(iii) The earnings for this quarter____ (exceed/exceeds) expectations. (Choose the correct option)

Ans: exceed.

(iv) Our guest is ____ European. (Fill in the blanks with an indefinite article)

Ans: A

(v) May God bless you. (Identify the type of sentence)

Ans: Optative sentence

3. Develop a story (in about 60 words) using the following outline. Add a suitable title to your story: 6

Outline: dog with piece of meat in mouth-crosses a river bridge-sees his shadow-thinks another dog, barks meat falls into the river

Ans:

THE DOG AND HIS SHADOW

One day a dog got a piece of meat. He was crossing a bridge with the meat in his mouth. He saw his own shadow in the water below. He taught that it was an another dog with another piece of meat in his mouth. He became greedy to get it. He opened his mouth to bark. His own piece of meat fell into the water. The dog lost his meat. He was sorry for his foolishness.



October months Model Activity Task Class 6 Part 7 Bengali মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 বাংলা

 

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 Part 7 বাংলা

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : ৩ x ৫ = ১৫

১.১ কোথাও বা চাষির ঘরের বউরা করে ক্ষেত্রব্রত।”– ‘ক্ষেত্ৰব্ৰত’ কীভাবে পালিত হয় ‘মরশুমের দিনে’ গদ্যাংশ অনুসরণে লেখো।

উত্তরঃ প্রশ্নে উদ্ধৃত অংশটি সুভাষ মুখোপাধ্যায় রচিত ‘মরশুমের দিনে’ রচনাংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। এই রচনাংশে বলা হয়েছে, চাষি ঘরের বউরা ক্ষেত্ৰব্রত পালন করে থাকে।

ব্রতপালনের নিয়ম: গ্রীষ্মকালে গ্রামবাংলায় জলের অভাব যখন দেখা দেয় তখন চাষি ঘরের বউরা এই ব্রত পালন করে।তারা বাড়ির কাছের খোলা জমিতে নিজেরা ঘট প্রতিষ্ঠা করে তার গায়ে সিঁদুর-পুত্তলি এঁকে ঘটের জলে আমের পল্লব ডুবিয়ে দেয়। এই ব্রততে বুড়িদের মধ্যেই কেউ হয় মূলব্রতী। হাতে ফুল আর দূর্বা নিয়ে ব্রতীর দল মূলব্রতীর মুখ থেকে ব্রতের কথা শোনে। সন্ধেবেলায় উলু দিয়ে ব্রত শেষ হয়। তারপর মাঠে বসেই ব্রতীর দল দই দিয়ে চিঁড়ে-গুড়-খই খায়।

১.২ ‘দিবসরাত্রি নূতন যাত্রী/নিত্য নাটের খেলা।’—উদ্ধৃতাংশের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর : দুঃখবাদী কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের লেখা হাট কবিতাটি একটি রূপকধর্মী কবিতা।

সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে গ্রাম থেকে একটু দূরে নির্দিষ্ট জায়গায় হাট বসে। সেখানে পণ্যদ্রব্য পরখ করে কেনাবেচা চলে। হাট এখানে মানবজীবনের প্রতীক।বাস্তবের হাটের ভাঙা-গড়ার মাধ্যমে কবি মূলত মানুষের জন্মমৃত্যুর কথা বলতে চেয়েছেন। আমাদের এই জীবনে বহু মানুষের সঙ্গে পরিচিতি, যোগাযোগ, লেনদেন ঘটে। জীবন ফুরালে সবাইকে বিদায় নিতে হয় । হাটের লোকেদের মতো এই পৃথিবীর মানুষরাও কেউ জীবনে সফল হয়, কেউ-বা বিফলতার মধ্যেই জীবন শেষ করে।

১.৩ ‘মূলত জ্যামিতিক আকার আশ্রিত বর্ণ সমাবেশেই রচিত হয় সাঁওতালি দেয়ালচিত্র।’— বক্তব্যটিকে ‘মাটির ঘরে দেয়ালচিত্র’ রচনায় লেখক কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন ?

উত্তর- উদ্ধৃত অংশটি বিশিষ্ট সাহিত্যিক তপন কর রচিত ‘মাটির ঘরে দেয়ালচিত্র’ থেকে নেওয়া হয়েছে।

মূলত জ্যামিতিক আকার-আশ্রিত বর্ণ সমাবেশেই সাঁওতালি দেয়ালচিত্র আঁকা হয়। এই চিত্রে যেমন রঙিন ভিতের মতো সমান্তরাল রেখা দেখা যায়, তেমনই থাকে চতুষ্কোণ ও ত্রিভুজের ছড়াছড়ি। চতুষ্কোণের মধ্যে চতুষ্কোণ বসিয়ে অথবা ত্রিভুজের মধ্যে ডিজি বসিয়ে নকশা তৈরি হয়। সাধারণত ঘরের চারপাশ ঘিরে থাকা মূল বেদিটি কালো রঙের হয়। তার সমান্তরালে বিঘতখানেক চওড়া গেরুয়া রঙের একটা রেখা টানা হয়। তার উপর সমান ছাড় দিয়ে আর একটি সমান্তরাল কালো রেখা টানা হয়। এর ওপরে সাদা, আকাশি, গেরুয়া বা হলদে রঙের রেখা দিয়ে চতুষ্কোণ বা ত্রিভুজগুলি আঁকা হয়। এগুলি পাশাপাশি এঁকে দেয়ালটিকে ভরাট করে তোলা দিয়ে। সাধারণত দেয়ালচিত্রটি মাটি থেকে ছ-ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় আঁকা হয়।

১.৪ …সে বাড়ির সেই মানুষদের একটি বন্ধু ফাঁকি দিয়ে চলে গেল— সেই ঝড়ের রাতে।’— উদ্ধৃতিটির আলোকে ‘ফাঁকি’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা প্রতিপন্ন করো।

উত্তর- আলোচ্য অংশ টি অন্যতম সাহিত্যিক রাজকিশোর পট্টনায়ক এর লেখা ‘ফাঁকি’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।

বহু বছর আম গাছটি সমস্ত বাধাবিপত্তি কাটিয়ে অটুটভাবে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু সবার চোখের আড়ালে কবে যে উইপোকা তাকে কুরে কুরে খেয়ে দুর্বল করে দিয়েছে, তা পরিবারের কেউই বুঝতে পারেনি। তাই আষাঢ় মাসের রাতের এক তুমুল ঝড়ে গাছটি হঠাৎ করেই ভেঙে পড়ে। গাছটির সঙ্গে বাড়ির সকলের আত্মীয়তা গড়ে উঠেছিল। তাই এক ঝড়জলের রাত্রে তার মৃত্যুতে বাড়ির সকলের মনে হল এক পরম বন্ধু যেন হঠাৎ ফাঁকি দিয়ে চলে গেছে।

পরম আত্মীয়ের এইরকম হঠাৎ চলে যাওয়াকে মানুষ বলে ফাঁকি দিয়ে চলে যাওয়া। এক্ষেত্রেও আম গাছটির মৃত্যু গোপালদের কাছে পরিবারের কোনো প্রিয় সদস্য বা আত্মীয়ের ফাঁকি দিয়ে চলে যাওয়ার মতোই মনে হয়েছে। সেই কারণেই বলা যায়, গল্পটির নামকরণ যথাযথ ও উপযুক্ত হয়েছে।

১.৫ ‘খলখল করে হেসে উঠল জল, ঢেউ তুলে….! -হেসে উঠে জল কী বলল?

উত্তর- উপরোক্ত উক্তিটি বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার এর লেখা ‘আশীর্বাদ’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।

তুমুল বর্ষায় বান ডেকেছে। চারিদিক ভেসে যাচ্ছে জলে। এমন অবস্থায় একটি পিঁপড়ে জলের তোড়ে ভেসে যেতে যেতে আশ্রয় নিয়েছে একটি ঘাসের পাতার নীচে। তার কথোপকথন চলছিল ঘাসের পাতার সঙ্গে। পিঁপড়েটি প্রকৃতির ওপর অসন্তুষ্ট। নিজের জীবনের অসহায়তার কথা ভেবে সে হতাশ হয়ে পড়ে। সে প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর ভয় পায়। ঘাসের পাতাটি তাকে অভয় দিতে থাকে।সেই মুহূর্তে বয়ে চলা জলও বলে ওঠে যে, বর্ষায় সে ঘাসকে ডুবিয়ে দিলেও শরৎকালে সেই ঘাসেরাই আবার কাশফুল হয়ে ফুটে ওঠে। সব দুর্যোগই তাদের প্রাণশক্তির কাছে হার মানে।

২. নির্দেশ অনুসারে নীচের ব্যাকরণগত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

২.১ নীচের শব্দবিভক্তিগুলির প্রতিটির আগে একটি করে উপযুক্ত শব্দ জুড়ে পদ বানাও : ১ x ৩ = ৩

২.১.১ দিগ

উত্তর- বালিকাদিগ

২.১.২ রা 

উত্তর- বাচ্চারা

২.১.৩ গুলি

উত্তর- দিনগুলি

২.২ নীচের শব্দগুলির আগে দুটি করে উপসর্গ বসিয়ে আলাদা আলাদা শব্দ তৈরি করো : ১ x ২ = ২

২.২.১ দেশ  

উত্তর- প্রদেশ, বিদেশ

২.২.২ কাশ :-

উত্তর- অবকাশ, বিকাশ



October months Model activities class - VII মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক – ২০২১ গণিত সপ্তম শ্রেণি

Google Search - www.motaleb783.blogspot.com
 7a0b677a07e648a4a8f90a48524f2887 0001 min



7a0b677a07e648a4a8f90a48524f2887 0002 min
Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

7a0b677a07e648a4a8f90a48524f2887 0003 min


7a0b677a07e648a4a8f90a48524f2887 0004 min



7a0b677a07e648a4a8f90a48524f2887 0005 min


Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

October months Model Activity Task Class 7 Part 7 Swasthyo O Sharirsikhya মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 7 স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা


 Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 7 স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা

স্বাস্থ্যশিক্ষা ও যোগাসন

১। শূন্যস্থানটি পূরণ করো : ১ × ৫ = ৫

(ক) _________________ দেহ ও মনের মধ্যে সমন্বয়সাধন করে, যা স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

উত্তর- খেলাধুলা

(খ) ব্যায়াম পেশির __________________ প্রতিকারের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে।

উত্তর- সংকোচণহীনতার

(গ) পরিমিত খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের দ্বারা __________________ দূর করা সম্ভব।

উত্তর- অনিদ্রা

(ঘ) যখন তখন _____________________ পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

উত্তর- ঘুমিয়ে

(ঙ) প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালোরি প্রয়োজন তার থেকে ২০০০ ক্যালোরি কম খাবার গ্রহণ করতে চাইলে অবশ্যই __________________ পরামর্শ নিতে হবে।

উত্তর- বিশেষজ্ঞের

২। নীচের ছবি দেখে ছবির নীচে ফাঁকা ঘরে ভঙ্গিটি শনাক্ত করে ভঙ্গিটির নাম লেখো এবং ভঙ্গিটি কোন ক্রীড়াক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত তার নাম লেখো। ১ × ৬ = ৬

image 3

উত্তর-

(ক) পূর্ণধনুরাসন – যোগাসন

(খ) আদেশ ‘তেজ চল’ – কুচকাওয়াজ

(গ) আক্রমণাত্মক কৌশল কবাডি

(ঘ) এক হাতে কার্ট হুইল – জিমন্যাস্টিকস

(ঙ) পিরামিড – সমবেত ক্রীড়া

(চ) খালি হাতে ব্যায়াম – ক্যালিসথেনিকস

৩। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও। ৪ × ২ = ৯

(ক) স্বাস্থ্যের উপর ব্যায়ামের প্রভাব বর্ণনা করো।

Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

উত্তর- স্বাস্থ্যের উপর ব্যায়ামের প্রভাব বর্ণনা করো।

শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর ব্যায়ামের প্রভাব :

১. হূৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

২. ফুসফুসের আয়তন ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব:

১. উদ্বেগ ও হতাশা কমাতে সাহায্য করে।

২. যে-কোনো পরিবেশে ব্যক্তিকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা :

১. ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় ও ডায়াবেটিস হলে তা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

২. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

(খ) মেদ ঝরাতে কী কী করতে হবে লেখো।

উত্তর-

(১) শিশুদের খিদে পেলে তবেই খেতে দিতে হবে তবে এককালীন বেশি করে না খাওয়া উচিত। প্রতিদিন চারবেলা খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। সকালে পেট ভরে খাদ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে সেই ক্যালোরি সারাদিনে কাজ করবার সঙ্গে সঙ্গে ব্যায়ম করতে হবে ফলে অতিরিক্ত মেদ শরীরে জমা হবে না। দুপুর, সন্ধে ও রাতে হাল্কা ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। রাত্রে খাদ্য গ্রহণের পর অন্তত ১৫ মিনিট হাঁটা উচিত।

(২) অধিক পরিমাণ শাকসবজি খেতে হবে এবং স্নেহজাতীয় খাদ্য, মাছমাংস যথাসম্ভব কম বা প্রয়োজনমতো খেতে হতে।

(৩) প্রতিদিন ৪০-৬০ মিনিট ধরে ঘাম ঝরানো ব্যায়াম করতে হবে।

(৪) মিষ্টি জাতীয় খাবার, ফাস্টফুড, রাস্তায় তৈরি খাবার ও অতিরিক্ত তেল-ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বর্জন করতে হবে।

(৫) খেলাধুলা-ব্যায়াম শরীরচর্চায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে হবে।


Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

October months Model Activity Task Class 7 Part 7 Paribesh O Bigyan মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 7 পরিবেশ ও বিজ্ঞান


 Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 7 Part 7 পরিবেশ ও বিজ্ঞান

১. ঠিক উত্তর নির্বাচন করো :  ১×৩=৩

১.১. তড়িতের সুপরিবাহী পদার্থটি হলো

(ক) প্লাস্টিক   

(খ) চিনেমাটি   

(গ) কাঠ   

(ঘ) তামা

উত্তর- (ঘ) তামা

১.২ সমতল আয়নায় প্রতিফলনের ফলে যে অক্ষরটির পার্শ্বীয় পরিবর্তন হবে না তা হলো

(ক) R   

(খ) S   

(গ) O   

(ঘ) C

উত্তর- (গ) O  

১.৩ ফুলের যে অংশটাফলে পরিণত হয় সেটা হলো

(ক) বৃতি   

(খ) দলমণ্ডল   

(গ) পরাগধানী  

(ঘ) ডিম্বাশয়

উত্তর- (ঘ) ডিম্বাশয়

২. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :  ১×৩=৩

২.১ একটি বাল্বের তাপও আলোকশক্তির উৎস কী ?

উত্তর-  একটি বাল্বের তাপ ও আলোকশক্তির উৎস হল ধাতব ফিলামেন্ট।

২.২ উদ্ভিদের মূলত্রের কাজ কী ?

উত্তর- উদ্ভিদের মূলত্রের কাজ গুলি হলো নিম্নরূপ

ক) মূলত্র মূলের নরম অগ্রভাগকে মাটির ঘর্ষণজনিত আঘাত থেকে রক্ষা করে।

খ) মূলত্র থেকে একপ্রকার পিচ্ছিল রস বের হওয়ায় মূল অতি সহজেই মাটির ভিতরে প্রবেশ করে।

২.৩ মৃদভেদী ও মৃদবর্তী অঙ্কুরোদগমের মধ্যে একটি পার্থক্য উল্লেখ করো।

উত্তর- মৃদভেদী অঙ্কুরোদগমের ক্ষেত্রে বীজের বীজপত্র মাটির মধ্যে থাকে।

কিন্তু মৃদবর্তী অঙ্কুরোদগমের ক্ষেত্রে বীজের বীজপত্র মাটির ওপরে উঠে আসে।

৩. একটি বা দুটি বাক্যে উত্তর দাও : ২×৪=৮

৩.১ একটি দণ্ডচুম্বকের ‘উদাসীন অঞ্চল’ বলতে কী বোঝায় তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর- দণ্ডচুম্বকের দুই মেরুর মধ্যবর্তী অঞ্চলে কোনোরকম আকর্ষণ বা বিকর্ষণ ক্ষমতা না থাকায় এই অঞ্চলটিকে উদাসীন অঞ্চল বলা হয় ।

৩.২ অভিসারী ও অপসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলতে কী বোঝায় তা ছবি এঁকে বোঝাও।

Google Search - www.motaleb783.blogspot.com

উত্তর- 

অভিসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ :

যদি কোনও আলোকরশ্মিগুচ্ছের রশ্মিগুলি আলোর গতির কোনো বিন্দুতে মিলিত হয় তখন ওই রশ্মিগুচ্ছকে অভিসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলে।

অপসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ :

যদি কোনও আলোর আলোকরশ্মিগুলি এমন হয় যে, তারা নির্দিষ্ট কোনও বিন্দু থেকে নির্গত হয়ে রশ্মিগুলো আলোর গতির পরস্পর থেকে দূরে সরে যায় তবে ওই  রশ্মিগুচ্ছকে অপসারী আলোকরশ্মিগুচ্ছ বলে।

image 3

৩.৩ উদ্ভিদের পাতার প্রধান কাজ কী কী ?

উত্তর-

ক) পাতায় ক্লোরোফিল থাকায় খাদ্য তৈরি করতে পারে। তাই পাতাকে ‘গাছের রান্নাঘর’ বলে।

খ) পাতায় থাকা পত্ররন্ধ্র জলীয় বাষ্প ত্যাগ ও গ্যাসীয় পদার্থের বিনিময়ে সাহায্য করে।

৩.৪ “ব্যাকটেরিয়াঘটিত নানা রোগের চিকিৎসায় পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হয়”। ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগে এই ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করার কারণ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর- অ্যান্টিবায়োটিক কয়েক ধরণের জৈব-রাসায়নিক ঔষধ যা  অণুজীবদের (বিশেষ করে ব্যাক্টেরিয়া) বৃদ্ধিরোধ করে। সাধারানত এক এক অ্যান্টিবায়োটিক এক এক ধরণের অণুজীব তৈরি করে ও অন্যান্য অণুজীবের বিরুদ্ধে কাজ করে। আমাদের শরীর বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়ে রোগগ্রস্ত হয়। পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন সেই ব্যাকটেরিয়া গুলিকে ধ্বংস করে ফলে শরীর সুস্থ হয়। ব্যাকটেরিয়াঘটিত নানা রোগের চিকিৎসায় পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত  হয়।

৪. তিন-চারটি বাক্যে উত্তর দাও : ৩×২=৬

৪.১ একটি বিস্তৃত আলোক উৎস ও বিস্তৃত অস্বচ্ছ বস্তু নিয়ে পরীক্ষা করলে, কীভাবে পর্দায় প্রচ্ছায়া ও উপচ্ছায়া গঠিত হবে তা ছবি এঁকে চিহ্নিত করো।

উত্তর- 

image 4

PQ বিস্তৃত আলোক উৎস। এই আলোক উৎসকে অসংখ্য বিন্দু আলোক উৎসের সমষ্টি ধরা যেতে পারে।

P হিন্দু থেকে আসা APB ফানেল আকৃতির অংশের আলোক রশ্মিগুচ্ছের কোনো অংশই পর্দায় পৌঁছোতে পারেনি কারণ তারা AB অস্বাচ্ছ বস্তুতে বাধা পেয়েছে। তাই GF অংশে ছায়া সৃষ্টি হয়েছে। আবার একইরকম ভাবে Q বিন্দু থেকে আসা AQB ফানেল আকৃতির অংশের আলোকরশ্মিগুচ্ছের কোনো অংশই পর্দায় পৌঁছোতে পারেনি কারণ  AB -তে তারা বাধা পায়। ফলে EH অংশে অন্ধকার গঠিত হয়েছে।

৪.২ “বন্ধ নদমা বা সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে নামার আগে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি” – উপযুক্ত – কারণসহ ব্যাখ্যা করো। উত্তর- বন্ধ নর্দমায় তথা সেপটিক ট্যাংকে বিশেষ প্রকারের মারাত্মক ধরনের গ্যাসের মিশ্রণ থাকে। এই গ্যাস মিশ্রণকে sewer gas বলা হয়ে থাকে। এই গ্যাস মিশ্রণে প্রধানত মিথেন (CH4), হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S), কার্বন ডাই অক্সাইড (Co2), কার্বন মনোক্সাইড (CO), সামান্য পরিমাণে হাইড্রোজেন সায়ানাইড (HCN) থাকে।

কার্বন মনোক্সাইড খুবই মারাত্মক গ্যাস এছাড়া হাইড্রোজেন সায়ানাইড প্রাণঘাতী মারাত্মক গ্যাস, কার্বন মনোক্সাইড আমাদের রক্তের হিমোগ্লোবিন এর সাথে মিশে যায় এবং কারবক্সি হিমোগ্লোবিন নামে একটি যৌগ গঠন করে। রক্তে কারর্বক্সি হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠিত হলে হিমোগ্লোবিন নিজস্ব কাজ অর্থাৎ দেহকোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা বন্ধ করে দেয় যার ফলে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তাই বন্ধ নর্দমা বা সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে নামার আগে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

Google Search - www.motaleb783.blogspot.com